somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

পরিপক্ক প্রেম: মানসিক শান্তি

১১ ই জুন, ২০২৪ রাত ২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






জীবনের নির্দিষ্ট একটি সময়ে পৌঁছানোর পর, মানুষ যখন পরিপক্ক হয়ে ওঠে, তখন প্রেমের মাপকাঠি বদলে যায়। তখন আর কেউ প্রেমে পড়ার জন্য শুধু সৌন্দর্য, উচ্ছ্বলতা, কিংবা সুগঠিত দেহ খোঁজে না। বরং খোঁজে এমন একজনকে, যার উপস্থিতি তাকে শান্তি দিতে পারে। এমন একজন, যার সঙ্গে থাকলে জীবনের সমস্ত কষ্ট ভুলে যাওয়া যায়, যে তাকে মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে।
পরিপক্ক মানুষ এমন একজন সঙ্গী খোঁজে, যার সঙ্গে কথা বললে মনে হবে যেন নিজেকেই বুঝতে পারছে। যার বুকে মাথা রাখলে মনে হবে, জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনটি পেয়েছে—কাউকে, যে তাকে নিঃস্বার্থভাবে বুঝতে পারে। এই ভালোবাসা মানসিক শান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যেখানে শরীরী প্রেমের কোনো স্থান নেই। কিন্তু মনের প্রেম থাকে অফুরন্ত।
আমরা মানুষগুলো সারাজীবন কখনও টাকার মোহে, কখনও ক্ষমতার মোহে, আবার কখনও বাজে কোনো অভ্যাসের মোহে ডুবে থাকি। একটি বয়স পার হলে আমরা বুঝতে পারি, আমাদের চারপাশে অনেক লোক থাকলেও আমাদের বোঝার মতো একজনও নেই। এই সময়ে আমরা চাই শুধুমাত্র মানসিক শান্তি।
যখন আপনি বুঝতে পারবেন কারো মাঝে আপনি নিজেকে খুঁজে পান, কোনো চাওয়া-পাওয়া ছাড়াই, তখনই বুঝতে হবে এটাই প্রেম। এই ভালোবাসা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ধরে রাখতে হয়। এটি এমন একটি পরিপক্ক প্রেম, যা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপনাকে আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে এটাই অনুভব করাবে—"আমি আছি তোমার পাশে, সুখে কিংবা দুঃখে।"
এই পরিপক্ক প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা সহজ নয়। এটি একে অপরকে বোঝা, সম্মান করা এবং নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। এই ধরনের সম্পর্ক মানসিক শান্তির প্রধান উৎস হয়ে ওঠে এবং জীবনকে সুন্দর করে তোলে। একজন পরিপক্ক সঙ্গীর সঙ্গে এই প্রেম আপনার জীবনে আনন্দ, শান্তি এবং সন্তুষ্টি এনে দিতে সক্ষম।
তাই, জীবনের এই পরিপক্ক প্রেমের সন্ধানে থাকুন এবং একে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ধরে রাখতে শিখুন। কারণ, এটাই প্রকৃত ভালোবাসা, যা আপনাকে সবসময় মনে করিয়ে দেবে—আপনি কখনো একা নন।
-------------------- সেলিনা জাহান প্রিয়া


সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০২৪ রাত ২:৩০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শাহ সাহেবের ডায়রি ।। ২৪ ঘণ্টা পর সাইন ইন করলাম

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১২ ই জুন, ২০২৪ রাত ৮:৫৪

সামু বন্ধ থাকলে কি যে যাতনা তা এবারি বুঝতে পারলাম । দুপুরে জাদিদকে ফোন করে জানলাম সমস্যা সার্ভারে এবং তা সহসাই ঠিক হয়ে যাবে । মনের ভিতর কুচিন্তা উকি ঝুকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়েলকাম ব্যাক সামু - সামু ফিরে এল :D

লিখেছেন অপু তানভীর, ১২ ই জুন, ২০২৪ রাত ৯:২৩



সামুকে নিয়ে আমি এর আগে কোন দিন স্বপ্ন দেখেছি বলে মনে পড়ে না । তবে অনেক দিন পরে গতকাল আমি সামুকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলাম।তবে সেটাকে আদৌও সামুকে নিয়ে স্বপ্ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বয়কটের ব্যবচ্ছেদ

লিখেছেন শূন্য সময়, ১২ ই জুন, ২০২৪ রাত ১১:৪৫

আপনি বয়কটের পক্ষে থাকুন, বিপক্ষে থাকুন- এই বিষয় নিয়ে কনসার্ন্ড থাকলে এই লেখাটা আপনাকে পড়ার অনুরোধ রইলো। ভিন্নমত থাকলে সেটা জানানোর অনুরোধ রইলো। কটাক্ষ করতে চাইলে তাও করতে পারেন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামে আলেম নয়, ওলামার রেফারেন্স হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৩ ই জুন, ২০২৪ রাত ২:৫০



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরাঃ ২৯... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ: গণতন্ত্রের মুখোশ পরা ভয়ঙ্কর অমানবিক এক রাষ্ট্র

লিখেছেন মিশু মিলন, ১৩ ই জুন, ২০২৪ সকাল ৭:০৮





প্রায় দুইশো বছর ধরে বাংলাদেশে বাস করছে হরিজন সম্প্রদায়। ব্রিটিশ সরকার ১৮৩৮ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে নগরের রাস্তাঘাট, নর্দমা এবং টাট্টিখানা পরিষ্কার করার জন্য তৎকালীন ভারতবর্ষের অন্ধ্র প্রদেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×