somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের মানুষ সন্ত্রাস, দূনর্ীতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি চায়

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একজন ব্যক্তির জীবনের স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি চলে তার মস্তিস্কের স্বাভাবিক ক্রিয়ার উপর। যদি কোন কারণে মানুষের মস্তিস্ক সঠিকভাবে কাজ না করে তাহলে সে পাগল বলে আখ্যায়িত হয় এবং তার নিজের উপর কোন প্রকার নিয়ন্ত্রণ থাকেনা। সেই ব্যক্তি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের একজন অপ্রয়োজনীয় ও মূল্যহীন ব্যক্তি বলে প্রতিয়মান হয়। তাকে সবাই উপো করে চলে। আমি লিখছি আমাদের দেশ বাংলাদেশকে নিয়ে। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় দেশ। সর্বকালে এদেশের মানুষ তাদের আত্মমর্যাদা ও অধিকার আদায়ে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। তার ধারাবাহিকতায় এদেশের জনগণের নিকট বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্রকারীরা হয়েছে পযর্ুদুস্ত
এ দেশ অনেক ঘাতপ্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে আজ একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে স্থান করে নিয়েছে। যেখানে সম্পদের কোন অভাব নেই অভাব আছে ভাল মানুষের, সৎ, নির্ভিক এবং দূনর্ীতি থেকে মুক্ত মানুষের। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে আমাদের শিা ব্যবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। যদিও নকলের বিরুদ্ধে এদেশের মানুষ আন্দোলনে নেমেছে কিন্তু কতটুকু সফল হয়েছে তা দেখার বিষয়। কারণ নকল ছাত্ররা করেনা নকল করে দূনর্ীতিবাজ শিকরা। দেশের শিাপ্রতিষ্ঠানে এমন কিছু শিক রয়েছে যারা ছাত্রদের নিজ হাতে নকল সরবরাহ করে এবং নকল করতে সাহায্য করে। তাহলে সে দেশের শিার উন্নতি কিভাবে সম্ভব। এ ধরণের প্রক্রিয়াও একদিনে সৃষ্টি হয়নি, সৃষ্টি হয়েছে পযর্ায়ক্রমে। এ দেশের শিাব্যবস্থায় রয়েছে এখনও বৃটিশদের ছোয়া। ইংরেজরা এদেশ ছেড়ে গেলেও তারা রেখে গেছে তাদের বিষাক্ত নিশ্বাস। সেই বিষাক্ত নিশ্বাসে নীল হয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজ নামের শরীর। কাল টাকার ছড়াছড়ি, সুদভিত্তিক অর্থনীতি, দূনর্ীতি, পরিকল্পহীনতা, অপরিকল্পিত সমাজ ব্যবস্থ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা এসব আজ আমাদের দেশকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। দূনর্ীতে বাংলাদেশ পর পর কয়েকবার প্রথম স্থান দখল করেছে। এর থেকে মুক্তি লাভের কথা কয়েকজন অর্থনীতিবিদ বললেও তাদের কোন পরিকল্পনা তারা জাতির সামনে উপস্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেননা। দেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা তাদের বিপ রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করার জন্য বক্তব্য-বিবৃতিতে বার বার দূনর্ীতিকে সামনে টেনে আনেন। এমনকি বিদেশে যেয়ে তারা রাজনৈতিক বিরোধীতার হীনস্বার্থে বাংলাদেশকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য কোন প্রকার মানসিক কষ্ট অনুভব করেন না। অথচ এই দূনর্ীতি কিভাবে রোধ করা যায়, এর থেকে বাংলাদেশকে কোন পন্থায় বাঁচানো যায় তার কোন পরিকল্পনা কারো বক্তব্য থেকে আদৌ বের হয়না। এদেশের সর্বেেত্র দূনর্ীতির ছোবল মারাত্মকভাবে সংক্রমিত হয়েছে। সামান্য একজন পিওন থেকে শুরু করে সবের্াচ্চ পযর্ায়ের সরকারী-বেসরকারী চাকুরীজীবিও দূনর্ীতিগ্রস্থ। মস্তিস্ক যখন কার্যম নয় সেখানে শরীরের কি মতা আছে কাজ করার। মানুষের ব্রেনকে বলা হয় নিয়ন্ত্রণ ক, যেখান থেকে সে তার প্রয়োজনীয় কাজের অডর্ার দেয় শরীর তা পালন করে। দেশের উপর পযর্ায়ের কর্মকতর্ারা ডুবে আছে দূনর্ীতির সাগরে। দেশের আমলারা দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন, তাদের মাথা যদি থাকে দূনর্ীতিগ্রস্থ তাহলে দেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় দেশপ্রেমিক নাগরিকদের এখনই তা ভাবা উচিত।
দূনর্ীতিগ্রস্থ শরীরটাকে যদি দূনর্ীতি মুক্ত করতে হয় তাহলে প্রথমে নিয়ন্ত্রণ ক নামে মস্তিস্ককে দূনর্ীতিমুক্ত করতে হবে। আমলা থেকে শুরু করে সকল পযর্ায়ের সরকারী-বেসরকারী কর্মকতর্া ও কর্মচারীদের ব্রেন ওয়াশ করে যদি দূনর্ীতির পোকা বের করে দিয়ে তাদেরকে দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ করা যায় তাহলে সম্ভব। "একটি শিশু যখন মায়ের গর্ভ থেকে পৃথিবীতে ভূমিষ্ট হয় তখন তার মা-বাবার দায়িত্ব হয় তাকে প্রকৃত শিায় শিতি করা। মা-বাবাই পারে তার সন্তানকে পরিপূর্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে।" একটুকর নরম মাটি দিয়ে যা ইচ্ছা তাই তৈরী করা সম্ভব কিন্তু মাটির টুকরটি যদি শুকিয়ে যায় তাহলে তা দিয়ে যা ইচ্ছা তাই তৈরী করা যায় না। সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পরে সন্তানকে তার মা-বাবা যে ভাবে তাকে শিা দেবে সে সেই ভাবেই বড় হয়ে উঠবে। তাকে যদি শিা দেয়া হয় দেশের কল্যাণে কাজ করার তাহলে সে দেশের কল্যাণে কাজ করবে, আবার যদি তাকে দূনর্ীতির শিা দেয়া হয় তাহলে দূনর্ীতি ছাড়া অন্যকোন আদর্শিক দিকে তার দৃষ্টি পড়বে না। পারিবারিক শিার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিাও একজন ব্যক্তিকে সঠিক ও আলোর পথ দেখাতে সাহায্য করে। তার শিাপ্রতিষ্ঠান যদি তাকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, দেশের প্রতি মমতাবোধ শিখায় তাহলে সে সেই পথে অগ্রহসর হবে। কিন্তু যদি তার শিাপ্রতিষ্ঠান তাকে অনৈতিকতার শিা দেয় তাহলে তার কাছ থেকে ভাল কিছু আশা করা বাতুলতা মাত্র। "তেতুল গাছ লাগিয়ে তা থেকে আম যেমন আশা করা যায়না, তেমনি অনৈতিক শিা দিয়ে নৈতিক কিছু আশা করা যায়না। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন আমাদের শিা ব্যবস্থা আমুল পরিবর্তন। আলোকিত সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে যদি আমরা এ প্রক্রিয়ায় সঠিক পথে চলতে পারি তাহলে দেশ থেকে দূনর্ীতি সমূলে উৎপাটন সম্ভব এবং দেশের উত্তরোত্তর উন্নতি হবেই। আরেকটি বিষয় উল্লেখ না করলে নয় তাহলো বেকার সমস্য। দেশে বেকার সমস্যার জন্যই দূনর্ীতির প্রকোপ বেশী। শিাজীবনের শুরু থেকেই যদি কর্মমুখী শিা প্রচলিত থাকত তাহলে এদেশের মানুষ বেকার থাকতনা। বেকারত্ব ঘুচালেই দূনর্ীতিও রিমুভ হয়ে যেত। তাই দূনর্ীতি দূর করতেও কর্মমূখী শিার বিকল্প নেই।
আজ একটি উন্নত দেশ ও জাতি গঠনে বিশ্ব যখন এগিয়ে তখন এদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অপসংস্কৃতির ছোবল যুবসমাজের চরিত্রকে করছে কলুষিত। রাজনৈতিকভাবে অশ্লীলতা, মদ, জুয়া, হিরোইন, ফেনিসিডিল, নগ্ন পত্রিকা ও বিজ্ঞাপন বন্ধের নামেমাত্র উদ্যোগ নেয়া হলে তা কার্যকারিতা পায়নি। এর ফলে ধ্বাংসাত্মক কার্যকলাপ বৃদ্ধিতে অভিভাবক মহল হচ্ছেন হতাশাগ্রস্থ। আমরা যখন দেশ নিয়ে ভাবছি, দেশের যুবসম্পদকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় ঠিক সেই সময়ে অশ্লিল, বেহায়াপনা এবং যুবসম্পদকে ধ্বংস করা যায় এরকম চক্রান্ত দেশের সর্বত্রই জালের মত বিস্তার করে আছে। স্যাটেলাইট চ্যানেলের বদৌলতে আমাদের দেশের যুব সমাজ এই পথে পা বাড়াচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের কোন টিভি চ্যানেল ভারতে নিষিদ্ধ সেখানে