somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসিনা কি সত্যি প্রত্যাবর্তন করবেন?

০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নানা খবর আর প্রচার প্রোপাগান্ডা শুরু হয়েছে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে। রাজপথে এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব না থাকলেও অনলাইনে আওয়ামী লিগারদের প্রচার প্রোপাগান্ডা আর ভারত সরকারের কর্মকাণ্ড সে ধরণের বড় কিছুর ইঙ্গিত দিতে চাচ্ছে। কথা হচ্ছে তারা কি সত্যি ফিরে আসবে দেশে?
২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসা এবং তারপর ফের বিএনপির ক্ষমতায় আরোহণ নানা বিতর্কে যে ভরা তাতে কোনও সন্দেহ নেই। একদিক দিয়ে বিচার করলে বাংলাদেশে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ যেভাবে বিনষ্ট হয়েছে তাতে করে অভ্যুত্থানের পর সহসাই সব কিছু এক্কেবারে ঠিকঠাক হয়ে যাবে এই নিশ্চয়তা কিন্তু কখনোই ছিল না। অনেকে হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন তাহলে এই অভ্যুত্থান করে কি লাভ হলো! অনেকে এমনও বলতে পারে যে তাহলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হঠিয়ে লাভ কি হল। অনেকে আবার নানা জাস্টিফিকেশনও দাঁড় করাতে পারেন যে এর চেয়ে আওয়ামী লীগই ভালো ছিল বা হয়তো টিপিক্যাল আওয়ামী লীগের দালালদের মতো তাদের পক্ষেই ওকালতি করতে আসতে পারে। যাই হোক না কেন, কথা হচ্ছে এদেশের যে বুর্জোয়া শাসনব্যবস্থা দীর্ঘ একটা সময় ধরে বিকাশ লাভ করেছে তার মধ্যে নানা দিক থেকে বহু ধরণের গুরুতর ত্রুটি বিচ্যুতি আছে। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র চর্চার অভাব, প্রচণ্ড মাত্রার দুর্নীতি ( তা যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন), দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের নানাভাবে প্রশ্রয়দান, লুটপাট, মিথ্যাচার এবং দেশের স্বার্থবিরোধী নানা কাজ কারবার যেগুলো প্রত্যেকটি সরকারই করেছে এবং আজও করছে। এগুলোই এদেশের এইসব শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণীচরিত্র। এর জন্য ঠিক নির্দিষ্ট কোনও দলকে সেভাবে দায়ী করা না গেলেও দায়টা আসলে আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ এদেশের শাসকশ্রেণীরই ঘাড়ে বর্তায় কারণ এরাই আজ পর্যন্ত শাসন ক্ষমতায় এসেছে এবং দেশ শাসন করেছে। যখন যারা ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি – লুটপাট – সন্ত্রাস- বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির পদলেহন করে ক্ষমতায় আসা ও টিকে থাকার যে একটা ভয়ংকর রাজনৈতিক দুষ্টচক্রের সৃষ্টি করেছে এরা সুদীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে, তাতে করে যে কোনও একটা সরকার পরিবর্তন হলেই সব ঠিক হয়ে যাবে এটা কখনোই বলা যায় না। দেশের “সিস্টেম”টাই দাঁড়িয়ে গেছে এমন। এ ধরণের পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আনতে দরকার বিপ্লবের, যেটি এদেশে কখনো হয়নি। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে বিগত জুলাই গণঅভ্যুত্থান কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোনও বিপ্লব ছিল না। যদিও অনেকে একে বিপ্লব নামে অভিহিত করেন কিন্তু একে আসলে কোনও বিপ্লব বলা যায় না, কারণ এতে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা একটা স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটেছে, কিন্তু দেশের যে রাষ্ট্রব্যবস্থা, তার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় নি। সত্যিকারের বিপ্লব হলে দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার খোলনলচে সবই বদলে যেত, যেটা হয় নি। এটা ছিল একটা ব্যাপক গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু অনেকে একে যেরকম ব্যর্থ বলতে চান, এটা সেরকম কিছু নয়। বরং এটা ছিল একটা সফল গণঅভ্যুত্থান, যাতে অত্যাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটেছে। এই গণ আন্দোলনের উদ্দেশ্য সেটাই ছিল। যাই হোক, এখন ঐ যে বললাম যে এটা যেহেতু সত্যিকার অর্থে কোনও বিপ্লব নয়, তাই যে পুরাতন তথাকথিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু ছিল সেটাই আবারো পুনর্বহাল হয়েছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করার মাধ্যমে।
