নৈতিকতার এ কেমন অধপতন। যে শিক্ষক জাতি গড়ার কারিগর সেই শিক্ষকের আলমারিতে কিনা ছাত্রী! এমনটাই ঘটেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল হালিমের বাসায়। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে সমালচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে ।
জানাযায়, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল হালিমের বাসা থেকে সাবিরা সুলতানা পুতুল নামে এক ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। আব্দুল হালিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রভাষক। একই বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী সাবিরা সুলতানা পুতুল। আব্দুল হালিম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে থেকে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আব্দুল হালিম ঝিনাইদহের আরাপপুর বাজারের যশোর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি বাসায় ভাড়া থাকে। সে মাঝে মাঝে তার বাসায় একটা মেয়েকে নিয়ে আসত। আমরা বেস কিছু দিন বিষয়টি লক্ষ করি। এক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সবাই কানাকানি শুরু করে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার আমরা মেয়েটিকে তার বাসায় প্রবেশ করতে দেখে তার পিছু নেই। কিছু সময় পর তার দরজায় কড়া নাড়লে সে দরজা খুলতে দেরি করে। ঘরে প্রবেশ করে আমরা হালিম ছাড়া কাউকে দেখতে পাইনি। “আপনার বাসায় একটা মেয়ে আছে” একথা বললে প্রথমে সে অস্বীকার করে। এক পর্যায়ে রুমের ভেতরে থাকা একটি আলমারির তালা নড়তে দেখে একজন আলমিরাতে আঘাত করে। আঘাতে ভেতর থেকে একটি মেয়ের কান্নার শব্দ শুনা যায়। পরে আলমারির তালা খুলে মেয়েটিকে আপত্তিকর অবস্থায় বের করা হয়। বিভাগের একধিক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, সাবিরার সাথে আব্দুল হালিম স্যারের অনেক আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন সময় তার কথা বর্তায় আমরা সেটা বুঝতে পারি। তার হলের বান্ধবিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাবিরা প্রায়ই আমাদের বলতো রেজাল্টের জন্য আমি সব করতে পারি।
সুত্রঃ নয়াদিগন্ত
ভাবতেই লজ্জা করে দিন দিন জাতীগড়ার কারিগরদের চারিত্রিক অধঃপতন কোথায় গিয়ে থেকেছে!!!
আর এইসব মেয়ে মানুষ যারা কিছু পাবার আশায় সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকে তাদের কথা বলে
পরিবেশ নষ্ট করার ইচ্ছা নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




