somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিছক লেখা অথবা বাস্তবতা

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এ সাইট এ এটাই আমার প্রথম লেখা ।
আমাদের জীবনের ১৩ থেকে ১৯ বছরের বয়স টাকে ইংলিশ এ টিন এজ বলা হয় । বাংলা তে বয়ঃসন্ধি বলা হয়। বাস্তব অর্থে ১৫ থেকে ২৫ বা তার
ও কিছু দীর্ঘ সময় আমরা একটা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পার করি । যদিও জীবনটাই একটা সংগ্রামের মঞ্চ । এই বয়স টাতেই আমরা অনেক বেশি অসহাই হয়ে পরি আবার অনেকেই ভুল পথে পা বারাই । মুলত এই বয়স টাতেই আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মা বাবা এর বন্ধু সুলভ সম্পরক কিন্তু সবাই তা পাইনা । আর না পাবার ফল স্বরুপ আমরা হয়ে পরি বাইরের মানুষ এর ওপর নিরভরশিল একসময় জড়িয়ে পরি বিভিন্ন ক্রাইমএ। কিন্তু এবয়স টা হয়তো মায়ের কোলে উঠে বসে থাকবার মতন বয়স না হলে ও মা এবং বাবার বন্ধু সুলভ সম্পরক আশা করে তীব্র ভাবে । আজকের সমাজ ব্যবস্থাই আমরা ছোটরা অনেকেই বড়দের কে আজকাল সালাম/আদাপ পর্যন্ত জানিয়ে থাকিনা যেটা অনেক মুরব্বি বলে থাকেন । আসলে আমরা আমাদের কাছের মানুষদেরসাথেই অঘোষিত ভাবেই সম্পর্ক হীনভাবে গরে উঠছি যার জন্য সিনিওর দের সম্মান করাটা অনেকেই বিশেষ কিছু বলে মনে করিনা । এই টিন বয়স টাই আমরা অনেক হতাশা ও অনেক রকম সম্পরকের সাথে জড়িয়ে পরি যে সম্পরক গুলি হয়ত খুব বহুদুর গরাই নাহ । আর তখন ই আমরা কোনো অজানা জন্ত্রনার সাথে জড়িয়ে পরি যা আমাদের কে ভুল কাজ করতে অনেক কেই বাধ্য করে । আর এই সময় আমরা যে কাজ গুলিকে বেছে নেই সে কাজ গুলি অপরের সাথে সেয়ার করার মতন সুযোগ আমরা অনেকেই খুব কম পাই ।ফলে অনাকাংখিত সিদ্ধান্ত পুরন না করতে আমরা দিতিয় বার খুব কম চিন্তা করি ।আর হারিয়ে ফেলি সুন্দর জীবন টাকে ।
আমাড় এলেখাটা দিয়ে আমি শুধু পিতা ও মাতা দের কাছে এটাই বলতে চাই আপণাড় টিন এজ এ পা রাখা সন্তান কে দূরে নয় পরম স্নেহে বন্ধুর হাত বাড়িয়ে দিন ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:১২
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের এই সুযোগ কি আরেকবার আসবে? বা তারাই-কি এটা হাত ছাড়া করবে???

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০

ইরানী নেতা খামেনি শহীদ হওয়ার পরে ইরান কি বলেছিল মনে আছে???

ইরান কইছিলো, ইরানের এই অবস্থার জন্য যারা দায়ী সেই বেবাক দেশকে রাস্তায় এনে দাঁড় করানো হবে।
প্যান্ট খুলে ছেড়ে দিবে-(এটা আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭



কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খাবেন সবাই সমকামী হয়ে যাবেন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×