somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সীমান্ত প্রধান
যতবার মানুষ হওয়ার চেষ্টা করেছি, ততবারই পুরুষ হয়ে উঠি। তুই শালা একটা ‌‘পুরুষ’ শব্দটি সম্ভবত পৃথিবীর নিকৃষ্ট একটা গালিতে রূপান্তরিত হবে। পুরুষ হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই, আমি লজ্জিত, সত্যি লজ্জিত যে আজও মানুষ হতে পারিনি।

তবে কি সংখ্যালঘুদের এভাবেই পিটিয়ে হত্যা করা হবে?

২০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারত সহিষ্ণুতার প্রতীক! উদার গণতান্ত্রিক দেশ! সেখানে কোন ধরণের অ-সহিষ্ণুতা নেই! কোন সংখ্যালঘুকে সেখানে পিটিয়ে খুন করা হয় না! একমাত্র বাংলাদেশেই সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়! এমনটা প্রায় শুনি আমাদের ভারতীয় বন্ধু মুক্তমনাদের মুখে।

মনে আছে তুলসী রাণীর কথা? কিংবা বিশ্বজিৎ? এই দুইটি ঘটনায় বাংলাদেশের মানুষগুলো কতটা প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেছিল ভারতীয় বন্ধুরা আপনাদের সে কথা মনে আছে কি?

অথচ আপনাদের (ভারতীয় বন্ধু) দেশে কি পরিমাণের সংখ্যালঘু নির্যাতন সে কি জানা আছে? আর কই, আপনাদের তো দেখতে পাই না সেসব সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠতে! হয় তো এখন বলবেন, এতো বড় দেশ, দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই পারে!

স্যরি ভাই। এসব ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন বলবেন না। এসব ঘটনা ধর্মীয় উগ্রতা। প্রভাব। সংখ্যালঘুদের উপর সব দেশেই নির্যাতন চালায়। এসব অস্বীকার করার অধিকার আমাদের নেই। হোক সে মুসলিম, হোক সে হিন্দু। তাই বলে নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করতে হবে!?

এই তো কয়েক মাস আগে গরুর মাংসের গুজব ছড়িয়ে ভারতের উত্তর প্রদেশের দাদরিতে এক মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আর এবার দুই মুসলিম গরু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হলো। অপরাধ, তারা গরু কেনো বিক্রি করতে নিয়ে যাচ্ছিলো!

তবে হাস্যকর বিষয় কি জানেন? যে দেশে গরুকে রাষ্ট্রমাতার স্বীকৃতির দাবীতে ৮ জন বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে, সে দেশের মানুষ উগ্রতায় যে অন্যসব দেশকে ছাড়িয়ে যাবে এটা এখন অনেকটাই স্পষ্ট। আপনাদের কি মনে হয়?

তাই বলছি, এসব ঘটনাকে বাড়তে দিয়েন না। এখনই সময়, এসব উগ্রতা, পাগলামি বন্ধ করা। নয় তো এমন একদিন আসবে, মুক্তবুদ্ধির চর্চা করার অপরাধে এরাই আপনার বুকে দুর্গা বা কালি অথবা হনুমান হয়ে ত্রিশূল বিধিয়ে দিবে।

আপনার যদি সত্যি মুক্তমনা হয়ে থাকেন। আপনারা যদি সত্যি বৈষম্যহীন একটি সমাজ আশা করে থাকেন। তবে বলব আপনাদের এবং আমাদের উদ্দেশ্য একই সুতোয় গাঁথা। তাই আসুন, দেশ নয়, গোত্র নয়-যেখানে অন্যায় সেখানেই গড়ে তুলি প্রতিরোধ। আর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বলি জয় হোক মানবতার।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:০৫
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×