somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

রথসিল্ড যে পুরো দুনিইয়া নিয়ন্ত্রন করছে?

০১ লা জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। কে এই রথসিল্ড যে পুরো দুনিইয়া নিয়ন্ত্রন করছে?
২। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি হত্যার রহস্য কি? কারা কেন হত্যা করেছে জন এফ কেনেডি কে?
৩। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এর মালিক কে? কিভাবে তারা পুরো দুনিয়ার সম্পদ হস্তগত করলো?
৪। সিরিয়া যুদ্ধের সাথে রথসিল্ড পরিবারের কি সম্পর্ক ?
উপরোক্ত বিষয় গুলো কিভাবে একটি আরেকটির সাথে জড়িত জানলে হতভম্ব হয়ে যাবেন।
ইহুদীবাদি ইসরাইল কখনোই চায়না পৃথিবীর কেউ উপরোক্ত চার টি প্রশ্নের উত্তর গুলো জানুক এবং এগুলর মধে সমন্বয় করুক।
১৯৬৩ সালের ৪ জুন জন এফ কেনেডি একটি ডিক্রি জারি করেন যার নির্বাহী আদেশ নম্বর ১১১১০।এতে বলা হয় ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কে আর সুদে লোন দিতে পারবেনা। কলমের এক খোঁচায় কেনেডি এমন বাবস্থা করলেন যার দরুন খুব দ্রুতই ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অকেজ হয়ে পড়বে। প্রসঙ্গত সেই নির্বাহী আদেশ টি আজও পরবর্তী কোন নির্বাহী আদেশ দ্বারা প্রত্যাহার , সংশোধন কিংবা সংজোজন করা হয়নি অর্থাৎ সেটি আজও ভ্যলিড আছে। এই নির্বাহী আদেশের ফলে মার্কিন সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক এর সাহায্য ছাড়াই নিজের প্রোয়জন মত মূদ্রা ছাপানো এবং বাজারে ছাড়ার ক্ষমতা ফিরে পেলো। কিভাবে তা খুব সংক্ষেপে বলছিঃ
সরকারি ব্যয় এর জন্য রথশিল্ড এর মালিকানাধীন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুদে টাকা ঋণ না নিয়ে সরকারি রৌপ্যের মজুদের বিপরীতে মার্কিন প্রশাসন মুদ্রা ছাপাতে পারবে এবং তা বাজারে ছাড়তে পারবে। অর্থাৎ আমেরিকার রিজার্ভে থাকা প্রতী আউন্স রৌপ্যর বিপরীতে সরকার নোট ছাপাবে এবং তা দিয়ে সরকারে ঘাটতী ব্যয় নির্বাহ করবে। ফলে সরকার ফেডারেল রিজার্ভ বাঙ্কের কাছে দেনা থাকবেনা এবং তাকে সুদ ও দিতে হবেনা। এবং প্রশাসন হবে শক্তিশালী রথসিল্ডের প্রভাব মুক্ত। এই উপায়ে কেনেডি প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন মুদ্রা বাজারে আনলেন। কিছুদিন পরে আমেরিকার রৌপ্যের রিজার্ভ আরো বাড়লে তার বিপরীতে মার্কিন প্রশাসন এতো পরিমান নোট ছাপাতে পারবে যে মার্কিন প্রশাসনের কোন প্রোয়জন ই পড়বেনা ফেডারেল রিজার্ভের মজুদ নোট গুলোর। মার্কিন সরকার কে লোন দিয়ে সুদ কামানোর ধান্দা বন্ধ হয়ে যাবে ফেডারেল রিজার্ভ বাঙ্কের।আমেরিকা এবং বিশ্বের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন দেখছিলো ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক তা ধূলিষ্যাথ হয়ে গেলো।ফলে জন এফ কেনেডি কে হত্যা করা ছাড়া তাদের আর কোন উপায় ছিলোনা।
“ ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক “ নাম শুনলেই মনে হয় হয়ে শক্তিশালি মার্কিন ব্যাংক যা পুরো দুনিয়ার অর্থ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করছে। কিন্তু মুলত এটি মার্কিন সরকারের কোনো সংস্থা নয়।নামটি এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেনো শোনা মাত্র মনে হয় এটি মার্কিন সরকারের একটি ব্যাংক। আসলে না এটা ফেডারেল কোনো ব্যাংক না এটা মার্কিন সরকারের মালিকানাধীন কোন ব্যাংক। এটি একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংক যার মালিক ইহুদী রথশিল্ড পরিবার। এটি অন্যান্য কোম্পানির মত ডাক মাসুল দেয়, এর কর্মচারী রাও সরকারী চাকুরে নয় এবং এরা অন্যান্য সাধারন কোম্পানির মত সরকার কে ট্যক্স ও দেয়। মোট কথা এটিকে সরকারী ব্যাংক বলে যারা ভাবতেন সেটা ভুল। এটি ইহুদী পরিবার রথসিল্ডের ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি ব্যাংক যা একে একে দুনিয়ার প্রায় সব কটি দেশের অর্থ ব্যবস্থার উপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই রথশিল্ড পরিবার টি এমন ভাবে সম্পদ অর্জন করেছে যা অকল্পনীয়। এরা নিজেদের মধ্যে এমন একটি ব্যবসায়ী অভীজাত শ্রেণী তৈরি করেছে যারা রাজনীতিতেও সক্রিয়। তারা এখন যে কোন সময়ে অর্থনীতি কে যে কোনো পথে পরিচালিত করতে পারে তাই মার্কিন প্রশাসনকেও তারা বাধ্য করতে পারে তাদের দিক নির্দেশনা মোতাবেক চলতে।
