somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশুর ভুলকেও হ্যা বলুন...

২৯ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফ্যামিলি সাপোর্ট খুবই জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটা শিশুকালে বাবা-মার আঙুল ধরে হাটতে শেখা থেকে শুরু করে জীবনের কঠিনতম সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ফ্যামিলি হচ্ছে আল্টিমেট গার্ডিয়ান এবং বেকআপ। জীবনের যেকোন পর্যায়ে যখন নতুন এবং সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু করার প্রশ্ন আসে তখন যে সাহসের প্রয়োজন হয় তা দেবার সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে ফ্যামিলি। আমি যে শুধু অর্থনৈতিক সাপোর্টের কথা বলছি না তা এতক্ষনে পরিস্কার হয়ে যাবার কথা। হ্যা, এটাও one kind of support and very much important one। এর পাশেও যেটা সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে মানসিক সাপোর্ট।

অর্থনৈতিক অবস্থা সব ফ্যামিলির এক রকম নয়। তবে মানসিক সাপোর্ট পাওয়ার অধিকার আমি মনে করি প্রতিটা শিশুর আছে। যেকোন পজেটিভ কাজে উৎসাহ দেয়া প্রতিটি ফ্যামিলির দায়িত্ব। তিন বেলা ভাত খাওয়াইয়াই যদি মনে করেন ফ্যামিলির সব দায়িত্ব শেষ, তাহলে বলি আপনারা গরু-ছাগল পালেন। u will get better output than humen.আপনি যদি চান আপনার শিশু বড় হয়ে লেখক বা অঙ্কনশিল্পী হবে তবে তাকে এলোমেলো দাগাদাগি করে পৃষ্ঠা নষ্ট করার সুযোগ ও সাহস দুইই দিতে হবে। আপনি যদি চান আপনার সন্তান উন্নয়নে নেতৃত্ত্ব দেবে তবে তাকে ভিন্নরকমভাবে ভাবার উৎসাহ দিতে হবে পাশাপাশি অধিকারও। এরচাইতেও বড় বিষয়, আপনার সন্তানের যে বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে সেখানে উৎসাহ দেয়া এবং সে যে সেই কাজের যোগ্য সে বিষয়ে তার ভিতরে কন্ফিডেন্স তৈরী করা। গদবাধা নিয়মে বাধ্য করছেন মানে আপনি রোবট তৈরী করছেন যেটাতে আধুনিক রোবটের মত সেন্সরও থাকবে না।

একই রকম সাপোর্ট দরকার পরিণত বয়সেও। খুব গুরুত্বপূর্ণ কোন দায়িত্বগ্রহন ও পালনে তার আপনার সাপোর্ট অবশ্যই দরকার। বড় কিছু করতে দরকার বড় রকম সাপোর্ট যা মানুষ আশা করে তার সর্বোচ্চ আস্থাভাজন মানুষগুলোর কাছ থেকে। সেখানে আপনার সন্তানের জন্য আপনি সেই সর্বোচ্চ আস্থাভাজন মানুষটি হতে পারছেন কিনা সেটা আপনারই হাতে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:০১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×