7 বছর পর কি হবে তা জানিনা। কারণ এতে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ বা আসক্তি কোনটাই নেই। তবে আজকের এই আমি 7 বছর পর যে আমিতে পরিনত হব তাতে যাদের অবদান থাকছে তাদের মধ্যে তুই-ও নিশ্চয়ই একজন...। সে যত দিনের পরিচয়ই হোক না কেন। আমার (ঘনিষ্ঠ) বন্ধু সংখ্যা এখানে খুব কম, তেমনি শত্রু সংখ্যাও নগন্য। (আমার) এই এলোমেলো পথচলায় পরোক্ষ কোন পিছুটান ছিলনা, নেই। এইযে এইটুকু পথ এসে পড়িমড়ি করে যেটুকু অস্তিত্ব আমি দাঁড় করাতে পারলাম তাতে দুইজন লোকের সবচে' বেশি অবদান রয়েছে। এক- দাদা (যিনি স্বপ্নময়কে স্বাবলম্বী বানানোর চেষ্টা করেছিলেন), দ্বিতীয় জন আমার বড় ভাই (যার জন্য এখনো স্বপ্ন দেখি, চোখ বন্ধ করে শৈশবের সেই শিশির ভেজা ঘাসে এখনো হাঁটি)। বাকীদের (বন্ধুদের) কাছ থেকে সবসময় উৎসাহ পেয়েছি, পেয়েছি অ-নে-ক অভিজ্ঞতা আর হৃদয় নিংড়ানো সত্যিকারের ভালোবাসা। আমার এই জীবনের সবচে' বড় প্রাপ্তি ওরাই। বর্ণিল এই বিচিত্র জীবনে সবচে' বিচিত্র ওদের সবুজ আর সতেজ উপস্থিতি।
মাঝে মাঝে ভাবি- আমি কেন এত রূক্ষ হলাম। অথচ আমি কিন্তু কখনোই রূক্ষ হবার চেষ্টা করিনি/ করিনা। যেটুকু দেখেছিস সেটুকু আমার নিয়তি। আমার নিয়তিটাই এমন...। চাওয়া জিনিস পেয়েও হারানোর বেদনা কতটুকু তা আমি জানি...!
দেয়ার ইজ নো ওয়েট, নো পেইন...। কোন অপেক্ষা নেই, কোন কষ্টও নেই। জীবনের সবচে' যে জিনিসটি আমি সহ্য করতে পারি না তা হচ্ছে কারো জন্য অপেক্ষা করা...। আমি সবচে' ফালতু একজন ধৈযর্্যহীন মানুষ।
অনেককেই বলেছি- আমি এই জীবনে কারো কাছে কখনো ক্ষমা চাইনি। কাউকে ক্ষমাও করিনি। তবুও ক্ষমার কাছাকাছি অনেক কিছুই মানব সভ্যতায় প্রচলিত আছে। সেরকম কিছু যদি থেকে থাকে আমি তোর কাছে তা চেয়ে নিচ্ছি। আশা করছি- বুঝতে পারছিস।
গান শুনছি...। "আমার ভালোবাসার তানপুরাতে সুর'যে বাজেনা, আজ মনের মাঝে রঙিন আশা- রঙে সাজে না... ... ... আজ তারার আকাশে নেইকো তারা, চাঁদে শুধুই অন্ধকার... "। হুম... ডিফারেন্ট টার্চ এর গান। ভালো গান। আগে ভালো লাগতো না, এখন লাগে।
রাত বেশি হয়নি। মাত্র- 1:46। লেখাটা শেষ করতে করতে 2:30 বাজতে পারে। এখন তাড়াতাড়ি ঘুমানোর চেষ্টা করছি। ফোনেও কোন ডিষ্টার্বনেস নেই। কারণ ফোন গত 7 দিন থেকে ডেড। ঠিক করার কোন তাড়া নেই। যদিও দাদি ইজি কাজে বিজি থাকে। ভাবছি রুমে আর ফোন লাইন রাখবো না। কোথাও ফোন করিনা। যে দুয়েকটা করি তা কাজের খাতিরে আর বন্ধুদের কাছে। অথচ বিল আসছে প্রতি মাসে প্রায় 900 টাকা গড়ে। এখন কমবে। যদিও আমি এদিকে দানশীলতার দিক থেকে হাজি মোহাম্মদ মোহসিন এর কাছাকাছি চলে এসেছি। মুখে না বললেও চেনা-অচেনারা ফ্রি সার্ভিস মনে করে ফোনতো করেই...উপরি হিসেবে এই মিসকিনের ঘরে যে দুয়েকটা হাতুড়ে যন্ত্রপাতি ছিল তাও নিজের মনে করে নিয়ে যাচ্ছে। ভাবে না নিলেই বুঝি আমি মাইন্ড করবো...!
এতক্ষন শুধু শুধু বক্বক্ করলাম। অনেককিছুই লিখে ফেললাম যার দাম আমা' ব্যতিত পৃথিবীর অন্য কারো কাছে তেমন গুরত্বপূর্ণ নয়। কিভাবে যে, দিনগুলো এই ভাবে- এক রঙে চলে যাচ্ছে ভাবলে আশ্চার্য লাগে...। কিভাবে চলে যাচ্ছে...?
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



