
যদি দেশের সকল বাড়ির ছাদগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ছাদ বাগানের আওতায় আনা যায় তবে এটি যেমন পরিবেশ সুরক্ষার জন্য সহায়ক হবে তেমনি এটি অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক হবে। ফুল এবং ফলজ বৃক্ষের পাশাপাশি শাকসবজি চাষ করে পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় করাও সম্ভব অনায়াসেই। সাধারণত দু'টি পদ্ধতিতে ছাদ বাগান করা যায়। এর একটি হচ্ছে- কাঠ বা লোহার ফ্রেমে বেড তৈরি করে, এক্ষেত্রে ছাদেও কার্নিশ ঘেঁষে বা আলাদা ফ্রেম করেও করা যায়। অন্যটি হচ্ছে- টব, ড্রাম, কন্টেইনার বা পটে করে।
আমি অবশ্যই আমার ছাদবাগানের জন্য শেষ পদ্ধতিটাকেই বেছে নিয়েছি। বছরখানেক হলো শুরু করেছি ছাদবাগান প্রকল্পটি। বাড়ির ছাদে টব আর বিভিন্ন ধরনের কন্টেইনার ও পটপাত্রে করে বিভিন্ন প্রজাতির ফল এবং সবজির একটি বাগান গড়ে তুলেছি। জীবন বাঁচানোর জন্য যে পরিবেশের প্রয়োজন সেটা হারিয়ে যাচ্ছে, আর মূলত এ কারণেই আমার ছাদবাগানের এ ছোট্ট উদ্যোগ। আমার ছাদবাগানে ডালিম, পাঁচ প্রজাতির আম, বারি চায়না মাল্টা, বারি চায়না কমলা, ড্রাগন, আমলকী, আমড়া, কামরাঙা, সফেদা, চেরি, লাল প্রজাতির আঙুর, ভিয়েতনামি পেয়ারা, দেশি পেয়ারা, মিষ্টি কূল, জামরুল, লিচু, নারিকেল, জাম্বুরা, আতাফলসহ সিডল্যাস লেবু, লং, স্যুপপাতা, কাঁচামরিচ, ঢেঁড়স, বেগুন, মিষ্টি লাউ, ধনিয়াপাতা, টমেটো, পুঁইশাকসহ বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি রয়েছে।
ছাদে যদি আমরা বাগান করি তাহলে আমাদের পরিবেশ কিছুটা হলেও রক্ষা পাবে। আমি নগর কিংবা মফস্বলবাসী এবং সচেতন মানুষকে বলতে চাই- তারাও যাতে ছাদ এবং বারান্দাসহ খালি জায়গাটুকুতে বাগান করতে যাতে এগিয়ে আসেন। জীবনের জন্য প্রকৃতি এবং এটিকে সংরক্ষণ করা খুবই জরুরি। এটি পরিবেশ রক্ষায় বড় রকম ভূমিকা রাখবে। আশা করি এই ব্যাপারে সবাই সচেতন হবেন।
আমার ছাদবাগানের ফলজ বৃক্ষ ও ফলের ছবি সবার সাথে শেয়ার করলাম-
১)

২)

৩)

৪)

৫)

৬)

৭)

৮)

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



