মিয়ানমার থেকে মাত্র ৪২ টাকা কেজি দরে পিয়াজ কিনে ১১০ টাকায় বিক্রি করছেন আড়তদাররা, আর খুচরা পর্যায়ে সেটা ১৩০+ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এখন দেখলাম চট্টগ্রামে ম্যাজিস্টেটরা নাকি আড়তদারদের বলছে ১১০ টাকার পরিবর্তে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি করতে আর তাদের কঠোর নির্দেশনা হল খুচরা পর্যায়ে যেন দাম ১০০-১০৫ টাকার মধ্যে থাকে!
প্রশ্ন থাকে মিশর থেকে ৩১ টাকা কেজি দরে কেনা পেয়াজ তাহলে বাজারে কত টাকা বিক্রি করা হবে। অবস্থা যা দেখছি তাতে পেয়াজ নিয়ে যে এক প্রকার জুয়া খেলা হচ্ছে এটা সহজেই বোঝা যায়। আর ক্যাসিনোর জুয়া থেকে এই পিয়াজের জুয়ার প্রভাব কিন্তু সাধারণের জন্য বেশি ক্ষতিকর। ক্যাসিনো সবাই না খেললেও পেয়াজ কিন্তু সবাইকে খেতে হয় সুতরাং সামগ্রিক ভাবে ক্ষতির স্বীকার এখন দেশের সকলেই।
আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ- ১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন