১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর থেকেই এ রায়, বিশেষ করে রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইন অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে। মন্ত্রী, সাবেক বিচারপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল এ নিয়ে কথা বলছে।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে উদ্দেশ করে বলেন, “আমরা বিচার বিভাগ ধৈর্য ধরছি। যথেষ্ট ধৈর্য ধরছি। আজকে একজন কলামিস্টের লেখা পড়েছি… সেখানে ধৈর্যর কথাই বলা হল। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট প্রধানমন্ত্রীকে ইয়ে (অযোগ্য) করল। সেখানে কিছুই (আলোচনা-সমালোচনা) হয়নি। আমাদের আরও পরিপক্কতা দরকার।”

তার ওই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের সাথে তুলনা করা... সব সহ্য করা যায়, কিন্তু পাকিস্তানের সাথে তুলনা করলে… এটা আমরা কিছুতেই সহ্য করব না। পাকিস্তান রায় দিল দেখে কেউ ধমক দেবে… আমি জনগণের কাছে বিচার চাই। কেন পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করা হলো? আমাকে এসব হুমকি দিয়ে কোনো কাজ হবে না।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সস্পাদক হাছান মাহমুদ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাকে উদ্দেশ করে বলেছেন,আপনি পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন। আজ (মঙ্গলবার) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে উত্তর জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে দেয়া পর্যবেক্ষণ ও রায় প্রত্যাহার করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহাকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে দাবি মানা না হলে এক দফা আন্দোলনে যাবার হুঁশিয়ারি দেন সংগঠনটির নেতারা।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




