
প্রথিতযশা আফগান ইতিহাসবিদ ও সায়ের-ই-আজাদী খ্যাত বরেণ্য কবি আব্দুল্লাহ আতিফিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তালেবানরা। সোমবার বিশেষ সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে, তাঁর বাসভবনে হানা দিয়ে আতিফিকে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করে একদল সশস্ত্র তালেবান। তবে ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর এই তথ্য নিশ্চিতিভাবে প্রকাশ্যে এলো।
রেডিও আজাদীর দেয়া তথ্য মতে জানা যায়, নিহত কবি আব্দুল্লাহ আতিফি আফগানিস্তানের একজন স্বনামধন্য ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী চেতনার কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশ অধিগ্রহণেরকালে গত ৫ আগস্ট অজ্ঞাত স্থান থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় তালেবানরা। এরপর তাঁর সম্পর্কে কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে জানা যায় যে, আতিফিকে তারই বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা অবস্থায় নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে তালেবানরা।
এছাড়া তালেবানরা কান্দাহারের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাজার মোহাম্মদসহ আরো বেশ কয়েকজন কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজকর্মীকে একইভাবে হত্যা করেছে বলেও জানা গেছে।
অ্যামনেস্টি জানাচ্ছে হাজারা নৃ গোষ্ঠীর ৪ জনকে গুলি করে এবং আরও ২ জনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে । এইসব ছোট গোষ্ঠী গুলো সবসময় স্বাধীন থেকেছে । যোগাযোগের অভাবে জানা যাচ্ছেনা অন্য ক্ষুদ্র গোষ্ঠীগুলোর চলতি অবস্থা ।
ঘটনা দৃষ্টে মনে হচ্ছে তালেবান সমর্থিত রাষ্ট্রগুলো এটিকে নাজিদের চেয়েও বড় মনস্টার বানিয়ে ফেলবে । ঘটনাক্রমে আমেরিকা তালিবানের বড় পৃষ্ঠপোষকের ভুমিকা নিয়েছে সাথে ফেউ হিসাবে চীন , রাশিয়া আর পাকিস্তান তো আছেই । তালিবানের মুল স্রষ্টা পাকিস্তানের মাওলানা ফজলুর রহমান । কালের সাথে সাথে নাম চলে এসেছে মোল্লাহ ওমরএর । পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদিদের আশ্রয়দাতা নামটা কিছুটা হলেও ঘুচাতে পেরেছে ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


