somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পানি ও বিদ্যুৎ-এর অভাবে চালু হচ্ছেনা ছাত্র-ছাত্রীদের নতুন ভবন

১৯ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের আবাসন সমস্যা কমাতে ] বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে একটি নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে ছয় মাস আগে। ৯৫ জন ছাত্রী এখানে থাকতে পারবেন। শুধু গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃসুবিধা না থাকায় ভবনটি ব্যবহার করতে পারছেন না ছাত্রীরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হলেই আবাসন-সংকট প্রকট। পর্যাপ্ত আবাসনসুবিধা না থাকায় বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রীদের গাদাগাদি করে থাকতে হয়। ভবনটি চালু হলে শতাধিক ছাত্রীর আবাসন সমস্যা দূর হতো।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সিকদার গ্রুপ বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের এই বর্ধিত ভবনটি তৈরি করে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জয়নুল সিকদার তাঁর স্ত্রীর নামে ভবনের নামকরণ করা হবে—এমন শর্তে অর্থ-সহায়তা দেন। শর্ত অনুযায়ী ভবনটির নামও রাখা হয়েছে ‘সিকদার মনোয়ারা ভবন’। ২০০৬ সালে ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে শেষ হয়েছে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু এরপর আর গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃসুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়নি সিকদার গ্রুপ।
চলতি মাসের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিকদার গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক করে ভবনের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার অনুরোধ জানায়। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এ মাসের মধ্যেই কাজ শেষ করার নিশ্চয়তা দিলেও আজ পর্যন্ত কাজ শুরু করেনি। ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান ও সিকদার গ্রুপের প্রকৌশলী কামরুল হুদা এ বিষয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখনো আলোচনার সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়নি। এ ছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ পেতে দেরি হওয়ায় কাজ এগোচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।’
তিনতলা ভবনের নিচতলায় রয়েছে মিলনায়তন ও খাওয়ার ঘর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় আবাসিক শিক্ষক ও ছাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা। সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের কোনো কক্ষে আসবাব নেই। ছাদ ও সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে দেয়ালে এরই মধ্যে শ্যাওলা পড়ে গেছে। এসব দেখার জন্য লোকবলও নিয়োগ হয়নি।
কুয়েত মৈত্রী হলের একাধিক আবাসিক শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেছেন, ভবনটি চালু হলে আবাসিক সমস্যা কিছুটা হলেও কমবে। হলের প্রাধ্যক্ষ ফরিদা বেগম বলেন, পানি, বিদ্যুৎসংযোগ ও পয়োনিষ্কাশনের সমস্যা ছাড়াও ভবন এলাকায় প্রচুর আবর্জনা পড়ে আছে। এ ছাড়া আসবাব সরবরাহ করতে হবে।’ তিনি বলেন, এসব কাজ দ্রুত করতে সিকদার গ্রুপকে তাগাদা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এ বিষয়ে বলেন, হলের কাজ সমাপ্ত করার দায়িত্ব সিকদার গ্রুপের। কাজ শেষ করতে সিকদার গ্রুপকে তাগাদা দিতে হল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে মোট শয্যা মাত্র ৩৭৮টি। সেখানে থাকছেন প্রায় দেড় হাজার ছাত্রী। হলে গণরুম আছে চারটি। চারজনের এসব কক্ষে থাকছেন ১৭ জন করে। এ কক্ষগুলোতে দেওয়া আছে দোতলা খাট। দুজনের জায়গায় একটি দোতলা খাটে থাকেন চারজন করে। এ ছাড়া মেঝেতেও থাকেন কয়েকজন করে। হলের প্রায় সব খাটেই থাকেন দুজন করে।

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×