রোদ, প্রচণ্ড গরম, হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি। তবে এতে কোনো ছেদ পড়েনি ঈদের কেনাকাটায়। সকল বয়সী নারী ও পুরুষ ঈদের কেনা কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।ক্রেতাদের ভিড় দেখে মনে হচ্ছে, ঈদের বেশি বাকি নেই।ঈদের বাজার মানে তো আর শুধু শাড়ি, জামা কেনা নয়; এর সঙ্গে লাগে নানান কিছু। আর ঘর সাজাতে বিছানার চাদরসহ টুকটাক কত কিছু কিনতে হয়। নির্বিঘ্নে ক্রেতা সাধারণ ও ব্যবসায়ীরা অধিক রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করছেন। রোজা রেখে ক্রেতা সাধারণ বিশেষ করে নারীরা, তাদের পরিবারের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে মার্কেট মার্কেটে ঘুরে পছন্দ মতো নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী পোষাক, জুতা ও বিভিন্ন পন্য সামগ্রী ক্রয় করছেন। ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি শপিংমলে বসানো হয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। প্রবেশ পথে তল্লাশি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে শপিংমলগুলোতে পুলিশের পুরুষ সদস্যের পাশাপাশি নারী সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে যা পুরো রজমান মাসে অব্যাহত থাকবে। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত থাকায় মার্কেটগুলোতে বখাটেদের উৎপাত নেই বললে চলে। চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে না। কোনো অজ্ঞান বা মলম পার্টি মার্কেট বা শপিংমলে থাকলে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শপিংমল ও মার্কেটের চারপাশে ট্রাফিক ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে ক্রেতাদের মার্কেটে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। ঈদের কেনাকাটায় বড় অংকের টাকা আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের মানি এস্কর্টের সদস্যরা সদা প্রস্তুত রয়েছেন। প্রতিটি মার্কেটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক রয়েছে পুলিশি পাহারা। নারী পুলিশের বিশেষ দল সবসময় মার্কেটে ঘোরাফেরা করছেন। এসব স্থানে ইভটিজিং প্রতিরোধেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাতে কেনাকাটার পর নিরাপদে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে রয়েছে টহল পুলিশের একাধিক দল। একই সঙ্গে এসব স্থানে পকেটমার, ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান-মলম পার্টি প্রতিরোধে ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




