somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডিজিটাল নকলে বাধা দেয়ায় শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার পর পা তুললেন ছাত্র

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে 'না' বলায় শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার পরও ক্ষান্ত হননি তাপস । প্রেমিকার বোনকে সহায়তা বলতে কথা। জানের জানকে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দিতে তাই তার ছেড়া হলেন তাসাদ্দুক। তেড়ে আসল গাছের ডাল নিয়ে সোনার ছেলেরা। প্রিন্সিপাল ও ভাইস প্রিন্সিপাল তামাশা দেখলেন...............।।

এবার শুনুন পুরো ঘটনা.....।........।..।..।..।..।..।...।

অনার্স ভর্তি পরীক্ষার হলে এক আত্মীয়কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়ায় কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তোসাদ্দক হোসেন তাপস দর্শন বিভাগের প্রভাষক সাদাকাত হোসেনকে অধ্যক্ষসহ অন্যান্য শিক্ষকের সামনে বেধড়ক পিটিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে জরুরি সভা করেছেন। বিকেল ৪টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সভা চলছিল। শুক্রবার ছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। একাডেমিক ভবনের ২১২ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বরত দর্শন বিভাগের প্রভাষক সাদাকাত হোসেন একজন ছাত্রীকে পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেন। এ খবর পেয়ে তার আত্মীয় ছাত্রলীগের কলেজ শাখা সভাপতি তোসাদ্দক হোসেন তাপস ওই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে কক্ষে আটিকয়ে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে অধ্যক্ষসহ অন্য শিক্ষকরা তাঁকে উদ্ধার করে অফিসকক্ষে নিয়ে যাওয়ার সময় তাপস এবং তার সহযোগীরা ওই শিক্ষককে লাথি-ঘুষিসহ বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ ঘটনায় শিক্ষকরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আইয়ুব আলী মারধরের কথা অস্বীকার করে জানান, ওই শিক্ষকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছে। পরে ঘটনাটি মীমাংসা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিহা খাতুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কালের কন্ঠ, শনিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০১১

২য় রিপোর্ট

শিক্ষককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি তোসাদ্দক হোসেন কলেজের প্রভাষক সাদাকাত হোসেনকে গত শুক্রবার মারধর করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা বৈঠক করে তোসাদ্দককে গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে ওই দিন সন্ধ্যায় স্মারকলিপি দিয়েছেন।
কলেজের শিক্ষক ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ছিল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। কলেজের ২১২ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্বরত দর্শন বিভাগের প্রভাষক সাদাকাত হোসেন একজন ছাত্রীকে পরীক্ষার হলে মুঠোফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করেন। এ খবর পেয়ে ওই ছাত্রীর আত্মীয় ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সভাপতি তোসাদ্দক হোসেন কলেজে যান। পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষক কক্ষ থেকে বের হলে তোসাদ্দক তাঁকে লাঞ্ছিত করে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখেন।
খবর পেয়ে অধ্যক্ষসহ অন্য শিক্ষকেরা পুলিশের সহায়তায় শিক্ষক সাদাকাত হোসেনকে উদ্ধার করে অফিস কক্ষে নিয়ে আসার সময় তোসাদ্দক ও তাঁর সহযোগীরা ওই শিক্ষককে (পা দিয়ে) লাথি ও ঘুষি মারেন। এ ঘটনায় উপস্থিত সবাই হতভম্ব হয়ে পড়েন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তোসাদ্দককে পাওয়া যায়নি। তবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আইয়ুব আলী বলেন, ওই শিক্ষককে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি মীমাংসা করা হবে।
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সাবিহা খাতুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে স্মারকলিপি দিয়েছি।’
প্রথম আলো তারিখ: ২৫-১২-২০১১

সর্বশেষঃ এব্যাপারে থানায় মামলা দেয়া হলেও তা আজও নথিভুক্ত করা হয়নি। প্রিন্সিপাল সাবিহা খাতুন মুখে ব্যাবস্থা নেয়ার কথা বললেও তিনি ঐ ছত্রের বিরুদ্ধে মামলা চালাতে চান না। এমনকি শিক্ষক লাঞ্ছিত করার বিরুদ্ধে মৌন মিছিল করা, কালো ব্যাজ ধারন ও ক্লাস বর্জন করার কর্মসূচীও তার অনিহার কারণে সম্ভব হচ্ছেনা। সাধারণ শিক্ষকরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাদের অভিযোগ, এসব ছাত্রদের অতি মাত্রায় আস্কারা দেয়ায় তারা মাথায় উঠেছে। ঐ অধ্যক্ষ আসার পর এমনিতেই এখানকার পড়াশুনার অবস্থা ভালো না, তাতে আবার শিক্ষক লাঞ্ছিত করায় ক্লাস নেয়ার মনোবল হারিয়ে ফেলেছেন।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫১
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×