ইদানিং আরেকটা ব্যাপার একটু ভাবাচ্ছে। আমার এক বড় ভাইয়ের কাছে শুনলাম ছেলেদের নাকি লাল জামা পড়তে মানা। অথচ আমার অনেক পাঞ্জাবিই আবার লাল। এই রঙ্গের পাঞ্জাবি পরেই আমি নামায পড়তে যাই। আল্লাহই যানেন নামায হচ্ছে কিনা।
যা হোক। বের হয়েই বুঝলাম দেরি হয়ে গেছে। চারদিক সব কেমন চুপচাপ। কছাকাছি আসতেই বুঝলাম খবর আছে
নামায শেষ হতেই পিচ্চিগুলা ভিড় ঠেলে কে কার আগে বের হবে প্রতিযোগিতা শুরু করে দিল। আমারো নিজের পিচ্চিবেলার কথা মনে পরে গেল
‘দেখসেন কি অবস্থা? নামায পরতে পারসেন তো?’
‘আর বলেননা। এভাবে আর চলবেনা।‘
‘হুমম! কি আর করবেন।‘
‘শালার যেখানেই যাই সেখানেই মানুষ। মানুষের ঠেলায় আর পারা যাচ্ছেনা। সকালে বাসে মানুষের ঠেলা, কোন মেলাতে যাবেন সেখানেও মানুষের ঠেলা, ধর্ম করতে আসলাম এখানেও একই অবস্থা। এই দেশে আর থাকা যাবেনা।‘
‘হুমম।‘
বাসায় আসার পরেও কথাগুলো খুব ভাবাচ্ছিল। বিকেলে বইমেলাতে যাবার কথা। আচ্ছা, যদি মেলায় দেখি মানুষজনের আনাগোনা কম তাহলে কি ভাল লাগবে? নাহ। বেশি মানুষ হলে তো ভালই লাগে। সবাই আমার মতো মেলাতে এসেছে। ভাবতে ভালই লাগছে। হুমম। আচ্ছা, মসজিদে যদি দেখি মানুষ কম তাহলে? নাহ মোটেই ভাল লাগবেনা। নিজ গোত্রের লোক বেশি দেখতে কার না ভাল লাগে। হুমম। তাহলে সকালে অফিসে যাওয়ার সময় মানুষ কম হলে। হ্যা এইটা হলে খারাপ লাগতো কিনা বলতে পারছিনা। কিন্তু ঢাকা শহরে মানুষ কম দেখলে কেমন যানি খচকখচ করে। বুঝলাম না কেন এইটা হয়
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