ভারতের টিভি চ্যানেল দ্বারা বাংলাদেশের সর্বত্রই ছেয়ে গেছে। আর এই সব টিভি চ্যানেলে কোন প্রকার নৈতিক শিামুলক প্রোগ্রাম প্রচার করা হয় না। তাই দেশের সাধারণ জনগনের মত সরকারের নিকট আমাদেরও দাবী যেসব ভারতীয় চ্যানেল আমাদের দেশের যুব সমাজের জন্য তিকর তা বন্ধ করার কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করুন। অন্যথায় এদেশের সম্পদ যু্বসমাজ যদি ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে দেশকে রা করা মত কোন শক্তিই কাজে আসবে না। একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ ও জাতি গঠনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার পাশাপাশি যুবকদের নৈতিক শিার দিকে নজর রেখে অশ্লীলতা বন্ধের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা এখন আমাদের সময়ের দাবী। এদিকে দেশের সবের্াচ্চ পযর্ায়ের নীতি নিধর্ারকদের এখনই দৃষ্টি দেয়া সচেতন দেশবাসীর একান্ত আহবান।
দেশের নীতি নিধর্ারকরা শুধু বক্তব্য-বিবৃতির মাঝেই সীমাবদ্ধ। তাদের কাছে দেশে মানুষের জন্য কোন ধরণের দিকনির্দেশনা মূলক পরিকল্পনা বের হয়ে আসে না। তারা কোন না কোন দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যস্ত, দেশের কথা নিয়ে ভাববে কখন। বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার যুগে বিশ্বের প্রতিটি দেশ যখন একের পর এক উন্নতির ধারা অব্যহত রেখে চলছে তখন আমার বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। এশিয়ার একটি দেশ জাপান। যে দেশ এখন তথ্যপ্রযুক্তির েেত্র বিশ্ব দরবারে স্থান করে নিয়েছে। এর পিছনে একটা মমর্ান্তিক ঘটনা তাদেরকে প্রযুক্তিতে এত উপরের আসার দৃঢ় সংকল্পে পরিণত করেছিল। 1945 সালের 6 আগষ্ট হিরোশিমা ও 9 আগষ্ট নাগাশিকা পৃথিবীর ইতিহাসে এক মানবতা বিধ্বংসি, মমর্ান্তিক স্মৃতির নাম। আমেরিকার আনবিক বোমা মেরে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয় এই শহর দুটিকে। এই মমর্ান্তিক ঘটনা থেকেই জাপানীরা শিা নেয়। সেই থেকে জাপানীরা সংকল্প করে তাদেরকে তথ্যপ্রযুক্তিতে সেরা হতে হবে। তাদের সে সংকল্প আজ বৃথা যায়নি। জাপানের তৈরী ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বিশ্বের বাজার সমূহে সমাদৃত। এবার জাপান প্রতিরামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন আমরা এখন পারমানবিক প্রযুক্তি অর্জন করতে পারি। জাপানীরা কঠোর পরিশ্রমী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপে দেখা গেছে প্রতিবছর কয়েক হাজার লোক মারা যায় কঠোর পরিশ্রমের কারণে। কঠোর পরিশ্রমী বলেই তারা এত উন্নত এবং প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধশালী।
এদেশ নিয়ে বারবার চক্রান্ত হয়েছে। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র, স্বদেশী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের মুনাফেকী বৈশিষ্ট্য এবং আমাদের দেশের বিপুল সম্পদ আহরণের প্রতিযোগিতায় আনর্্তজাতিক মাফিয়া গোষ্ঠী সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করে অস্থির রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরী করে চলেছে। দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ গভীর উদ্বেগের সাথে ল্য করছে যে এ ষড়যন্ত্রের সাথে এ দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ওতপ্রোতভাবে জড়িত রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন স্থানে বোমাবাজী, পরিকল্পিত হত্যাকান্ড, ভীতিকর পরিবেশ তৈরী করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয়ার ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। পরিকল্পিত