ফাস্ট ফুড বিক্রির নামে দেশে চলছে জমজমাট প্রতারনা বাবস্য দেখার যেন কেই নাই.........
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নগর জীবনে ফাস্ট ফুড মানে এক পরিচিতি নাম। সবাই আমরা এর সাথে কম বেশি পরিচিত। এর নাম শুনলেই আমদের জিভে জল চলে আসে। কিন্তু আমরা কি জানি ফাস্ট ফুড নামে আমরা কি নোংরা খাবার খেয়ে যাচ্ছি। এক প্রকার লোক শুধু টাকাই চিনে, তাদের কাছে মানুষের জীবনের কনো মূল্যই নাই। তাই বাসি পঁচা খাবার তারা বিক্রি করেতে কনো দ্বিধা করে না। কারন তাদের দরকার শুদু টাকা আর টাকা।
আজ আমি এক অবাক কান্ড দেখলাম। ঘটনাটা ঢাকা মিটফোড হাসপাতালের কাছে এক নামি দামি বেকারি, নাম হল রসনাতৃপ্তি। নাম মনে হয় আপনারা কম বেশি শুনেছেন, কারন তাদের brand value আছে। আর যদি আপনারা ওখানটায় য়াতায়েত করেন তবে। তাদের target customer হল MITFORD MEDICAL COLLEGE STUDENTS, DOCTORS এবং medical সব রোগী এবং আসেপাশের সব দোকান গুল। তার পাশের দোকানটায় কিছু প্লাস্টিক কেনা কাটা করতে আজ আমি সেখানে যাই। তাদের খাবার তৈরির ঘরটা মুল রুমের পিছনে যা আয়না দিয়ে ঢাকা এবং সেই দোকানটা বরাবর। আমি দোকানে দাঁড়িয়ে হটাৎ এক অবাক দৃশ্য আমার চোখে পরলো। দেখলাম একটা hot dog এর চিএ। দেখে কিছুটা অবাক হলাম। কারন hot dog টা ছিল অনেক দিন আগের। একজন customer বললো আমকে hot dog দেন, আর বেকারির ছেলেটা সেটা তদের পিছনের রুমে নিয়া গেল কারন সেখানে তাদের micro woven। তরল পানি জাতীয়,মনে হয় কনো chemical তার রংটা ছিল হলুদ তা একটা ব্রাশ দিয়া পুরু hot dog এর উপর লেপে দিল।পুরো কাজটা শেষ করলো তার ময়লা হাতে রেখে। পরে micro-woven গরম দিল। কিন্তু গরম করে এবার handle spoon use করে customer সামনে পেকেটে করে দিল। তাকে এক রকম বুঝানো হল যে এখানে সব কাজ করা হয় পরিষ্কার পরিছন্ন ভাবে।কনো রকম হাতের ছোয়া নাই।অনুমান করলাম খাবারটা বাশি ছিল বলেই liquid chemical ব্যবহার করে সেটা কে সতেজ করা হল। আরও অবাক হলাম লোকাল চানাচুর, বিস্কুট, এবং লোকাল সব রুটি যা রাস্তায় ফুটপাতে দোকানে ও বিক্রি করে সেগুলো আর এক ছেলে বসে বসে শুদু মাত্র নিজের brand name এ পেকেট করে যা কয়েক গুন উচ্চ দামে বিক্রি করবে। তাদের কাজ দেখি আর ভাবি আমরা ফাস্ট ফুড নামে আসলে বিশ খাই। এমন করে তারা মানুষের সাথে করছে প্রতারনা। কিন্তু তারা brand name use করে টাকা নেয় লোকাল বেকারি চেয়ে অনেক বেশি
জানিনা সেই liquid chemical মিশ্রিত hot dog টি অবশেষে কে খেলো।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন