somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সৌদি রাজকন্যার জীবন কাহিনী (পর্ব – ১)

০২ রা অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জিয়ান সেসন ( Jean Sasson) নামক একজন মার্কিন লেখিকা একটি ট্রিলজি (একই বিষয়ের উপর তিনটি ধারাবাহিক নন ফিকশন বা উপন্যাস) লিখেছেন ১৯৯৪ সাল থেকে পরবর্তী কয়েক বছরে। এগুলির নাম হোল ১. Princess: A True Story of Life Behind the Veil in Saudi Arabia ২. Princess Sultana’s Daughters ৩. Princess Sultana’s Circle. প্রথম বইটা ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। এছাড়াও আরব, আফগানিস্তান প্রভৃতি দেশের মেয়েদের জীবনের উপর আরও কয়েকটি নন ফিকশন আছে এই লেখিকার, যেগুলি সারা বিশ্বে খুব নাম করেছে। আমি ট্রিলজির প্রথম বইটা (প্রিন্সেস)পড়েছি বেশ কিছুদিন আগে। দ্বিতীয়টাও পড়েছি। প্রথম বইটির ইংরেজি ও বাংলা অনুবাদ পাওয়া যায় রকমারি ডট কমে। লেখিকা কর্ম সূত্রে কয়েক বছর সৌদি আরবে ছিলেন এবং সৌদি আরবের প্রথম রাজা আব্দুল আজিজের এক নাতনীর ( প্রিন্সেস) সাথে ৯০ এর দশকে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা হয়।

পরবর্তীতে (১৯৯৪ সাল ও পরবর্তী সময়ে) এই রাজকন্যার মুখে শুনে রাজকন্যার জীবনের ঘটনা নিয়ে লেখিকা তার ট্রিলজিটি লেখেন রাজকন্যার জবানীতে। তবে রাজকন্যার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে তার ছদ্মনাম (সুলতানা) ব্যবহার করেছেন। এছাড়া কিছু জায়গাতে মূল কাহিনী ঠিক রেখে এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যেন রাজকন্যাকে চিহ্নিত করা না যায়। বই তিনটিতে মুলত সৌদি রাজপরিবারের মেয়েদের করুন অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। রাজকন্যা হওয়া সত্যেও এদের অসহায়ত্ব সবাইকে বিস্মিত ও ব্যথিত করবে। এছাড়াও বইগুলিতে সৌদি আরবের রাজবংশের ইতিহাস ও রাজপরিবারের অনেক না জানা কথা আছে। প্রথম বইয়ের (প্রিন্সেস) কিছু কিছু অংশ যা আমাকে বেশী আকৃষ্ট করেছে সেগুলি আমি এই সিরিজ লেখায় সংক্ষেপে উল্লেখ করছি। আশা করি পাঠকদের ভালো লাগবে।


বইয়ে না থাকলেও সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে পটভূমি বলা দরকার। রাজা আব্দুল আজিজ ১৯৩০ সালে আধুনিক (দ্বিতীয়) সৌদি আরব নামক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা করেন। তবে প্রথম সৌদি রাজ্য ১৭৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এদের পিতৃপুরুষ মুহাম্মাদ ইবনে সউদের দ্বারা এবং ১৮৯১ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন যুদ্ধবিগ্রহের মাধ্যমে সম্প্রসারণ ও সংকোচনের দ্বারা এই রাজ্যটি কোনও রকমে টিকে ছিল। ঐ সময় ধর্মীয় নেতা ও ওয়াহাবি মতবাদের প্রবক্তা আব্দুল ওয়াহাব কর্তৃক সমর্থন প্রাপ্ত হয়ে প্রথম সৌদি রাজ্য গঠিত হয়েছিল। মুহাম্মদ ইবনে সউদের বাবার নাম ছিল সউদ বিন মোহাম্মাদ। বর্তমান সৌদি রাজবংশের সউদ নামক এই আদি বাবার নাম অনুসারেই বর্তমান সৌদি আরব রাষ্ট্রের নামকরণ করা হয়েছে।

