somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের সকল মহাসড়কে রোড-ডিভাইডার দেয়া হোক।

১৪ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশের সকল মহাসড়কে রোড-ডিভাইডার দেয়া হোক। এতে অন্তত মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হবে, ওভারটেকিং-এ ঝুঁকি কমবে। মহাসড়কে ডিভাইডার দিলে যানজট বাড়বে, যান-বাহনের স্বাভাবিক গতি কমে আসবে, গন্তব্যে পৌছাতে অনেক বেশি সময় লাগবে, কিন্তু আমরা অন্তত আপনজন হারানো থেকে রক্ষা পাবো। সড়ক-দূর্ঘটনা কমানোর সবচেয়ে দ্রুত, সবচেয়ে কম খরচের সমাধান আমার কাছে মনে হয় এই রোড-ডিভাইডার। এর প্রমান হলো গাবতলী থেকে সাভার পর্যন্ত সড়কে ডিভাইডার স্থাপনের পর দূর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। ডিভাইডার স্থাপনের পরবর্তী পদক্ষেপ হওয়া উচিৎ রাস্তা চওড়া করা এবং লেন বাড়ানো, অযান্ত্রিক যানবাহ ও পথচারীদের জন্য আলাদা লেন করা।

আমাদের দেশে সড়ক-দূর্ঘনায় সবচেয়ে বেশি মারা পড়ে পথচারী, বিশেষ করে রাস্তা পার হবার সময়। এক্ষেত্রে আমার মনে হয় পথচারীদের নিজেদের সচেতনতা সবচেয়ে বেশি জরুরী। যেখানে-সেখানে রাস্তা পার হবার চেস্টা না করা, বিশেষ করে রাস্তা পার হবার সময় তাড়াহুড়া না করাটা খুবই জরুরী। আমাদের দেশে কাউকে অনেক সাবধানে, অনেক সময় নিয়ে রাস্তা পার হতে দেখলে রীতিমতো কটাক্ষ করা হয়, এই ধরনের মানসিকতা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা দরকার।

আর বাস ও ট্রাক চালকদের ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার দেখিনা। স্রেফ অমানুষ ওরা। ছোট থেকে খুব বাজে পরিবেশে, খেয়ে না খেয়ে বেড়ে ওঠে ওরা। বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ। জীবনের মূল্যবোধ তাদের কাছে নেই বললেই চলে। একজন পথচারী তাদের গাড়ীর তলায় পড়ে মারা গেলে কিছুই যায়না আসেনা তাদের, কোন অনুশোচনাও মনে হয় হয়না। শুনেছি পথচারী মরলে সর্বোচ্চ সাজা তিন বছর, তাও আবার জামিনযোগ্য অপরাধ এটা, যা কোন ব্যাপারইনা চালকদের কাছে। তাই ওদের কাছে আমরা কখনই নিরাপদ থাকবোনা রাস্তায়। অন্যদিকে অমানুষিক পরিশ্রমও করানো হয় চালকদের দিয়ে, নূন্যতম বিশ্রামও ওরা পায়না গাড়ি চালিয়ে। এই অরাজক অবস্থায় দেশে যা সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে, পরিস্তিতির তুলনায় তা বরং কমই বলা চলে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৩:২৫
৭টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অধঃপতন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৪৪



কারিনা কায়সার এখন জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন। একটা তরুণ মেয়ে। বয়স ত্রিশের আশেপাশে। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আরেকটা বড় পরিচয় হলো তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শততম পোস্টে আমিই একমাত্র ব্লগার

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১২ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:৩৫

আমার শততম পোস্টে আজ আমিই একমাত্র ব্লগার। জানালা দিয়ে পশ্চিমের স্বচ্ছ আকাশে শুকতারা দেখছি।
নিউইয়র্ক সময় অনুযায়ী এখানে রাত ১০.৪৬ মিনিট, তারিখ ১১ই মে ২০২৬
তাপমাত্রা +৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস
বাংলাদেশ তারিখ ১২ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×