somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জানোয়ার গুলো শুধু পরিবর্তন হয়েছে, জানোয়ারের বদলে।

২৭ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১২:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা স্বাধীন হয়েছি বলে, আমাদের জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে, আমরা স্বাধীন বলে, আমরা আজ উন্নয়নশীল দেশের পথে, আমরা স্বাধীন বলে, আমরা নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করছি, আমরা ফ্লাইওভার করতে পারছি, আমরা বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি করছি। এরই নাম কি স্বাধীনতা। পাকিস্তান আমল থাকলেও আজ পাকিস্তান উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হত, পূর্বপাকিস্তানের জনগনের অবস্থান পরিবর্তন না হলেও বই পুস্তক, টকশোতে উন্নয়নশীল দেশ বলে আওরাইতাম। অথচ কেউ একবারও বলে না, আমরা স্বাধীন হয়েছি আমাদের অধিকার বুঝে নিতে গিয়ে, আমরা বৈষ্যম থেকে মুক্তি পেতে, আমাদের ভোটের অধিকার বুঝে নিতে, অন্যায়ের বিচার পেতে, বাক স্বাধীনতার জন্য, বেকারত্ব থেকে যুব সমাজকে মুক্ত করতে। আর আজ স্বাধীনতা দিবসে পেলাম, বিউটির লাশ। এটা শুধু একটা লাশ না, একটা অার্তনাদ, একটা চিৎকার, ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থা, ঘুনে ধরা রাজনীতির, রাজদলের নেতাদের চারিত্রিক সনদ। ঘুমোট ভীতির অন্ধকার অবস্থা। আমি ভাবতাম রাজাকাররা কিভাবে নারীদের ধর্ষন করেছে। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, একটা স্বাধীন দেশের সামান্য একটা রাজনৈতিক দলের কর্মী, নেতা খ্যাতাদের যদি স্বাধীন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থাকা অবস্থায় এমন ক্ষমতা, তবে যুদ্ধের মতো বিশৃঙ্খল অবস্থায় শাসক গোষ্ঠী কেমন বর্বরতা চালাতে পারে? ভেবে শিহরিত হই।
বিউটিদের মতো মেয়েরা যতদিন ধর্ষিত হয়ে বিচার না পায়, পুলিশি সহয়তা না পায় তবে এমন স্বাধীনতা দিয়ে আমি, আমরা কি করবো? মুক্তিযোদ্ধারা যখন নাতি নাতনি কোটা সনদ বিক্রি করে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয় তবে দেশটা স্বাধীন হয় কিভাবে? গুম হত্যায় যখন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সরাসরি যুক্ত তবে এমন পাকিস্তানি প্রেতাত্মা বাহিনীর কি দরকার। ন্যায়ের জন্য এখনও যদি রাজপথে নামতে হয় তবে পাকিস্তান আমল আর বাংলাদেশ আমলের মধ্যে পার্থক্য কই? আইনের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি যখন মৃত্যু ভয়ে পালায়ন তখন আমি স্বাধীন হলাম কবে? বন্দুকের নলে যখন কলম বন্ধ, তখন স্বাধীনতার অর্থই পাল্টে যায়। মুক্তি হয়েছি মোরা, তবে স্বাদ পাইনি,হাত বদল হয়েছে মাত্র। জানোয়ার গুলো শুধু পরিবর্তন হয়েছে, জানোয়ারের বদলে।
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে
.........................................................................



সেই জগতে আমার ছিলো আঁকিবুকি চকখড়িতে,
মন ভেসে যেত মেঘের ভেলায় সোনালী সেই দিনগুলিতে।
একটা সকাল, একটা বিকেল গোল্লাছুটের ধুলোবালি,
চিবুড়ি আর লুকোচুরি খেলা, স্মৃতির পাতা নয়কো খালি।

সুনীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×