
ছবি-গুগলের সেীজন্যে।
আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। যাদের কল্যাণে আমাদের এই মহা অর্জন তাঁরা কেন যুগে যুগে এত মহা বির্তকে? বইয়ের পাতায় উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছি, সঠিক সমাধান মনে হয় পায়নি। তাই আমার সেই ছোট প্রশ্নগুলো ব্লগে দিলাম। এখানে যেমন আছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তেমনি আছেন যুদ্ধের প্রত্যেকদর্শী। আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আছেন বিদেশে নামী প্রতিষ্টানে কর্মরত ভাই-বোনেরা। আশাকরি তাদের উত্তরগুলো আমার সঠিক জানতে সাহায্য করবে।
১) প্রথমে বঙ্গবন্ধুর শাসন আমল ধরি, তখন বঙ্গবন্ধু সবচেয়ে কট্টোর বিরুধী জাসদ। জাসদের নেতৃত্বে যারা ছিলেন তাদের অনেকে মুক্তিযুদ্ধে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদি নাম বলি- সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব) এম এ জলিল (বীর উত্তম), সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের (বীর উত্তম) । জাসদ তৎকালীন মুজিব সরকারের নামে সত্য-মিথ্যা নানা ঘঠনা প্রচার করে, আর সেই সব প্রচারের সুযোগ নিয়ে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে।
প্রশ্ন হচ্ছে: যারা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করল জীবন বাঁজী রেখে তাঁরা কেন বঙ্গবন্ধু নীতির উপর বিশ্বাস রাখলেন না? এখানে কাদের নীতি সঠিক ছিল- বঙ্গবন্ধু সরকারের নাকি জাসদের নেতৃত্ব থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের?
২) বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্যে শরীফুল হক (ডালিম) ছিলেন বীর উত্তম। অন্যদের মধ্যে অনেকে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
প্রশ্ন হচ্ছে: যে দোষের কারণে বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল সত্যি কি বঙ্গবন্ধু সেই দোষগুলো করেছিলেন নাকি এসব মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিলেন?
৩) বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী একমাত্র বেসামরিক বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত ব্যাক্তি, তিনি এখন নব্য রাজারকার হিসাবে আওয়ামলীগের কছে পরিচিত। এ কে খন্দকার (বীর উত্তম) মুক্তিযোদ্ধের সময় ছিলেন ডেপুটি চিফ স্টাফ। ১৯৭১-ভিতরে বাহিরে নামের একটি বই লিখে নায়ক থেকে হয়ে গেলেন ভিলেন, হারালেন সেক্টর ফোরামের সভাপতি পদ।
প্রশ্ন হচ্ছে: তাঁরা যা বলছে মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে সেটাই সঠিক নাকি তাঁদের নব্য রাজাকার উপাধি দেওয়া ব্যাক্তিদের বক্তব্য সঠিক?
৪) আজ দেখলাম টাকার বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধারা অন্যের বাবা, নানা-দাদা হচ্ছেন!!!
প্রশ্ন হচ্ছে: এসব মুক্তিযোদ্ধারা কি অভাবের তাড়নায় এগুলো করছে নাকি টাকার লোভে পড়ে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
