বিশ্বের অর্ধেক, অর্থাৎ ৩৬০ কোটি মানুষের সম্পদের পরিমাণ আর সবচেয়ে ধনী ৮ জন ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ একই। তথ্যটি ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা অক্সফার্মের।

এক প্রতিবেদনে অক্সফাম বলেছে, ‘‘ব্রেক্সিট থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া, বর্ণবাদের প্রসার আর মূলধারার রাজনীতির প্রতি নাগরিকদের মোহমুক্তি – এই সব ঘটনা থেকে এটি বলা যায় যে, ধনী দেশের নাগরিকরা আর বর্তমান অবস্থা পছন্দ করছেন না৷''
অক্সফামের গত বছরের প্রতিবেদনে ৬২ জন শীর্ষ ধনীর কাছে বিশ্বের অর্ধেক মানুষের সমপরিমাণ সম্পদ থাকার কথা বলা হয়েছিল৷ এবার সেই সংখ্যা আট-এ নেমে আসার অর্থ হচ্ছে ধনী-গরিবের মধ্যে পার্থক্য এক বছরে আরও কয়েকগুন বেড়েছে৷
অক্সফামের নির্বাহী পরিচালক উইনি বিয়ানিমা বলেন, ‘‘মাত্র গুটি কয়েক মানুষের হাতে এত সম্পদ থাকার বিষয়টি অনুচিত, কারণ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রতি ১০ জনের একজন প্রতিদিন দুই ডলারেরও কম দিয়ে জীবনযাপন করছে৷'' অর্থাৎ এক দিকে অর্থের অভাবে মানুষ যেমন অপুষ্টি ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, অন্যদিকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ ব্যক্তিরা অপচয় ও অপব্যবহার করছে তাদের অতিরিক্ত আর্থিক সামর্থ্যকে।
ধনী-গরীবদের ব্যাবধান কমাতে বড় লোক ও বড় কর্পোরেশনগুলোর উপর করের পরিমাণ আরও বাড়াতে ও সরকারি প্রকল্পে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের চাকরির ব্যবস্থা করতে এবং কর্মীদের ভালো বেতনের ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোরও প্রস্তাব করা হয়েছে।
যদিও আমরা একটি প্রবাদ জানি, "রাজার হস্ত করে সকল কাঙ্গালের ধন চুরি"। সুতরাং এই শ্রেণী সংঘাত খুব সহসাই বন্ধ হবে বলে ভাবা ঠিক হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




