somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ঘরে-বাইরে মানুষের নাভিশ্বাস,মানুষের ভোগ কমে যাচ্ছে।

১২ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জ্বালানি তেল এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সর্বগ্রাসী প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। শুধু খাদ্যপণ্যই নয়, খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত মেনে সরকার গত বছরের শেষ দিকে চার দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। আর তার প্রভাব এখন সর্বক্ষেত্রেই পড়েছে। এতে শুধু ঊর্ধ্বমুখী খাদ্যপণ্যের দামই উস্কে দেয়নি, খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার দামও গত ১৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। আর এর চরম খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের মানুষকে। স্থায়ী চাপ সৃষ্টি হবে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ওপর। ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ঘরে-বাইরে মানুষের নাভিশ্বাস উঠবে।

খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার হঠাৎ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি অর্থনীতিবিদদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা নিয়ে উদ্বেগ এ কারণে যে, খাদ্যপণ্যের দাম সব সময় ওঠানামা করে। একবার বৃদ্ধি পেলেও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে বা স্থানীয় বাজারে উৎপাদন ভালো হলে দাম কমে যায়। কিন্তু খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার মান কখনো কমে না।তাদের মতে, পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন খরচ, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি ও লন্ড্রি সামগ্রীর মূল্য বাড়ার কারণে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে। এসব পণ্যের দাম একবার বৃদ্ধি পেলে তা আর কখনো কমে না। ফলে সাধারণ মানুষকে এর দায়ভার মাসের পর মাস বহন করতে হয়।

এ প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশনের অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘টাকার অবমূল্যায়ন হওয়ায় আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ডলারের দাম বাড়ায় এখন প্রতিডলারে ১৪ থেকে ১৫ টাকা বেশি ব্যয় করতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। এর ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গিয়ে তার প্রভাব পড়ছে ভোগের ওপর। মানুষের ভোগ কমে যাচ্ছে’।

পরিসংখ্যানবিদরা বলছেন, প্রধানত চাল, ডাল, মাছ, ডিম, ফল, ভোজ্যতেল ও প্যাকেটজাত দুধের দাম বৃদ্ধি খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির কারণ হিসেবে বাড়ি ভাড়া, পরিবহন ব্যয়, পরিধেয় বস্ত্র এবং গৃহস্থালি ব্যয় বেড়ে যাওয়াকে চিহ্নিত করেছে। ফলে গত এক বছরে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ।

সরকারকে বাজার এখন থেকে কন্টোল করতে হবে,মনিটরিং বারাতে হবে এবং সবপরি আইনের সুশাসন প্রতিস্ঠা করতে হবে। শুধু খাদ্যপণ্যই নয়, খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ ক্রয়ক্ষমতা মধ্য রাখতে হবে।

৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×