রাজকন্যা সুলতানার (ছদ্মনাম) বর্ণনায় দেখা যায় যে ১৮৯১ সালে আল সউদ গোত্র যখন আল রশিদ গোত্রের কাছে যুদ্ধে পরাজিত হয় তখন রাজা আব্দুল আজিজের বয়স মাত্র ১৫ বছর। তাকে ও তার আরেক বোনকে বাঁচানোর জন্য তার পিতা তাদেরকে দুইটা বস্তায় ভরে একটা উটের দুই পাশে ঝুলিয়ে কোনও রকমে প্রানে বাঁচেন। দুই বছর উদ্ভ্রান্তের মত প্রান হাতে নিয়ে ঘোরার পর কুয়েতে এই গোত্র আশ্রয় পায়। এই উদ্বাস্তু জীবনের কষ্ট তরুণ আব্দুল আজিজের মনে জন্মভুমি পুনরুদ্ধারের কঠিন প্রত্যয় সৃষ্টি করে। ১৯০২ সালে তরুণ আব্দুল আজিজ 'রশিদ গোত্র' কে পরাজিত করে তার জন্মভুমি পুনরুদ্ধার করেন। পরবর্তী বছরগুলিতে আব্দুল আজিজ ৩০০ র অধিক বিয়ে করেন বিভিন্ন গোত্রকে তার অনুগত রাখতে। তার পুত্র সন্তান ছিল ৫০ এর অধিক ও কন্যা সন্তান ছিল ৮০ র অধিক। সঠিক সংখ্যা মনে হয় রাজা বা এই রাজকন্যা (সম্পর্কে নাতনী) নিশ্চিতভাবে জানত না।

রাজা আব্দুল আজিজ এই ৩০০ র অধিক স্ত্রীদের মধ্যে সব চেয়ে বেশী ভালবাসতেন রানী ‘হাসা সুদাইরি’ কে। ঐ সময় এই রানীর পুত্র সন্তানরাই এই রাজ বংশের গুরুত্বপূর্ণ পদ গুলিতে ছিলেন। বাদশাহ ফাহাদ এই রানীর সন্তান ছিলেন। ১৯৯১ সালে এই বইয়ে উল্লেখিত রাজকন্যা (ছদ্মনাম সুলতানা) বলছেন যে তখন সৌদি রাজবংশে (সম্প্রসারিত) প্রায় ২১,০০০ সদস্য ছিল। এখন সংখ্যাটা হয়ত আরও অনেক বেশী। এই ২১০০০ এর মধ্যে তখনই ১০০০ জন রাজপুত্র ছিল যারা সরাসরি রাজা আব্দুল আজিজের নিজের পরিবারের। এই বইয়ের রাজকন্যাও রাজা আব্দুল আজিজের পরিবারের সরাসরি সদস্য ছিলেন (নাতনী)।

সুলতানা ১৯৪৬ সালের কথা বলছেন যখন বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবকে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেছে তেলের অর্থনীতির কারণে। ব্রিটিশ প্রধান মন্ত্রী চার্চিল রাজা আব্দুল আজিজকে একটি রোলস রয়েজ গাড়ি উপহার দেন ঐ সময়। গাড়িটা দেখে রাজার পছন্দ না হওয়াতে তিনি এটা তার ভাই আব্দুল্লাহকে দিয়ে দেন। আব্দুল্লাহ ছিলেন সুলতানার বাবার চাচা আবার বন্ধুও। তিনি গাড়িটা সুলতানার বাবাকে দেন মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার জন্য। সুলতানার মার ছিল এটাই প্রথম মোটর গাড়ি ভ্রমণ।

সুলতানাদের পরিবারে প্রতি বছর হজের পরে দাস- দাসীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেত। কারণ হজের পরে সুদান, নাইজেরিয়ার মত গরীব দেশের হাজিরা তাদের ছেলে-মেয়েদের ধনী সৌদিদের কাছে বিক্রি করে দিতেন দরিদ্রতার কারণে। সুলতানারা এই দাস- দাসিদের সাথে ভালো ব্যবহার করতো। তাদের সাথে খেলত। ১৯৬২ সালে যখন সৌদি সরকার দাসপ্রথা আইন করে বন্ধ করে দেয় তখন তাদের সুদানি দাস পরিবার তাদেরকে ত্যাগ না করার জন্য কান্নাকাটি করে। ফলে তার বাবা তাদেরকে বিতারিত না করে তাদের পরিবারের সাথে থাকার অনুমতি দেয়।

