ভোরের আগে রাত
এই রাতের শিফট এলেই জামিলের ইচ্ছে হয় চাকরিটা ছেড়ে দিতে। প্রতি সপ্তাহে দু’দুটো রাত জাগা! দিনে কি আর সেভাবে ঘুম হয়! কিন্তু কি বা করার আছে...হোটেল ম্যানেজম্যান্টে পড়েছে নিজের ইচ্ছায়, হোটেলে কাজ করলে রাতের শিফট করতে হবে এ আর নতুন কি! ওর অবস্থা অনেকটা প্রেম করে বিয়ে করে পচতানো মেয়েদের মতো...না পারে প্রেম ফুরিয়ে গেলে সম্পর্কের বোঝা বইতে, না পারে বাবার বাড়ী গিয়ে বরের বা শশুরবাড়ীর নালিশ করতে। সীমাহীণ যন্ত্রণা!
১১টার একটু আগে শিফটে এসে পিসিতে চোখ বুলিয়ে নেয় জামিল। প্রাণ জুড়োলো! আজ রাত ব্যস্ত যাবে না। কোন এ্যারাইভাল নেই। আহা কি শান্তি!
রাত ১২টা বেজে কুড়ি। আজ এই পাঁচতারা হোটেলের লবি অন্য দিনের চাইতে একদম ফাঁকা। আজ যে শুক্রবার মনেই ছিল না জামিলের, বার বন্ধ...তাই এই নির্জনতা। এত বড় লবিতে মাত্র ছ’জন মানুষ। রিসিপশনে আছে জামিল আর ফয়সাল। একটু দুরের ডেস্কে আছে ডিউটি ম্যানেজার নাসের, কন্সিয়ারজে আছে নাইট পোর্টার রোজারিও, ওর পাশেই আছে সিকিউরিটি অফিসার। সবাইকে ছাপিয়ে যাকে সবচেইয়ে বেশী দেখা যাচ্ছে, সে রুপোলি পাড়ের গাঢ় ম্যাজেন্টা শাড়ী পরা একটা মেয়ে। জড়োসড়ো বসে আছে কোণার এক সোফায়। দেখতে আহামরি কিছু না, তবে বেশ দেখাচ্ছে মেয়েটিকে, পরিপাটি করে সাজা। সাথে হ্যান্ড ব্যাগ ছাড়াও আছে ছোট একটা ট্রলি স্যুটকেস। বয়স বোঝা যাচ্ছে না, জামিল কখনোই মেয়েদের বয়স বোঝে না...২৫/২৬ হবে হয়ত! অনেক্ষণ ধরে বসে আছে, সেই শিফটের শুরু থেকে দেখছে জামিল। সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে আছে...ফনে করছে কিছুক্ষণ পরপর, চাপা গলায় চলছে কথা, মাঝে মাঝে খানিক উত্তেজিত, উদ্বিগ্ন...আবার নিরবতা। খানিক বাদে আবার ফোন চাপছে মেয়েটি...কিন্তু তাকে আর কোন কথা বলতে শোনা যাচ্ছে না। এত রাতে কি আর কেউ ফোন ধরে!
সময় ধীরে গড়ালেও থেমে থাকছে না।এরই মধ্যে রাতের শিফটের কাজ গুছিয়ে নিয়েছে জামিল আর ফয়সাল। হয়ে গেছে ওদের টী-ব্রেকও। খানিক বাদে রিসিপশনে উঠে এলো মেয়েটা।
“ভাইয়া আমার ব্যাগটা একটু দেখবেন?...আমি এই আসছি!” বলে আর দাড়ালো না, শাড়ীর আচঁল, ঠিক করতে করতে ওয়াশ রুমের দিকে পা বাড়াল মেয়েটা।
ডিউটি ম্যানেজার আঁড় চোখে দেখছে মেয়েটাকে...ডেস্ক থেকে ফোন তুলে ফয়সালঅকে জিজ্ঞেস করলো মেয়েটির কথা।
ফয়সালঃ ব্যাগ দেখতে বলল, বাথরুমে গেছে। আজতো কোন এ্যারাইভালও বাকী নেই! নাসের ভাই দেখেনতো মেয়েটার কেস কি...অনেক্ষণ ধরে বসে আছে...
মিনিট পাচেঁক পরে মেয়েটি ফিরে গেল আগের সোফায়। নাসের সিকিউরিটি অফিসারকে আসতে বলল ওয়াকি-টকিতে। সিকিউরিটি অফিসার আসতেই নাসের এগিয়ে গেল... (চলবে)
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।