কিছুদিন আগে পত্রিকার অনেকগুলো শিরোনামে এসেছিলো যে, সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসিমা বাড়ছে!!! আজ আবার মন্ত্রী মহোদয় ঘোষণা দিয়েছেন, সম্পূর্ণযুক্তিহীন সেই তথ্য। সরকারী চাকুরীতে বয়সসীমা বাড়ছে না!?
হুম স্যালুট বস।
চাকুরীর বয়স বাড়ানোর দরকার নাই।তার চেয়ে বিষের দাম কমাইয়া দেন।আমলা মন্ত্রীদের বেতন চারগুণ করে দিন।মুক্তিযোদ্ধাদের নাতির পরে সেই নাতিদের নাতিরও চাকুরীর কোটা করুন।আমরা যারা শিক্ষিত নির্বোধ বেকার তারা শুধু এইটুকুই মিনতি করছি বিষের দাম যেন সবসময় ই বেকারদের জন্য একটু কম থাকে।তাহলেই আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। অন্তত গর্ব করেতো বলতে পারবো-----
দেশ আমাকে দেয়নি কিছু, কৃপণতাও করেনি বিষে,
আমি গর্বীত , জন্মেছি এই দেশে।
আমাদের দেশে চাকুরীর বাজারে যেখানে সম-অধিকার প্রয়োগ হয়না। সেখানে চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর এহেন কু-প্রস্তাব অবাস্তব।আব্বারা দাদারা যুদ্ধ করেছেন দেশপ্রেম থেকে ... তারা দেশের জন্য যা করেছেন তা নিশ্চয়ই কোনো কিছুর তুল্য নয়.... তাদের ত্যাগের জন্য তাদেরকে সম্মানিত করা উচিত নিশ্চয়ই তাদের ছেলেমেয়ে, নাতিপতি কে নয়! তাহলে আমরাই বা কি অপরাধ করেছি, মহান আল্লাহর কাছে কি জন্ম নেয়ার টাইম টা এগিয়ে নিয়ে আবেদন করে জন্মের দিনহ্মণ এগিয়ে যুদ্ধের আগে জন্ম নিতাম।
তাহলে কি মহান মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধই করেছিলেন বাঙ্গালি জাতিকে শত্রুমুক্ত করতে নাকি বাঙ্গালী জাতীর অধিকার কেড়ে নিতে? প্রশ্নটা আমাকে ভাবিয়েছে অনেক!?
নতুন নতুন অর্থবছরে নতুন নতুন বেতন স্কেল। হু করে বাড়ছে সরকারী চাকুরীজীবীদের আসনের দাম। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘুষের লাগামহীন দৌরাত্ন। সরকার কি আসলেই বুঝছে না কিছুই, নাকি বুঝেও না বোঝার ভান করে আছে।
জাতির বিবেক কোথায়!?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