২০০০ সালে পৃথিবীতে ৮ টি দেশ ছিলো যাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কে রথসিল্ড রা কুক্ষিগত করতে পারেনি। দেশ গুলো ছিলোঃ
১।আফগানিস্তান
২।ইরাক
৩।সুদান
৪।লিবিয়া
৫।কিউবা
৬।উত্তর কোরিয়া
৭।ইরান
৮। সিরিয়া।
বিগত দিন গুলোতে আপনি আফগানিস্তান ইরাক সুদান এবং লিবিয়া তে যে মার্কিন যুদ্ধ দেখেছেন তা রথসিল্ড পরিবার মার্কিন প্রশাসন কে করতে বাধ্য করেছে ঐ দেশ গুলর সম্পদ কুক্ষীগত করার জন্য। এবং তারা সফল। আজ মাত্র ৪ টি দেশ আছে পৃথিবীতে যার কেন্দ্রীয় ব্যাংক রথসিল্ড পরিবার কুক্ষীগত করতে পারেনি।
১। কিউবা
২। উত্তর কোরিয়া
৩।ইরান
৪। সিরিয়া।
দেখবেন পাশ্চাত্যের সকল মিডিয়া এসব দেশের শাসক সম্বন্ধে নেতীবাচক খবর প্রকাশ করতেই থাকে জনগনের মন বিষিয়ে তোলার জন্য। তারা এমন শাসক বসাতে চায় যিনি দেশের সম্পদ তুলে দেবেন রথসিল্ড দের হাতে। যখন আপনার সম্পদের নিয়ন্ত্রন তার হাতে সে ইচ্ছা করলেই আপনার সরকারের পতন ঘটিয়ে ফেলতে পারবে যখন খুশি। আপনি চীরকালের জন্য তার কৃতদাস বনে গেলেন। কথা না শুনলেই আপনাকে সন্ত্রাসী আক্ষা দিয়ে আপনার সম্পদ বাজেয়াপ্ত কর ফেলবে। কি করবেন তখন হা করে বসে কান্নাকাটি করা ছাড়া? হ্যাঁ আমাদের বাংলাদেশ ব্যাংক এর মজুদ ও ফেডারেল রিজার্ভে রাখা। তারা যখন যা খুশি করতে পারে আমাদের সাথে।আমরাও তাদের কৃতদাস।বিলিভ ইট।
গত ছয় বছর ধরে রথসিল্ড পরিবার যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ কে সরিয়ে এমন এক জন কে প্রেসিডেন্ট করার জন্য যিনি সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পদের মজুদ তুলে দেবেন রথশিল্ড পরিবারের হাতে। এর পর ইরান এর পর উত্তর কোরিয়া। ব্যস দুনিয়ার সকল সম্পদের নিয়ন্ত্রক হবে ইহুদী রথসিল্ড পরিবার।
এই জিনিষ গুল আপনি কোন বিবিএ এমবিএ এর পাঠ্য পুস্তকে পাবেন না। গতানুগতিক ধারায় শিক্ষীত কোন ব্যক্তির কাছেও পাবেন না। কারন আপনি পাঠ্য পুস্তকে সেই জ্ঞ্যানই অর্জন করেন যা তারা আপনাকে শেখাতে চায়। তাদের নিজেদের ব্যপার গুলো তারা বিশ্ববাসীর কাছে গোপন রাখতে চায়।
পরবর্তী কোন লেখায় হয়তো লিখবো কিভাবে মোসাদ হত্যা করেছে জন এফ কেনেডি কে।
হাসনাইন শিশিরঃ ১ জুলাই ২০১৭
বিদ্রঃ আমার লেখা ইচ্ছা করলে কপি পেস্ট মারতে পারেন অনুমতির প্রোয়জন নেই। মানুষকে ইহুদী পরিবারের চক্রান্তগুলো সম্বন্ধে সচেতন করাই আমার লক্ষ।এক জন মানুষ ও যদি এই বিশাল পোস্ট টি পড়ে বুঝতে পারে কস্ট সার্থক ।
পোস্ট টি কস্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
Courtesy: Hasnine Shishir
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:৩৯
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি অমর দিশারী

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


তুমি সূর্য কিনারায় উঁকি দিয়েছ বলে-
মা.. তুমি সূর্য আলো!
তোমার জন্মদিনে চাঁদ পৃথিবী হাসছে
আমরা যে গর্বিত গর্বিত-
মা.. তুমি সূর্য আলো;

তোমার অনুশাসন
আমাদের প্রেরণার উড়ন্ত পায়রা
শান্তির জ্বলন্ত মশাল
তোমার জন্ম সাতশত মহীয়ান-
আমরা শুধু গর্বিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth-রূপের বৈচিত্র্য ও আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

প্রশ্ন ও প্রারম্ভিক জিজ্ঞাসাঃ
আমাদের মনে কি এমন প্রশ্নের উদয় হয় না যে,"আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অবয়ব, গায়ের রঙ, চুল কিংবা পুরুষদের মুখের দাড়ি-গোঁফের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×