পাশের ডেস্কের এক দাদা জ্বীনের হাত ধরার গল্প করছে।
এক জ্বীনওয়ালা তাকে অন্ধকার ঘরে নিয়ে জ্বীনের লোমশ হাত ধরার অভিজ্ঞতা দিয়েছে। উনি নাকি জ্বীনকে পাশের একটা আম গাছের ডাল ভেঙ্গে দিতে বলাতে জ্বীন সেই গাছের ডালও ভেঙ্গে দিয়েছে।
- তো আপনার বাড়ির কাজ কেমন চলছে?
প্রসঙ্গ পরিবর্তন করলাম। উনি বাড়ির কাজের কন্ট্রাকটরের সাথে প্রতিদিন চিল্লাচিল্লি করেন, হয় কাম করেনা, নয়তো টাকা বেশী নেয়, ইত্যাদি।
--- আর বইলেন না, যন্ত্রনার একশেষ। টাকাও যায়, কাজও করে না...
এবার আগের প্রসঙ্গে গেলাম।
- তো ঐ জ্বীন আম গাছের কত মোটা ডাল ভেঙ্গেছে? দেখেছেন?
--- হুমম (জোড় দিয়ে), ইয়া মোটা। (মোটামুটি একটা গাছের গুড়ির সাইজ দেখালো)
- ঐ জ্বীন যদি এতো মোটা গাছের ডাল মুহুর্তের মধ্যে ভেঙ্গে দিতে পারে, তাহলেতো ভারী জিনিস বহনও করতে পারবে, অন্যান্য কাজও করতে পারবে, তাই না?
--- অবশ্যই, অবশ্যই পারবে।
-তাহলে প্রতিদিন কনট্রাক্টরের সাথে এতো গালাগালি চিল্লাচিল্লি না করে ঐ জ্বীনকেই কাজটা দিয়ে দেন না কেনো? পারলে মজুরী নিয়ে দরদাম করে দেখেন-খরচ কিছু কমানো যায় কি-না।
(কিছুক্ষণ চিন্তা করে)
--- আপনে তো খুব পেচাইল্লা মানুষ!!! কেন্ আপনি কি জ্বীন বিশ্বাস করেন না? আপনাদের ধর্মেই তো আছে।
- হুম বিশ্বাস করি। তয়, জ্বীন আমার লগে ডাংগুলি আর হা-ডু-ডু খেলতে আসবে, সেটাতো বিশ্বাস করি না।
--- হায় হায়, আপনি এসব বিশ্বাস করেন না? চলেন আপনাকে হাতে নাতে প্রমাণ দেখাবো।
- তার চেয়ে বরং এক কাজ করেন, ঐ জ্বীনকে বলেন, আপনার এক সহকর্মী এসব বিশ্বাস করে না। তাই শাস্তি দিয়ে বিশ্বাস করানোর জন্য কয়দিন আমার ঘাড়ে এসে যেনো চেপে বসে।
আসতে পারবে তো? বেশী দূর তো না। আসতে বইলেন।
অপেক্ষায় আছি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



