somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

ঢাকা সাভারে পানির খনির সন্ধান: সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা ওয়াসা এমডি

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ঢাকা জেলার সাভার থানাস্থ ভাকুর্তায় একটি পানির খনি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী তাকসিম এ খান। তিনি বলেন, ভূগর্ভের পানি উত্তোলনের জন্য সাভারে একটি পানির খনি পাওয়া গেছে। হিমালয় থেকে একটি চ্যানেল হয়ে ভাকুর্তায় এসে পানি জমা হচ্ছে। গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেই খনি থেকে প্রতিদিন ১৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলন করা হবে। পানি উত্তোলন করলেও সেখানে শূন্যতা সৃষ্টি হবে না। হিমালয়ের পানি চ্যানেল দিয়ে এসে সেই শূন্যস্থান ভরাট করবে।
গতকাল রাজধানীর কাওরান বাজারে ওয়াসা ভবনে ‘ঢাকা ওয়াসার সার্বিক অগ্রগতি: আগামীর কর্ম পরিকল্পনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এতে ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: আক্তারুজ্জামান ও প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোস্তফা তারেক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়াসা এমডি গত ৮ বছরে তার নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং আগামীতে তিনি আরও যা করতে চান সেগুলোও উল্লেখ করেন।
জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তাকসিম এ খান বলেন, অনেক উন্নত শহরেও জলাবদ্ধতা হয়। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বৃষ্টি হলে যান চলাচল বন্ধ করে টানেলে পানি জমা করা হয়। ঢাকা শহরে তা নেই। একটি শহরে ১২ শতাংশ এলাকা জলাশয় থাকা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ঢাকায় আছে ২ শতাংশ জলাশয়। তারপরও অনেক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
আগামী বছর দু-তিন ঘণ্টার বেশি সময় নগরীতে পানি জমে থাকবে না। ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সাত হাতে থাকবে না। সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা বা কার হাতে যাবে সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত না হলেও দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। খাল ভরাট ও দখল সম্পর্কে বলেন, খালগুলো দখলমুক্ত করে রাখার পর আবারও বেদখল হয়ে যায়। ওয়াসা বিষয়টি দেখভাল করছে। খালগুলোর পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করছে ওয়াসা। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ড কাউন্সিলররাও সহযোগিতা করছেন।
তাকসিম এ খান বলেন, ২০০৯ সালে যখন ঢাকা ওয়াসার দায়িত্ব গ্রহণ করি, তখন ঢাকা ওয়াসার খুবই খারাপ অবস্থা ছিল। পানির চরম সঙ্কট ছিল। ওই সময় সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনা করতে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া লাগত। ঢাকার জনপ্রতিনিধিদের পানি সঙ্কটের কারণে জনরোষেরও শিকার হতে দেখা গেছে। বিগত ৮ বছরে ঢাকা ওয়াসায় পানির উৎপাদন কয়েক গুণ বেড়েছে। এখন চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হয়। এ কারণে পানির কোনো সঙ্কট নেই।
তবে সরবরাহ লাইনের কারণে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয়। সেসব সমস্যাও বিকল্পভাবে সমাধান করা হচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা দক্ষিণ এশিয়াসহ পৃথিবীর অনেক শহরের তুলনায় টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় এগিয়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে এর স্বীকৃতিও মিলেছে।
তাকসিম বলেন, দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা’ শিরোনামে একটি উদ্যোগ নেন। এ সময়ে ১৬০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলেও ৯০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়ায় ঢাকা ওয়াসা। ২০০৯ সালে দৈনিক ২১২ কোটি লিটার চাহিদার বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা পানি উৎপাদন করত ১৮৮ কোটি লিটার। সিস্টেম লস ছিল ৪৪ শতাংশ। বিল আদায় হতো ৬০ শতাংশ। মাত্র ৮ বছরের ব্যবধানে এখন ২৩৫ কোটি লিটার চাহিদার বিপরীতে ঢাকা ওয়াসা পানি উৎপাদন করছে ২৪৫ কোটি লিটার। সিস্টেম লস কমে ২২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিল আদায় হচ্ছে ৯৯ শতাংশ।
দায়িত্ব নেয়ার সময় ৮৭ শতাংশ পানির উৎস ছিল ভূগর্ভ। এখন তা ৭৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনবেন। রাজস্ব আয় ৩০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১,০৬৩ কোটি হয়েছে। বিলিং সিস্টেম শতভাগ ডিজিটাল করা হয়েছে। গ্রাহকেরা এখন ঘরে বসেই তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে, সমাধান নিতে পারছেন। শতভাগ ই-টেন্ডার করা হয়েছে
সুত্র- ইন্টার নেট ও ভিবিন্ন অনলাইন নিউজ ।।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০১৭ রাত ১:২৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মস্তিষ্ক কাজ করার আগেই যখন উত্তর চলে আসে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৭


মস্তিষ্ক কাজ করার আগেই যখন উত্তর চলে আসে

একসময় কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে মানুষকে ভাবতে হতো। বই খুলতে হতো, লাইব্রেরিতে যেতে হতো, কারও সঙ্গে আলোচনা করতে হতো, ভুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্বাবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ৪

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১৬


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।
একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/3039397|১ম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাধু সাবধান!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২১

রোমান সাম্রাজ্যের পম্পেই এবং বর্তমান বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও সময়কাল সম্পূর্ণ ভিন্ন হলেও, মানুষের সামাজিক আচরণ এবং নৈতিক স্খলনের কিছু ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনক মিল খুঁজে পাওয়া যায়। নিচে পম্পেইয়ের সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের ছয় মাসের পোস্টমর্টেম....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১০



সরকারের ছয় মাসের পোস্টমর্টেমঃ সমর্থনের জায়গা থেকেই কিছু কঠিন কথা.....

ছয় মাস খুব দীর্ঘ সময় নয়- কিন্তু একটি সরকারের দিকনির্দেশনা, নেতৃত্বের সক্ষমতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতার কিছুটা ধারণা পাওয়ার জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ পাঠের সওয়াব

লিখেছেন শিমুল মামুন, ০৮ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬


লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। এর ফজিলত ও সওয়াব অনেক বেশি। আমলটি করার ব্যাপারে হাদিসে অনেক বর্ণনা এসেছে।

সাগরের ফেনা পরিমাণ গুনাহ মাফ হয়
আবদুল্লাহ ইবনে আমর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×