somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

ইসলামের বাণী প্রচার করার আগে একজন সত্যবাদী হওয়ার চেষ্টা করুন

১১ ই অক্টোবর, ২০২৫ দুপুর ২:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আপনি কোরআনের বাণী প্রচ্যর করেন। কিন্তু, আপনি সত্যবাদী নন। মানুষ কি আপনার কথা শুনবে? প্রশ্ন করতে পারেন, নিজেকে কিভাবে একজন সৎ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন?

হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঁ) একজন সৎ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর কাজের জন্যে তাঁকে 'সত্যবাদী' নামে ডাকা হতো। সেই কারণেই, তিনি যখন আল্লাহর কাছ থেকে কোরআনের প্রথম বাণী পেয়ে হযরত আলী (আঃ) এবং বিবি খাদিজা (আঃ) এর কাছে ইসলাম প্রচার করেন, তখন তাঁরা তা সাদরে গ্রহণ করেন।

হযরত আলী (আঃ) এবং বিবি খাদিজা (আঃ) তো হযরত জিবরাইল (আঃ)-কে দেখেননি। তারপরও কেন মহানবী (সাঁ) এর বানীকে সত্য বলে গ্রহণ করলেন? এর কারণ এই নয় কি যে রাসূলুল্লাহ (সা)-কে তাঁরা সত্যবাদী হিসেবে জানতেন, এবং তাঁরা বুঝেছিলেন তিনি মিথ্যা কোন কিছু বলবেন না?

যদি তা-ই হয়, নবী মুহাম্মদ (সা) এই 'সত্যবাদী' হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেন কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আপনাকে নবী (সাঁ)-এর পেশা সম্পর্কে জানতে হবে।

রাসূলুল্লাহ (সা) নিজ পেশা হিসেবে ব্যবসাকে গ্রহণ করেছিলেন। আরবের লোকেরা তাঁর কাছে অনেক মূল্যবান জিনিস-পত্র রেখে যেতো। মহানবী (সা) সেই জিনিসগুলো ঠিক মতো গচ্ছিত রাখতেন, এবং সময় মতো তা বুঝিয়ে দিতেন। অনেকটা আমাদের জমানার ব্যাংক-গুলোর মতো। অর্থাৎ, তিনি ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যাংকার। এছাড়াও, নবীজী (সা) বিবি খাদিজার ব্যবসা দেখা-শোনা করতেন। সেখানেও তিনি সততার সাথে কাজ করেন।

এসব কাজের জন্যেই তিনি 'সত্যবাদী' হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। তাহলে, কি দাঁড়ালো? নবী মুহাম্মদ (সা) ব্যবসার মাধ্যমে নিজেকে 'সত্যবাদী' হিসেবে গড়ে তুলেন। যার ফলে, নবী (সাঁ)-এর নিকটজন তাঁর ইসলামের ডাক শুনে তা গ্রহণ করেন।

আপনি নিজেকে একজন সত্যবাদী ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন কি? নিজেকেই প্রশ্ন করুন না, প্লিজ?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০২৫ দুপুর ২:২৬
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতভেদ নিরসন ছাড়া মুসলিম আল্লাহর সাহায্য পাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৩



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘স্বপ্নের শঙ্খচিল’ কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা….

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬



আজ সকালে ল্যাপটপ খুলেই উপরের চিত্রটা দেখলাম। দেখে মনটা প্রথমে একটু খারাপই হয়ে গেল! প্রায় একুশ বছর ধরে লক্ষাধিক ব্লগারের নানারকমের বৈচিত্রপূর্ণ লেখায় ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সমৃদ্ধ আমাদের সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×