
আজ ডাঃ মিলনের মৃত্যৃবার্ষিকী, ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদের পেটুয়া বাহিনীর হাতে খুন হন তিনি। তাঁর মৃত্যৃতে স্বৈরাচার এরশাদের পতন ত্বরাণিত হয়। আওয়ামলীগের সাধারণ সম্পাদক আজ ডাঃ মিলনের মৃত্যৃবার্ষিকীতে চমৎকার দুইটি কথা বলেছেন। এক, বিএনপি এখন গভীর খাদের কিনারায়, দুই, বিএনপি সাম্প্রদায়িক শক্তি সাথে জোট করেছে বলে আওয়ামলীগ স্বৈরাচারের সাথে জোট করেছে। সেক্রেটারী সাহেবের দ্বিতীয় কথা যদি একটু পেঁচিয়ে বলি তাহলে কেমন দাঁড়ায়, বিএনপি যদি স্বৈরাচারের সাথে জোট করত আর জামায়াত ছাড়া থাকত,
তাহলে উনারা কি জামায়াতকে নিজেদের গোয়ালে তুলতেন?
উনার দ্বিতীয় কথা কি আওয়ামলীগ সমর্থকদের মনে কষ্ট দিল না, কার সাথে কার তুলনা!!!
আওয়ামলীগের দায়িত্বে আছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তার যোগ্যতা একটা লিস্ট দেখি, তিনি উচ্চ শিক্ষিত, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর প্রায় এক ডজন ডক্টরেট ডিগ্রী পেয়েছেন, আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অফ লেটারেচর পেয়েছেন। বর্তমান ক্ষমতায় অাসার পর একের পর এক বিদেশ থেকে খেতাব পাচ্ছে।
পক্ষান্তরে,
বিএনপির দায়িত্বে অাছে আধা শিক্ষিত একজন, শুনেছি উনি নাকি এন্টারমিডিয়েড পাস। ডক্টরেট ডিগ্রী আর বিদেশী খেতাব সেতো বহুদুর।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এরকম একটা আধা শিক্ষিত মহিলার মুখোমুখি হতে কেন বিশ্বনেত্রীর স্বৈরাচারের সাহায্য নিতে হবে বিবেক বিকিয়ে?
বিএনপির দলে খেতাবপ্রাপ্তসহ অসংখ্যা মুক্তিযোদ্ধা আছেন তারপরেও তাদেরকে রাজাকাদের দল বলে গালি শুনতে হয় কারণ তারা জামায়াতের সাথে জোট করেছে এই জন্য, এখন বিএনপি যদি আওয়ামলীগকে স্বৈরাচার বলে তাহলে কেমন লাগবে। অবশ্য বর্তমান লীগের যে হাল-চাল, না জানি জনগন এই খেতাব দিয়ে বসে।
বিএনপি গভীর খাদের কিনারায় উনার এই উক্তির জন্য আমার এলাকার একটা ঘঠনা বলি --
২০০১ সালের বিএনপি জোট যে দিন ক্ষমতায় এল, তার পরের দিন আমাদের এলাকায় আনন্দ মিছিল হয়েছিল, মিছিল শেষে বক্তারা সবাই প্রায় একই কথা বললেন- ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসেছিল আর এবার নেীকা সমুদ্রে ফেলে দিয়েছি ৫০ বছরের মধ্যে আর ক্ষমতায় আসবে না কিন্তু দেখা গেল সমুদ্র থেকে নেীকা পরের নির্বাচনে ডাঙ্গায় চলে এল।
ক্ষমতার চশমা পরে অনেক কিছু বলা যায়, কিন্তু বাস্তবতা অনেক ক্ষেত্রে হয় উল্টা।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