এখন কথা হচ্ছে এই যে একটা রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে উঠেছে আমাদের, এই রাষ্ট্রব্যবস্থা পুরোটাই নানা রকমের দুর্নীতি, লুটপাট আর বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর আঁতাতে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। যার কারণে এই রাষ্ট্রব্যবস্থায় মানুষের প্রাপ্তির পরিমাণটা কম। এক দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার বিদায় নেবে তো আরেক দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার ক্ষমতায় জুড়ে বসবে। আওয়ামী লীগের আমলে কি ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে সেটার কথা আর নতুন করে নাই বা বললাম, ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার আর বর্তমান বিএনপি সরকারও সেই একই দুর্নীতিই করে খাচ্ছে।
এর প্রধান কারণ কি?
এর প্রধান কারণ এদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, যার শাসকগোষ্ঠীর শ্রেণী চরিত্রের কথা একটু আগেই বললাম। এহেন রাষ্ট্রব্যবস্থায় দিনশেষে মানুষের প্রাপ্তি কমই থাকে।
যে কাজগুলো আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে গেছে , আজ বিএনপিকেও ক্ষমতায় এসে প্রায় সে ধরণের কাজগুলোই করতে দেখা যাচ্ছে। জামাত বা এনসিপি ক্ষমতায় আসলেও এর উল্লেখযোগ্য কোনও পার্থক্য থাকত না।
এখন কথা হচ্ছে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে প্রশাসনের সব জায়গায় নিজেদের লোক বসিয়ে আর ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করেছিলো যে তারা যে কখনো ক্ষমতাচ্যুত হতে পারে এটা তারা ভাবতে পারে নি। হয়তো ভাবতে পারে নি ভারতও। যে কারণে ক্ষমতা হারানোর দুবছর পার হলেও এখনো পাগলপ্রায় দশা তাদের।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর সাথে সাম্রাজ্যবাদী ভু-রাজনৈতিক খেলার সম্পর্ক খুবই নিবিড়। সেই খেলায় ভারত আপাতত ব্যাকফুটে। হাসিনা এবং তার অনেক কাছের সাঙ্গপাঙ্গরা কতো বড় ক্রিমিন্যাল সেটা বিশ্বের অন্যান্য দেশও যে জানেনা এমনটা নয়। তারা ঠিকই জানে। যার কারণে তাদের এক ভারত ছাড়া অন্য কোনও দেশ এসাইলম দিতে চায়নি শেষ পর্যন্ত। ক্ষমতা ছাড়ার পর ভারতের আশ্রয়ে থেকে হাসিনা আর তার আওয়ামী লীগ যেভাবে দিনের পর দিন নানা কথাবার্তা বলেছে, বিবৃতি দিয়েছে আর অন্যায্য আপত্তিকর নানা জিনিস বলে এসেছে লাগাতারভাবে তাতে এখন হাসিনা ভারতের জন্যও গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। হতে পারে সেজন্য ভারতও চাচ্ছে তাদের ঘাড়ে থেকে নামাতে। দুনিয়ার অন্য কোনও দেশ এদের আর নেবে না বা এসাইলম দিতে চাইবে না, সুতরাং ভারত বোধ করি এদের ফের বাংলাদেশেই ঠেলে পাঠাতে চাইছে, বোঝা নামাতে চাইছে আর এটিকে আওয়ামী প্রচার প্রোপাগান্ডা সেটিকে বীরোচিত প্রত্যাবর্তন বলে কিছু একটা বোঝাতে চাইছে। ক্ষমতার স্বার্থে ক্ষমতার খাতিরে আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকরা যে কতো বড় নির্লজ্জ হতে পারে এটা হচ্ছে তার একটা প্রমাণ। আবার এদিকে এটাও হতে পারে যে হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানো ভারতেরই একটি অপকৌশল, বাংলাদেশে তাদের হারানো ফুটহোল্ড ফিরে পেতে। এখন সেটা ভারত সত্যিই করতে পারে কি না বা ভারতের মদদপুষ্ট হয়ে হাসিনা আবার ক্ষমতা ফিরে পায় কি না সেটা দেখার বিষয়।


