somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হতাশার কিছু কারন, আসুন জানি

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হতাশায় অনেক মানুষ আছে, কিন্তু কেন? সেখানে অনেক কারন হতে পারে কিন্তু প্রধান সমস্যা হতে পারে,

ভালবাসা
টাকা
একাকী জীবন
সমস্ত জিনিস লাভ
কাজের চাপ

এখন আমি তাদের সম্পর্কে কিছু আলোচনা করার চেষ্টা.

ভালোবাসা: অধিকাংশ মানুষ প্রেমে আত্মসমর্পণ করে. ভালবাসার এই পর্যায়ে তারা অনেক ভাল সময় কাটায়, তারা একে অপরের প্রেমে ডুবে থাকে কিন্তু কিছু সময় পরে তারা বুঝতে পারে যে তাকে আগের মত গুরত্ব প্রদান করা হয় না যেমন টা আগে দেয়া হত. তারপর সমস্যা বৃদ্ধি. এই হতাশা এবং মন আছে অবনমিত মন ঘুরে যাচ্ছে এর পর ই হতাসা তাকে গ্রাস করে নেয়।

অর্থ: দ্বিতীয় সাধারণ কিন্তু বড় সমস্যা হল টাকা. হ্যাঁ, টাকা ! অনেক মানুষের অনেক টাকা আছে কিন্তু সমস্যা হয় যখন তারা আরো এবং আরো টাকা তারা উপার্জন করতে থাকে। কারন তারা এর পর চিন্তা করতে থাকে যে এত টাকা দিয়ে তারা কি করবে? আমরা জানি অর্থনীতিতে বলা আছে যে সব মানুষের সীমাহীন চাহিদা আছে কিন্তু তারা তাদের চাহিদা থেকে বেশি কিনে না কারন আপনি কম দাম পেলে ১ কেজি আপেল কিনবেন কিন্তু ১০০ কেজি তো আর কিনবেন না? তাই অতিরিক্ত টাকা নিয়ে মাঝে মাঝে মানুষ হতাসায় ভুগে।

একাকী জীবন: যেখানে ভালবাসা আছে সেখানেই আছে একাকীত্ব। মানুষ অবশ্যই একা বাস করতে পারে না। যদি কথা বলার জন্য কেউ নাই থাকে তবে কথা না বলে মানুষ পাগল হয়ে যাবে। প্রতিটা মানুষ তার একজন সঙ্গি খুজে নেয় কিন্তু নিতান্ত ভাগ্য খারাপ হলে যা হয়, ধর্ম নিয়ে বললে এটা খারাপ দৃষ্টিতে দেখা হবে কিন্তু আমার যেটা মনে হয় সবারই একজন থাকা উচিৎ যে তাকে বুঝে আর সময় দেয়।

কাজের চাপ: মানুষ কাজ করতে ভালবাসে জানি কিন্তু কিছু কিছু সময় তার কাজ তাকে কুরে কুরে খায় কারন অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভাল না। যখন অধিক টাকা উপার্জনের আসায় বেশি কাজ নিয়ে নেয় তখন তার ভিতর বিরক্তি চলে আসে। একটা কথা অবশ্যই জানেন মানুষের স্বভাব হচ্ছে অল্প পরিশ্রম কিন্তু অধিক মুনাফা। যখন এটার ভিতর বিতৃষ্ণা চলে আসে তখন তার ভিতর বিসন্নতা চলে আসে।

সমস্ত জিনিস লাভ: আমি জানি আপনি ভাবছেন এটা কি বললাম কিন্তু আপনি একবার ভেবে দেখেন যখন একজন মানুষের সব চাওা পাওা শেষ হয়ে জায় তখন তার আর কিবা চাওার থাকে। একজন মানুষ কেন বেঁচে থাকে? কারন সে অজানা কে জানতে চায় না দেখা কে দেখতে চায়। সবই যদি দেখা এবং চাওা শেষ হয়ে যায় তবে শেষে একটা জিনিসের আশা করে আর সেটা হচ্ছে মৃত্যু। খুব বেশি বলা হবে না যদি বলি যে বেশির ভাগ মানুষ শুধুমাত্র এই কারনে আত্মহত্যা করে।

মুল কথা হচ্ছে আপনি তখন ই হতাশায় ভুগবেন যখন আপনার কাঙ্ক্ষিত বস্তু তি আপনার কাছে না আসে। আর আপনি কেন ভুলে যান যে আপনি সৃষ্টির সেরা জীব। আপনার কাছে সেই জিনিস টা আছে যেটা কারো কাছে নাই ... সেটা হচ্ছে আপনার বিবেক। আর যে মানুষ যত বেশি তার বিবেক কে কাজে লাগাতে পারে আর মাঝে হতাশা থাকবে না।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×