
বৃষ্টির কত প্রেম অথচ জীবন অতিষ্ঠ উপকূলে।
সকালেই ধুপধাপ বৃষ্টি প্রাণ জুড়ানো আপন শব্দ,
জানালায় তীর্যক সুখে ফোঁটাগুলো গুণি আমি,
গাদাগাদি মিছিলে ভীড়ের ভেতর দারুণ একা।
ভেতরে শব্দের ছড়ি ঘুরে মাথায় অবৈধ শাসনের,
দমকা হাওয়ায় উড়ছে এলোমেলো ভাবনা এবং আমি।
আমার একটা বিহিত হওয়া দরকার সংসারের,
আমার মতো প্রতীক্ষমণা বহু যুবকের বিহিত হোক।
আমার একটা শেষ হওয়া দরকার বিহিতের
এদিকে অবৈধ শাসন আরো বেশি প্রলম্বিত!
রিল ঘুরাই মুঠোফোনে; ফুল দেখি পাখি দেখি
শিশু-শৈশব দেখি ব্যাঙ- ব্যাঘ্রের ছাও দেখি।
বাঙালি দেখি বাংলা দেখি বাংলাদেশ দেখি,
কুকুর বেড়ালও দেখি টিকটিক দেখি, হাসি!
এদিকে বৃষ্টির রোম রোম ফোটা দোলা দেয়।
দিব্যি কথা কয় ; আমি তার প্রতিটা ভাষা বুঝি,
প্রতিটা অনুভব জানি, হেঁচকা টানে নিয়ে যায়
দূরন্ত শৈশবে নাঙা শরীরের ফুটবল খেলায়।
দূরন্ত শৈশবগুলো কিশোর হলো স্বপ্নের মতো!
রিলে টগবগে যৌবনও দেখি,উষ্ণতায় ঘুরে
বেড়াই জীবনের ভালো লাগা রমনীদের দুয়ারে।
কাউকেই বলা হয়নি তুমি কিন্তু মমত্ব আশ্রয়।।
কত মায়েদের কূলে আমি এলাম আদরে-অনাদরে
একঝাঁক জংলী স্বপ্ন এসে হানা দিলো ইতিহাসে
রচিত হলো নয়াপুরান স্বৈরাচার মিলেমিশে একাকার।।
কেউ বলেছিলো যাই লিখো রাজনীতি কেন আনো?
আমি আর কি বলবো! তুমি বৃষ্টি খাও উন্নয়ন খাও
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি খাও মেধাপাচার খাও, টাকা
পাচার খাও ফুল খাও গাছ খাও গরম খাও বন্যা খাও
ইতিহাসের মাথা খাও শৈশব খাও সম্প্রীতি খাও
ভাষা খাও শিক্ষা আন্দোলন খাও পূর্বপুরুষ খাও
কি? খাও! এখনই বদ হজম হলে হবে? দেশনেত্রী
খেলে জেলেপোরে , এবার গণতন্ত্র খাও! কি খাও?
গাছ-পার্ক কেটে সড়ক ফ্লাইওভারে করে দিব্যি এঁকে
দিয়েছে গাছপালা, নাম টেকসই উন্নয়ন; তুমি খাও!
কয়েক পার্সেন্ট ভোটেও ডাকাতি শপথে বলে গণতন্ত্র,
তুমি খাও তুমি খাও, তোমার যেন বদহজম না হয়।
একটা বাসযোগ্য পৃথিবী চাই শপথ নিয়েছি প্রিয়কূলে।।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৪:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



