
জ্যোতিষীকে হাত দেখাচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর...
ছবিটি ছিল ক্ষিতিমোহন সেনের পুত্র ক্ষেমেন্দ্রমোহন সেনের সংগ্রহে। তাঁর সমগ্র সংগ্রহ তিনি বিশ্বভারতীকে দান করেন।
এই ছবিটি তার অন্যতম। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সুরেন কর, নন্দলাল বসু ও আর কয়েক জন কৌতুহলী চোখে জ্যোতিষীর কথা শুনছেন।
কবিও আগ্রহ নিয়ে তাঁর হাত দেখা দেখছেন।
ছবিটির ক্যাপশনে লেখা আছে- “showing his hand to a palmist; Suren Kar and Nandalal Bose and a few others are anxiously listening”.

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৭৮ থেকে ১৯৩২ সালের মধ্যে পাঁচটি মহাদেশের ত্রিশটিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেন।
১৯২৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ইউরোপ ভ্রমনে ১৫ ই মে বোম্বাই ত্যাগ করেন ও ইতালি, ইংল্যান্ড, জার্মানী, গ্রিস, তুরস্ক ও মিশর ভ্রমণ করে ভারতে ফিরে আসেন ডিসেম্বর ১৯২৬ এ এবং ১৯ শে ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে পৌঁছন।
আজ ২৫ সেপ্টেম্বর' ২০২০।
সেদিন'ও ছিলো ২৫ সেপ্টেম্বর শুধু মাঝখানে বয়ে গেছে ৯৪ টা বছর।
বাংলা তারিখও ছিলো আজকেরই মতন ৮ ই আশ্বিন ১৩৩৩। আজও ফিরে এসেছে ৮ ই আশ্বিন ১৪২৭।
১৯২৬ এর আজকের দিনে সুদূর ' ডুসেলডর্ফ' এ বসে কবিগুরু লিখেছিলেন 'পূজা পর্ব্ব'এর ''গানে গানে তব বন্ধন যাক টুটে'' গানটি। আসুন গানটির শুনে নেওয়া যাক শ্রদ্ধেয় শিল্পী সুচিত্রা মিত্রর কন্ঠে।
'' গানে গানে তব বন্ধন যাক টুটে
রুদ্ধবাণীর অন্ধকারে কাঁদন জেগে উঠে ॥
বিশ্বকবির চিত্তমাঝে ভুবনবীণা যেথায় বাজে
জীবন তোমার সুরের ধারায় পড়ুক সেথায় লুটে ॥
ছন্দ তোমার ভেঙে গিয়ে দ্বন্দ্ব বাধায় প্রাণে,
অন্তরে আর বাহিরে তাই তান মেলে না তানে।
সুরহারা প্রাণ বিষম বাধা-- সেই তো আঁধি, সেই তো ধাঁধা--
গান-ভোলা তুই গান ফিরে নে, যাক সে আপদ ছুটে ॥''
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯২৬
রচনাস্থান: ডুসেলডর্ফ
[সৌজন্য: টেগোরওয়েব ও রবিসরনী।]
ছবি: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ তাঁর জার্মান প্রকাশক কার্ট উল্ফ'এর সঙ্গে।
-----------------------------------------------------------------
আমাদের শান্তিনিকেতন
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০২৪ দুপুর ১:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




