মরা মানুষকে আবার বাঁচিয়ে তোলা খুব একটা কঠিন কাজ বলে আমার মনে হয়না। হয়ত খুব শিগ্যিরই বিজ্ঞান বিষয়টা আবিষ্কার করে ফেলবে। হয়ত কোরামিন ফোরামিন টাইপ নামের কোন একটা ইঞ্জেকশন পাওয়া যাবে। যার কাজ হবে, ঘুমিয়ে যাওয়া কোষগুলাকে আবার একটা সিগনাল পাঠানো, জাগো বাহে...।
আমার ধারণা এই রিসার্চের গতি পাবে যদি ডায়বেটিসের ঔষধ বের হয়, এর পরপর। কারন ডায়বেটিসে অগ্নাশয় আংশিক বা পুরাপুরিভাবে কাজ করা বন্ধ হয়ে যায়। আমি প্রায়ই ভাবি, এমন কি কোন হরমোন আবিস্কার হতে পারেনা, যার কাজ হবে কাজ না করা কোষগুলাকে গিয়ে বলা, ঐ ব্যাটা কাজ না করে বসে আছিস কেন! ইনুসুলিন তৈরী করায় হাত লাগা! ব্যাস, সিম্পল একটা সমাধান। আর একই পথে হয়ত বের হয়ে আসবে সদ্যমৃতকে আবার প্রাণ দেওয়া।
দেখা গেলো, আমিও মারা গেলাম, এর কিছুদিন পরই বিষয়টা আবিষ্কার হয়ে গেলো। প্রিয় তখন ডাক্তারের টুটি চেপে ধরে সিনেমার মত করে বলবো, ডাক্তার কয়দিন আগে কেন এইটা বের করতে পারলা না! তুমি জানো আমি কারে হারাইছি? বন্ধুর মত বাপরে হারাইছি ডাক্তার, বন্ধুর মত বাপরে...।
আগে যা বললাম, দেখলাম তা শেষ, তারে আর দেখা যাবে না, শোনা যাবে না ধরা হ'তো। গ্রামোফোন আবিষ্কারের পর দেখা গেলো, যা বলি তা আবার পরে শুনাও যায়! ক্যামেরা আবিষ্কারের পর দেখা গেলো যা দেখি, তা আবার পরে দেখাও যায়!
ম্যালেরিয়া, কলেরা এইগুলা মহামারী আকারে ছড়ায়ে পড়তো। কোন চিকিৎসা ছিলোনা। এখন এইগুলা কোন রোগই না। উল্টা আরো বলি, আয়হায় এত সামান্য কারনে মানুষ মারা যাইতো! হয়ত কয়েক বছর পরেই মানুষজন বলবে, আগে মানুষ মারা গেলে তারে বাঁচানো যাইতো না?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