এদিকে আওয়ামী লিগারদের আরেকটি শ্রেণীচরিত্র না বললেই নয়। সেটি হল চূড়ান্ত নির্লজ্জতার যে চরিত্র । দেশের মানুষের ওপর ভয়াবহ সমস্ত অন্যায় অত্যাচার আর দেশের স্বার্থ ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের হাতে বিকিয়ে দিয়ে অবশেষে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকেরা তাদের নানা বক্তব্যে তাদের দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করে যে চূড়ান্ত রকমের বেহায়াপনা প্রদর্শন করে এসেছে আর আজও আসছে সেটা বলার বাইরে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ভারতীয় নানা গণমাধ্যমের প্রোপাগান্ডা। এক জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তারা তাদের পুলিশ বাহিনী দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর লাগাতার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে আসলেও এখন তারা পুলিশের ওপর নাকি গণহত্যা হয়েছে, ছাত্রলীগকে দিয়ে পুলিশের সহায়তায় দমন পীড়ন, খুন খারাবী করার পরও, এতো বড় হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরও এসব কথাবার্তা চালিয়ে জাস্ট ভিকটিম কার্ড প্লে করার চেষ্টাটাই করে যাচ্ছে আওয়ামী লিগাররা। ক্ষমতায় থাকতে বিরোধী শিবিরের ওপর চূড়ান্ত দমন পীড়ন থেকে শুরু করে দেশের গণতন্ত্র ভয়াবহ রকমের ক্ষতিগ্রস্ত করা, অকথ্য দুর্নীতি, ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের কাছে দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়া, তাদের অপরাধ যেন কেউ প্রকাশ করতে না পারে আর তারা যাই বলুক তার বিরুদ্ধে যেন কেউ কিছু বলতে না পারে তার জন্য “আইসিটি অ্যাকট” এর মতো কালাকানুন পাশ করা, গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা, ভয়াবহ লুটপাট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করাসহ হেন কোনও অপরাধ নেই যেটা করা থেকে তারা বিরত থেকেছে। আর তারপরও বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই, বরং সব দায় “ইউনুসের মেটিকুলাস ডিজাইন” আর “জামাত শিবিরের ষড়যন্ত্র” এসব বলতে বলতে ভিকটিম কার্ড প্লে করে নিজেদের সমস্ত অপরাধ জাস্টিফাই করার চেষ্টাটাই করে যাচ্ছে আওয়ামী লিগাররা। দেখাতে চাচ্ছে যেন তারা নিজেরা যেন কতো বড় ভিকটিম, যেখানে আসল ভিকটিম ছিল এদেশের জনসাধারণ। একসময় জাতীয় পার্টির এরশাদকে বলা হতো বিশ্ববেহায়া। কিন্তু বেহায়াপনায় আওয়ামী লীগ আর তাদের সমর্থকেরা যে এরশাদকেও বহুগুণে ছাড়িয়ে গেছে সেটা বলাই বাহুল্য।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার প্রিয় ২৬টি পোস্ট; যেগুলো আপনারও ভালো লাগতে পারে

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭

গ্যাস নিয়ে গ্যাসলাইটিং: কোনটা আসল সংকট, কোনটা কৃত্রিম?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২১


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা কী, এই প্রশ্ন করলে সবাই একবাক্যে বলবেন গ্যাস সংকটের কথা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে, ফলে লোডশেডিং বেড়েছে বহুগুণ। কলকারখানা হোক বা বাসাবাড়ি, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth- তবে কি আমরা মহাবিশ্বের ভৃত্য?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

Humans are not from Earth: A Scientific Evaluation of the Evidence বইটির লেখক ডক্টর এলিস সিলভার (Dr. Ellis Silver)-এর ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবন নিয়ে মূলধারার তথ্যমাধ্যমে এক ধরনের রহস্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×