১৯৫৩ সালে রাজা আব্দুল আজিজের মৃত্যুর পর তার ছেলে সউদ রাজা হন। কিন্তু উনার নেতৃত্বগুনের অভাব ছিল এবং দেশের তেল বিক্রির সিংহভাগ আয় উনি রাজপ্রাসাদ, গাড়ি ও স্ত্রীদের বিলাসিতার পিছনে ব্যয় করতেন। ফলে রাজ পরিবারে ও দেশের জনগণের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধতে থাকে। ১৯৬৩ সালে একদিন রাজপরিবারের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সুলতানাদের প্রাসাদে সভায় মিলিত হয় তৎকালীন রাজা সউদের শাসন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে। এক পর্যায়ে সবাই ক্রাউন প্রিন্স ফয়সালকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে। জবাবে প্রিন্স ফয়সাল কাঁদতে কাঁদতে বলেন যে তিনি তার বাবা আব্দুল আজিজের কাছে শপথ করেছেন যে কোনও অবস্থাতেই তিনি তার ভাইয়ের শাসনের বিরোধিতা করবেন না। ফলে সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে ফয়সালের ছোট ভাই মোহাম্মদ রাজাকে তাদের উদ্বেগ ও অসন্তোষের কথা জানিয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করবে। কিন্তু এই উদ্যোগ কোনও কাজে লাগে নি। সুলতানার ভাষ্যে দেখা যায় যে তার দৃষ্টিতে প্রিন্স ফয়সাল ছিলেন অনেক আদর্শবাদী ও নীতিবান।


কিছুদিন পর জানা যায় যে রাজা সউদ তার ভাই ফয়সালকে হুমকি দিয়ে বার্তা পাঠিয়েছে। কিন্তু আপন ভাইকে এই ধরনের হুমকি ছিল বেদুইনদের নীতি বিরুদ্ধ একটি কাজ। পরবর্তীতে জানা যায় যে রাজা সউদ তার কিছু সমর্থকদের নিয়ে প্রিন্স ফয়সালের সমর্থকদের সাথে একটা বড় ঝামেলা তৈরি করার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু প্রিন্স ফয়সাল ব্যাপারটা ঠাণ্ডা মাথায় সামলান, সহিংসতা পরিহার করেন এবং এই ব্যাপারে অন্যান্য ভাই ও ধর্মীয় নেতাদের সিদ্ধান্তের উপর নিজেকে ছেড়ে দেন। এই ঘটনার দুই দিন পরে রাজার এক স্ত্রী কাঁদতে কাঁদতে সুলতানাদের প্রাসাদে আসেন এবং জানান যে ধর্মীয় নেতারা রাজার কাছে এসে তাকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে বলেছেন। পরবর্তীতে রাজাকে সপরিবারে গ্রীসে নির্বাসনে পাঠানো হয় এবং প্রিন্স ফয়সালকে রাজা ঘোষণা করা হয়।

সুলতানার বাবা তার ১০ মেয়ের পড়াশুনার ব্যাপারে তেমন আগ্রহী ছিলেন না (ছেলেদের ক্ষেত্রে আগ্রহী ছিলেন)। প্রথম ৫ মেয়ে শুধু কোরআন পড়তে পারতো এবং সাধারণ শিক্ষা তাদের ছিল না। কিন্তু রাজা ফয়সালের স্ত্রী ইফফাতের সমর্থন থাকায় সুলতানার মা তার ছোট ৫ মেয়ের শিক্ষা চালিয়ে যেতে সমর্থ হন।

প্রিন্স ফয়সালের বিয়েঃ প্রিন্স ফয়সাল তার তরুণ বয়সে ১৯৩২ সালে একবার তুরস্ক বেড়াতে যান। ইফফাত (পরবর্তীতে ফয়সালের স্ত্রী) ও তার পরিবার ঐ সময় তুরস্কে বাস করতো। ইফফাতের পরিবার আসলে সৌদি ছিল কিন্তু অটোম্যান শাসনের কারণে তারা তুরস্কে চলে যায়। তবে সউদিতে তাদের সম্পত্তি ছিল। তার মৃত বাবার এরকম কিছু জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল। তারা যখন জানতে পারে যে প্রিন্স ফয়সাল তুরস্কে এসেছেন তখন ইফফাত ও তার মা এই জমির ব্যাপারে প্রিন্স ফয়সালের সাথে দেখা করে ব্যাপারটা মিটমাট করার জন্য। ইফফাতের আচরণ ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রিন্স ফয়সাল ইফফাত ও তার মাকে জমির ব্যাপারে ফয়সালা করার জন্য সৌদি আরবে আসার দাওয়াত দেন। ইফফাতরা সৌদি আরবে আসার পর প্রিন্স ফয়সাল শুধু তাদের জমি ফিরিয়েই দেন নি বরং ইফফাতকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন। পরবর্তীতে প্রিন্স ফয়সাল বলতেন যে এটা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত।

রাজা ফয়সালের শাসনকালে রানী ইফফাতের প্রচেষ্টায় মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যথেষ্ট উন্নতি হয়। সুলতানার ধারণা তার প্রচেষ্টা না থাকলে মেয়েরা ঐ সময় স্কুলে আসতে পারতো না। রাজকন্যা সুলতানা ছিলেন এই রানী ইফফাতের একনিষ্ঠ ভক্ত ও তার মত হতে চাইতেন। ইফফাত তার সন্তানদের জন্য ইংলিশ ন্যানি পর্যন্ত রাখার সাহস করেছিলেন ঐ সময়। ফলে রাজপরিবারের সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে তার সন্তানেরা অন্যান্য পরিবারের মত বিগড়ে যায় নি। ( চলবে )
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:২৫
৩০টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শনিবারের চিঠিঃ পর্ব পাঁচ (ধারাবাহিক সাপ্তাহিক কলাম)

লিখেছেন সাজিদ উল হক আবির, ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:০৯



.
১।
.
"লেখালিখিতে কি কোন আনন্দ আছে? আমি জানি না। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে, লেখালিখির জন্য কঠিন বাধ্যবাধকতা আছে, কিন্তু এই বাধ্যবাধকতা কোথা থেকে আসে, তাও আমার জানা নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাখ টাকার বাগান খায় এক টাকার ছাগলে

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

স্বাধীনতার অব্যবহিত পর আওয়ামীলীগের একটা অংশ গিয়ে জাসদ করল। তৎকালীন সরকারকে হটাতে এমন কোনো কাজ নেই তারা করে নি। খুন, ডাকাতি, লুটতরাজ সব চলল। তৈরি করল ১৫ আগস্টের ক্ষেত্র। ঘটল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধু ও মধুমক্ষিকা; স্রষ্টার সৃষ্টিনৈপুন্যতার অনন্য নিদর্শন

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ দুপুর ২:৫৭

ছবি: অন্তর্জাল।

মধু ও মধুমক্ষিকা; স্রষ্টার সৃষ্টিনৈপুন্যতার অনন্য নিদর্শন

মধু। সুমিষ্ট পানীয়। শ্রেষ্ঠতম ঔষধি। বহু রোগের আরোগ্য। দেশ-কাল-জাত-পাতের উর্ধ্বে সকলের প্রিয় এক পানীয়। কিন্তু কে দেয় এই পানীয়? কী তার সৃষ্টিকৌশল?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মীয় পোষ্টে কমেন্ট করলেই 'নোটীশ' এসে উপস্হিত হয়।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ বিকাল ৫:১৪



*** এক নোটীশেই জেনারেল হয়ে গেছি, অভিনন্দন জানাতে পারেন।

জলবায়ু সমস্যা, গ্লোবেল ওয়ার্মিং, আকাশের ওযোন-লেয়ার নষ্ট হওয়া সম্পর্কে আপনি কখন প্রথম শুনেছেন? ইহা কি শেখ সাহেবের মুখ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কলাবতী ছবি ব্লগ

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১১


কলাবতী ফুল অনেকেরই ভালো লাগে ,নজর কাড়ে । আবার ভালোবাসে কেউ কেউ।
যতই রূপবতী গুণবতী হোক এই ফুল তবুও সে পড়ে থাকে অবহেলায় রাস্তার পাশে ,নর্দমার পাশে ,জঙ্গলে ,পরিত্যক্ত জায়গা।
দু চারজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×