somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উপন্যাসঃ নদীর স্রোত

২১ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উপন্যাসঃ নদীর স্রোত (শুরু)
-- হ্যালো
-- হুম।
-- হুম কি?
-- হুম।
-- আমার খুব কষ্ট হচ্ছে।
-- প্রথম প্রথম দুরে গেলে এমনই হয়।
-- কে? মিস্টার টুইস্ট?
-- হুম।
-- হুম। আজ সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে।
-- ভালো। স্বামী তো!
-- আজ যখন ও চলে যা চ্ছে তখন খুবই খারাপ লাগছিল। আর যখন এয়ারপোর্টে বিদায় জানিয়ে চলে যাচ্ছে তখন খুব করে ইচ্ছে করছিল আর একটু যদি ওকে দেখতে পেতাম? কিছুক্ষণ পর দেখি ও ফিরে আসতেছে। তখন কেন জানি মনে হলো ওতো আমার স্বামীই। তুমি কিছু মনে করো না।
-- (লাইক চিহ্ন)
-- আচ্ছা রাখি বাই।
-- (লাইক চিহ্ন )
মুনা চ্যাট থেকে চলে গেল। আর ইফতি কয়েকটা রিফ্রেশ দিয়ে দেখলো সত্যিই কি চলে গেছে। যে মেয়ে তার সাথে কথা বলা ছাড়া রাতে ঘুমাতে পারতো না। আর এখনও দশদিন হয়নি বিয়ের এরই মধ্যে ঐ লোকটার জন্য তার ভেতর এত মায়া জন্মে গেল। একবছরের সম্পর্ক আজ তার কাছে বড়ই নগণ্য হয়ে গেল। একবারও সে ভাবলো না তার কথা। না ইফতি আর ভাবতে পারছে না। তার হৃদয়ের কোথায় যেন এক শূণ্যতা তৈরি হল। রাত ১২টা বাজে এখনও সে খাবার খায়নি। তার শরীরের রক্তপ্রবাহ প্রাণ বন্ধ হয়ে আসছে। এই মুর্হুতে তাকে কিছু খেতে হবে তবে সেটা কি শারিরিক নাকি হৃদয়ের ক্ষুধা সে বুঝতে পারছে না। টেবিলের উপর ল্যাব রিপোর্ট গুলো এলোমেলো ভাবে পড়ে আছে। অনেকগুলো লিখা এখনও বাকি। আজকের রাতের ভিতর সেগুলো লিখে শেষ করতে হবে কিন্তু এখন যে তার কলমই চলছে না। সে মনে মনে বলে, " না ইফতি এমন করলে হবে না তোমাকে শক্ত হতে হবে আরো। তোমার পবিরার তোমার ওপর নির্ভরশীল। " হঠাৎ তার বাবার কথা মনে পড়ে। গত সপ্তাহে যে রিপোর্ট গুলো করেছে সেগুলো তার কাছেই। সে ভাবে যেভাবেই হোক বাবার হাত থেকে রিপোর্ট গুলো দুরে রাখতে হবে। তা নাহলে সব শেষ হয়ে যাবে। তার চোখের কোণে পানি জমে গেছে। চোয়ারের পেছন থেকে গামছাটা নিয়ে চোখ দুইটি এমন ভাবে মুছতে থাকে যাতে রুমের কেউ বুঝতেই না পারে সে কাঁদতেছে। মনকে একটু শক্ত করে এমন সময়ে অস্ফুট স্বরে বের হয়ে আসে, " টাকা, হ্যাঁ অনেক টাকা লাগবে আমার " ( চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:৫৭
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দশ বছরের ব্লগিং—মিষ্টি মুখ হোক সবার

লিখেছেন কাওসার_সিদ্দিকী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৯

আজ আমার ব্লগিং যাত্রার দশ বছর দুই মাস পূর্ণ হলো। এই দীর্ঘ সময়ে পাঠকদের ভালোবাসা, মন্তব্য আর সমর্থন আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই আপনাদের সবার সাথে—তাই আজকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপেল নিয়ে যত গল্প পর্ব - ০১

লিখেছেন অধীতি, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১১

আপেল, আমাদের পরিচিত ফল সমুহের ভেতরে অন্যতম। দেখতে সুন্দর, খেতে মিষ্টি এই ফলটির আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে। আপেল এক অদ্ভুত ফল। বাসায় মেহমানকে আপ্যায়ন থেকে শুরু করে রোগী দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×