চলতি বছর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নতুন নিয়ম চালু করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। অনলাইনে বা টেলিটকে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে পছন্দ অনুযায়ী কলেজে ভর্তির আবেদন করতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কাছে থাকা শিক্ষার্থীদের নম্বর অনুযায়ী মেধা তালিকা করা হবে এবং সেই ভিত্তিতে শিক্ষা বোর্ডই কে কোন কলেজ এ পড়বে তা নির্ধারণ করে দিবে। রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ৬ জুন এবং শেষ হবে ১৮ জুন। ২৫ জুন ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এর মাঝে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুণর্বিবেচনার ফলাফল প্রকাশিত হবে ২০ জুন। যাদের ফল পরিবর্তন হবে তারা ২১ জুন পর্যন্ত ভর্তির আবেদন করতে পারবে। আর বিলম্ব ফি ছাড়া কলেজে ভর্তির শেষ সময় ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে ক্লাস শুরু। কিন্তু বিগত বছর গুলোতে শুধুমাত্র নটরডেম কলেজই ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্র ভর্তি করে আসছে। এ বছর এখন পর্যন্ত কলেজটি কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে নি। তাই সংশয়ে আছে অনেক শিক্ষার্থী কেননা এ কলেজের ভর্তির প্রক্রিয়াটা বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ। প্রথমে তারা আবেদন করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে জিপিএ এর ভিত্তিতে প্রাথমিক বাছাই করে। বাছাইকৃত ছাত্ররা লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের ভেতর থেকে বাছাই করে কলেজটি ছাত্র ভর্তি করে। তাই এবারও যদি আগের নিয়মই থাকে তাহলে প্রাথমিক বাছাইয়ের কার্যক্রম শুরু করতে হবে ২০ জুনের পর কেননা ঐ দিন এসএসসির ফল পূণর্মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশিত হবে। প্রাথমিক বাছাই শেষে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা। কাজেই ফলাফল প্রকাশ ও ভর্তির কার্যক্রম এই নিয়মে কোনভাবেই জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব না। আর এদিকে ৩০ জুন সারা বাংলাদেশের অন্যান্য কলেজে বিলম্ব ফি ছাড়া ভর্তির শেষ দিন। কাজেই যারা নটরডেমে ভর্তিচ্ছুক তাদেরও অন্য কলেজে ভর্তি হয়ে থাকতে হবে কেননা নটরডেম কলেজে সে সুযোগ পাবে কি না তা নিশ্চিত না। তাই সংকটে পড়বে বিরাট ছাত্রসমাজ। এ অবস্থায় এখন দেশ সেরা নটরডেম কলেজ সরকারি নীতি অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম শুরু করবে নাকি নতুন কোন পদ্ধতি বের করবে সেটিই দেখার বিষয়।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০১৫ রাত ১১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




