প্রতিদিন আপনি ৫ বার মেডিটেশন করে মনকে শান্ত করে রাখতে পারেন।
স্বাভাবিক অবস্থায় আমরা যখন দাড়িয়ে থাকি বা বসে থাকি তখন আমাদের ব্রেইনে রক্ত পৌছায় ঠিকই,
কিন্তু তা একটা স্বাস্থ্যকর ব্রেইনের জন্য পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু আমরা যখন সিজদায় যাই তখন মস্তিষ্কে/ব্রেইনে
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্ত সঞ্চালিত হয়, যা একটা স্বাস্থ্যকর ব্রেইনের জন্য খুবই জরুরী। আর আমরা
যখন সিজদা করি তখন ব্রেইনের ন্যায় আমাদের মুখমণ্ডলের ত্বকেও অতিরিক্ত রক্তসঞ্চালন হয়, যা আমাদের
চিল্বলাইন(chilblain) নামক এক ধরনের চর্মরোগ এবং এজাতীয় আরও অনেক রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
তাছাড়া সিজদা আমদেরকে সাইনুসাইটিস (sinusitis) থেকেও বাছিয়ে রাখে। কেননা যারা নিয়মিত সিজদা করে
অর্থাৎ নামাজ পড়ে তাদের সাইনাসের (sinus) প্রদাহ হবার সম্ভাবনা অনেক কম।
এছাড়াও সিজদার আরও উপকার রয়েছে। যেমন, যারা নিয়মিত সিজদা করে তাদের ব্রঙ্কাইটিস (bronchitis) হবার
সম্ভাবনাও অনেকাংশে কম। একটা লোক যখন স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস ছাড়ে তখন আমদের ফুসফুসে থাকা দূষিত
বায়ুর কেবল দুই-তৃতীয়াংশ বের হয় বাকি একতৃতীয়াংশ ভিতরেই থেকে যায়। কিন্তু কেউ যখন সিজদায় অবনত হয়
তার এবডমিনাল ভিসেরা(abdominal viscera) ডায়াফ্রামের(diaphragm) উপর চাপ প্রয়োগ করে, ফলে ডায়াফ্রাম
ফুসফুসের নিছের দিকে (lower lobes) চাপ প্রয়োগ করে।
ফলে কেউ যখন সিজদায় অবনত অবস্থায় শ্বাসপ্রশ্বাস নেয় তখন ফুসফুসের ভিতরে জমে থাকা এক তৃতীয়াংশ দূষিত বাতাসও
বের হয়ে যায়, যা একটা সুস্থ ফুসফুসের জন্য খুবই দরকারি। এর ফলে আমদের ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ হবার সম্ভাবনাও কমে যায় অনেকাংশে।
যদি কেউ নিয়মিত সিজদা করে তবে সিজদার সময় করা অঙ্গভঙ্গি ও শরীরের বিভিন্ন রকমের নাড়াচাড়ার কারণে তার অর্শ(hemorrhoid) বা পাইল্স(piles) এবং হার্নিয়া (hernia) হবার সম্ভাবনাও কমে যায় অনেকাংশে।
আবার আমরা যখন সিজদা থেকে উঠে দাড়াই তখন শরীরের পুরো ওজন আমদের পায়ের উপর পড়ে এবং আমদের পা আর রানের পেশীতে চাপ পড়ে। তখন সে পেশীগুলু সক্রিয় হয়ে উঠে যা আমাদের নিন্মাঙ্গে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দে, যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও নামাজে রুখু সিজদা বসা আর উঠে দাঁড়ানোর সময় আমরা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করি যার কারণে আমাদের মেরুদণ্ডে ও বিভিন্ন রকমের নাড়াচাড়া হয়, যা আমদের মেরুদণ্ডের বিভিন্ন রকমের রোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখে।
কিছু রোগের জন্য নামাজ ছাড়া প্রেসক্রিপশান নাই
নামাজ হার্ট এ্যাটাক,প্যারালাইসিস,ডায়াবেটিস,মেলিটাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলকভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত,নামাজ মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদগ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না। অন্যসব ধর্মের মধ্যে এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই। নামাজীর জন্য এটা একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটা একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম যার প্রভাব মানবের সকল অঙ্গগুলোতে পড়ে এবং সামগ্রিক মানব অঙ্গগুলোতে নড়াচড়া ও শক্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্য অটুট থাকে।
ভোর ৫ টা ১২ মিনিট এ ঘুম থেকে জেগে ২ রাকাত সুন্নত এবং ২ রাকাত ফরজ সালাত আদায় করুন।
দুপুর ১২ টা থেকে ২ টার মধ্যে ৪ রাকাত সুন্নত ৪ রাকাত ফরজ ২ রাকাত সুন্নত সালাত আদায় করুন।
বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিট এর দিকে ৪ রাকাত ফরজ সালাত আদায় করুন।
সন্ধ্যা ৫ টা ১৫ মিনিট এর সময় ৩ রাকাত ফরজ এবং ২ রাকাত সুন্নত সালাত আদায় করুন।
রাত ৬ টা ৩০ মিনিট এর দিকে ৪ রাকাত ফরজ ২ রাকাত সুন্নত এবং ৩ রাকাত বিতর এর সালাত আদায় করুন।
আজ থেকেই, এখন থেকেই শুরু করুন, আর দেখুন মেডিটেশন এর আশ্চর্য ফলাফল। আপনার মন শান্ত হয়ে যাবে, লোভ লালসা থেকে মুক্তি পাবেন।
আপনি যদি ভাল কিছু জানেন উত্তম মেডিটেশন সম্পর্কে তবে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।
আমাকে গল্প করার জন্য ঈমো তে যোগ করুন ০১৬২৬২৫২৭২৯।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