এই ষড়যন্ত্রের নিমর্ূলে সরকারের আন্তরিকতা ও আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও এর বিস্তার রোধ করা যাচ্ছে না। সরকারের এই আন্তরিকতার পাশাপাশি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং যথাযথ পদপে না নিতে পারায় তাদের এ তৎপরতা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে এবং দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীদের তৎপরতার পর্যবেণ বা অপোর নীতি না মেনে দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদপে নেওয়া দরকার। স্বাধীন দেশের ভুমিতে বিদেশী গোয়েন্দা তৎপরতার অবাধ বিচরণ স্বাধীনতার মৌলিক বৈশিষ্ট্যকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। অবিলম্বে এ বিদেশী গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে জনগণের নিরাপত্তা অধিক নিশ্চয়তার জন্য একটি শক্তিশালী ও দেশপ্রেমিক গোয়েন্দা কার্যক্রম শুরু করে দেশকে সংকট থেকে মুক্তির ব্যবস্থা করা দেশপ্রেমিক জনগণের একান্ত চাওয়া।
দেশকে দূর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত করার প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র, এক শ্রেণীর সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও জবাবদিহিতার অভাব। এছাড়া একদল অর্থলোভী গোষ্ঠী দেশের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বৈদেশিক পণ্য আমদানী ও নিষিদ্ধ পণ্যের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। বিদেশে নিয়োজিতদের উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও পরিকল্পনা প্রশংসনীয় বলতে হয়। কিন্তু রাজনৈতি অস্থিরতা জনগনের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত করছে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে।
সরকার সন্ত্রাস দমনে ব্যাপক পদপে গ্রহণ করলেও পরবর্তীতে একটি ষড়যন্ত্রকারী মহলের অব্যাহত চক্রান্তের কারণে পরিপূর্ণ সফলতা পাচ্ছেনা। আজও খুন, ছিনতাই, ধর্ষণ ও সন্ত্রাস থেকে রাজপথে বিপন্ন হওয়া পর্যন্ত এধরণের অনেক ঘটনা ঘটছে। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও চোরাচালানী দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে বার বার ব্যাহত করছে। আন্তর্জাতিকভাবে দেশকে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি কুচক্রীমহলের দেশী ও বিদেশী গোয়েন্দাগিরি ও মিথ্যা অভিযোগ উপস্থাপন করে বিদেশীদেরকে প্রভাবিত করছে।
এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে চাই অর্থনৈতিক সাবলম্বিতা। আর এর জন্য প্রয়োজন নিজস্ব সম্পদের সুষ্ঠূ ব্যবহার, ভারসাম্যপূর্ণ উৎপাদন ও বন্টন নীতির বাস্তবায়ন, জনশক্তিকে অধিক কর্মমূখী করতে নতুন শিল্প কারখান চালু, চাল-তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊধর্্বগতি রোধ করাসহ সকল প্রকার মুণাফাখোরী ও সূদভিত্তিক অর্থনীতি পরিহার করা । দেশের মানুষ মনে করে এগুলো অর্জনের মধ্যে দিয়ে দেশের মানুষের প্রত্যাশার পথে অগ্রগতি সাধিত হবে। দেশের নিরাপত্তা বিধানে এবং একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে উন্নীত হওয়ার ল্যে সরকারসহ সর্বস্তরের জনগণকে এ সকল কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে দেশকে সন্ত্রাস, দূনর্ীতি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে করতে হবে মুক্ত। তবেই দেশ এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধির পথে, আনবে বয়ে সুনাম, জাতি পাবে মুক্তি।

শেখ হুমায়ুন কবির
60/সি,(2য় তলা) পুরানা পল্টন, ঢাকা
সফযঁসধঁহ@ুধযড়ড়.পড়স


সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×