মজলুম জন নেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খানঁ ভাসানীর বানী!!
যাহারা ক্ষুধার্ত মানুষের পক্ষে কথা বলিয়া ক্ষমতায় যায়, ক্ষমতাসীন থাকিয়া তাহারাই আবার অন্ন বস্ত্রহীন অসহায় মানুষদের কথা ভুলিয়া যায়। ফলে গরীব আরো গরীব হয়। ক্ষমতায় যাইয়া ধনী আরও ধনী হয়। এই নিয়ম এখন প্রচলিত হইয়া গিয়াছে। আসলে মানুষের নৈতিক চরিত্র ভাল না হইলে ক্ষমতায় গিয়া লাভ নাই। যতদিন পর্যন্ত চরিত্রবান নির্লোভ সৎ ন্যায়নিষ্ঠ কর্তব্য পরায়ণ ধর্মভীরু জনদরদী ব্যক্তিরা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় না যাইবে ততদিন পর্যন্ত এই দেশের গরীব কৃষক শ্রমিত ছাত্র জনতার দুঃখ দুর্দশার অবসান হইবে না।
[২]
পশ্চিমের শুকর সাদা হইতে পারে আর পূর্বের শুকর কালো হইতে পারে, সব শুকরই হারাম। শোষণ ছাড়া শোষকের কোন ধর্ম, জাত নাই।
[৩]
আমাদের সংগ্রাম দুই মুখী হইতে হইবে। একটি প্রত্যক্ষ আর একটি পরোক্ষ। প্রত্যক্ষটিতে থাকিবে বিদ্রোহ, পরোক্ষটিতে থাকিবে শোধন। দুই দিকই যদি একতালে চালাইয়া যাইতে পারি, তবেই আমরা ইপ্সিত লক্ষ্যে পৌছিতে পারিব।
[৪]
জনগনের সচেতনতা দুনিয়ার অশুভ সকল শক্তিকে ব্যার্থ করিবেই।
[৫]
আমাদের দুয়ারে আজও ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর অভিশাপ বর্তমান। আজও নীলকর সাহেবদের দৌরাত্ন বিরাজমান। আজ তাই দরকার তীতুমীরের বিদ্রোহ, শরীয়তুল্লাহর সংস্কার আর ক্ষুদিরামের ত্যাগ।
[৬]
আমি মানুষকে দেখিয়াছি – আমি দেখিয়াছি যে মানুষ কাঁদিতেছে, সে-ই আবার বিদ্রোহ করিতেছে। আমি দেখিয়াছি, যে মানুষ নীচু তলায় আঁধারে পচিতেছে, তাহারাই বুলেটের মুখে আত্মাহুতি দিতেছে।
[৭]
জমির পরিমাণ ভেদে মানুষে মানুষে শ্রেণীভেদ করাটা আমি মোটেই বরদাস্ত করিতে পারিতাম না। জমিদার-মহাজনদের সুপরিকল্পিত শোষণের পরিচয় যে দিন পাইয়াছিলাম, সেই দিনই মনে চাহিয়াছিলাম, গোটা সমাজ ব্যাবস্থাটাকে দুমড়াইয়া নতুন কিছুর পত্তন করি।
[৮]
বৃটিশ শাসনের আমলে হিন্দু-মুসলিম বিরোধ এবং স্বাধীণতার পর পাকিস্তানের বাঙ্গালী-অবাঙ্গালী বিরোধের দরুন দেশবাসী লাভবান হয় নাই। লাভ হইয়াছে কোটিপতিদের। লাভ হইয়াছে শিল্পপতি ও শাসকদের। অথচ দুর্ভাগ্যের বিষয়, হিন্দু-মুসলিম বা বাংগালী-অবাঙ্গালী বিরোধ একেবারেই কৃত্রিম। সেই বিরোধ দুরভিসন্ধীমূলক লোকেদের স্বার্থে নিজেদের হাতে গড়া।
[৯]
যাহারা হাজার হাজার বিঘা জমির মালিক, যাহাদের বাড়ীর কয়েক মাইলের সীমানায় অন্যের জমি নাই, তাহারাই সব কৃষক নেতা। তাহারা কৃষকের সমস্যা, কৃষকের দুঃখ বোঝেনা। তোমরা যাও একটা গ্রাম বাছিয়া লইয়া কৃষকদের সহিত আলাপ কর – সার্ভে কর। দেখিবে জাতির মেরুদন্ড কৃষকেরই মেরুদন্ড নাই।
[১০]
মিথ্যাকে পরিত্যাগ কর, অন্যায়কে ঘৃণা কর, আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালবাস – তবেই তোমার অভীষ্টকে পাইবে।
[১১]
আত্মম্ভরী হইও না, মানুষের খেদমত কর। সকলের চেয়ে ছোট হও, তবেই খোদাকে পাইবে। মনে রাখিও, ছোট হইতে হইতে যখন ছোট হইবার আর কিছুই থাকে না তখনি এটমিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন
নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?
ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?
সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাতুকুতু'র কাহিনীনামা
কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।
তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।