দেশে গড়ে ওঠা প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাসপাতাল, ফার্মাসিউটিক্যাল এর সংখ্যা কত; তার সঠিক পরিসংখ্যান হয়তো সরকারের নিজের কাছেও নেই। তবে এরা প্রতি বছর সরকারকে যে টাকা ট্যাক্স দেয়; তার থোক্ হিসাব এনবিআর চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারবে !
সে যা-ই হোক- এ দেশের প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মাসিউটিক্যাল, হাসপাতালগুলো সরাসরি সমাজ সেবা ও সামাজিক উন্নয়নে কোনও অর্থ ব্যয় করে না। এমনকি লাভের টাকায় এরা নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে নষ্ট একটা টিউব লাইটও জ্বালানোর ব্যবস্থাও করে না। বাস্তবতা এটাই; এরা শুধু ব্যবসা-ই বোঝে !
আবার, সে যা-ই হোক- রোগী রেফার করা হারামখোর ডাক্তারদেকে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো ৪০% পর্যন্ত কমিশন দেয়। ফার্মাসিউটিক্যাল আর হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো শত অনুষ্ঠানে হরেক দামী উপহার প্রেরন করে !!! বাপের, না রোগী চোষা টাকায় !!??
ঢাকা শহরের ছোট-বড় সব প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মাসিউটিক্যাল, হাসপাতালগুলোকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ হাজার টাকার মেডিসিন ফ্রি-তে দরিদ্র রোগীদের মধ্যে বিতরন করতে হবে; নয়তো দ্বিগুন জরিমানা- এমন বাধ্যবাধকতা থাকতে অসুবিধা কোথায় !!
এমন হলে মাত্র ৫০ টি প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মাসিউটিক্যাল, হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন ২.৫ লক্ষ টাকার সেবা পাওয়া সম্ভব !! তা মাসে ৭৫ লক্ষ; আর বছরে কত হয় ??
এমন কেন হতে পারেনা ?? কেন নয় ??!!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০২৫ বিকাল ৪:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


