
গতকাল সুমের ডাক বাবা! ও বাবা! শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। চোখ খুলে তাকাতেই দেখি ওর মাকে ডিঙ্গিয়ে ও আমার দিকে আসছে। অতপর, গলাটা জড়িয়ে ধরে বেশ কিছুক্ষন থেকে তারপর আমার পাশেই শুয়ে পড়লো। কিছুক্ষন পর ফ্রেশ হয়ে ওর মা যখন পাজামা পড়াতে গেলো, সে যে কি বিরক্ত। কোনভাবেই পাজামা পড়বে না। ওর মা রেগে চলে গেলো রান্না ঘরে। ভাবলাম আমি একবার ট্রাই করে দেখি। আমি যেই পাজামা পড়াতে গিয়েছি বার বার উঠে যাচ্ছে। বিরক্ত হয়ে ভাবলাম দেখি ও কি করে...ও দাড়িয়ে আবার আমার গলাটা জড়িয়ে ধরলো; কয়েক সেকেন্ড পর বসে পড়লো আমার পাশে। এবার ঠিকমত পাজামাটা পড়ে নিল।
আজ দুপুরে বাসায় গিয়েছি লাঞ্চ করতে। যেই ঘরে প্রবেশ করেছি দেখি সুম গোসল করে বাথরুম থেকে বেরুচ্ছে। সারা শরীরে পানি জমে আছে। আমাকে দেখে একটা বিশাল আকৃতির হাসি দিয়ে কোলে উঠার আবদার। আমি কত বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করলাম। আম্মু! তোমার শরীরে অনেক পানি। পানিটা মুছে নেই। না সে কোন কথাই শুনলোনা, পানি নিয়েই আমার কোলে উঠে পড়লো আর গলা জড়িয়ে ধরে মাথাটা নুইয়ে দিলো আমার কাঁধে।
এক সময় ভাবতাম, আহ্ কতইনা ভালো হত, যদি কেউ আমাকে পাগলের মত ভালোবসতো। সেদিনের আমার সেই দোয়াটা বোধহয় আল্রাহ কবুল করেছেন। চিরসুখি আমি সুমকে পেয়ে।