ছেলেদের ডানপাশে মেয়েদের বামে:
কাজে কর্মে অধিকাংশই ডান হাত ব্যবহার করে। জামার বোতাম ডানপাশে এবং ছিদ্রটি বাঁদিকে থাকায় লাগানো যায় বেশ সহজে। ছেলেদের জামার বোতাম ডানে হলেও, মেয়েদেরটা কিন্তু বামে।
কারণ, প্রথম যখন বোতাম আবিষ্কার হয়, এটি ছিল বেশ মূল্যবান এবং একমাত্র অবস্থাসম্পন্ন কারও বোতাম লাগানো জামা পরা সম্ভব ছিল। এদিকে আবার ওই সময়ে অবস্থাসম্পন্ন বাড়ির মেয়েরা জামা নিজের হাতে পরতেন না। পরিচারিকা পরিয়ে দিত। যেহেতু পরিচারিকা মেয়েটির সামনে দাঁড়িয়ে জামার বোতাম লাগাত তাই পরিচারিকার সুবিধার জন্য জামার বোতাম থাকত বামে। সেই রেওয়াজটি এখনও রয়ে গেছে।
গ্লাস ঠোকাঠুকি:
কোন উৎসবে পানের আগে গ্লাস ঠোকাঠুকির দৃশ্যের অবতারণা টিভি ও চলচ্চিত্রের পর্দায় আমরা হর-হামেশা দেখি। আর আমাদের সমাজে যারা পানে অভ্যস্ত তাঁরা তো এটি নিজেরাই করেন। কিন্তু কেন করেন? একটি প্রাচীন বিশ্বাস থেকেই করেন। সেই প্রাচীন কাল থেকে ভাবা হয় কোন উৎসব মানেই শয়তানের উপস্থিতি। উৎসবের নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং একে আনন্দমুখর করতে শয়তানকে তাড়ানো হয়। খ্রিস্টিয় বিশ্বাস থেকে শয়তান তাড়াতে চার্চে ঘণ্টা বাজাতে হয়। ঘণ্টাধ্বনির প্রতিরূপ শব্দ সৃষ্টির মাধ্যমে শয়তান তাড়াতেই গ্লাস ঠোকাঠুকি ।
:কনে সর্বদা বরের বামে
আমরা সবাই লক্ষ করে থাকব কনে সর্বদা বরের বামে থাকে। এমনকী বিয়ের পরও অধিকাংশ ক্ষেত্রে সচেতন বা স্বাভাবসিদ্ধ নিয়মমত বৌ স্বামীর বামে দাঁড়ান। বসেন, ছবি তোলেন, আরও কত কী। কখনও বা মনে প্রশ্ন জাগে কনে সর্বদাই বরের বাম পাশে কেন? কারণটি মজার। প্রথাটি চালু হয়েছিল সেই যুগে, যখন শক্তিমানকে পুজো করত মানুষ। বীরের ছিল আলাদা মর্যাদা। জোর যার মুল্লুক তার অনেকটা এমন ছিল সামাজিক কাঠামো। তখন বর পাশের গ্রাম বা রাজ্য হতে তার পছন্দনীয় পাত্রীকে বা কনেকে তুলে আনতেন বা অনেকটা জোর করে বিয়ে করতেন। এমন প্রায়ই হত বৌ নিয়ে নিজের বাড়ি ফিরবার পথে কনের রূপমুগ্ধ অন্য কারও দ্বারা বা কনের আত্মীয়-পরিজনের হামলার মুখোমুখি হতে হত। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বর কনেকে রাখত বামে আর ডান হাত রাখত কোমরে রাখা তলোয়ারের উপর ।
পেন্সিল কেন ষড়ভুজ:
অধিকাংশ পেন্সিলের বাইরের গঠন ষড়ভুজাকার, গোল নয়; কারণ ষড়ভুজাকার পেন্সিলের প্রস্তুত খরচ গোলাকার-এর তুলনায় কম। একই পরিমাণ কাঠে ষড়ভুজাকার পেন্সিল প্রস্তুত করা যায় ৯টি, অথচ গোলাকার পেন্সিল হয় ৮টি। এ ছাড়াও ষড়ভুজাকার পেন্সিল টেবিলে গড়ায় কম ।
আকাশ কেন নীল:
রং ধনুর যত রং সবটাই রয়েছে সূর্যরশ্মিতে। এই সূর্যের আলো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে পৃথিবীমুখী হয় তখন গ্যাস কণা এবং অন্যসব উপাদান এদের রং ছড়ায়। যে রঙের ওয়েভলেংথ যত কম সেটি তত দ্রুত এবং সহজে ছড়ায়। যেহেতু সূর্যের আলোস্থিত রং সমূহের মধ্যে নীলের ওয়েভলেংথ সবচেয়ে কম এটিই দ্রুত ও সহজে ছড়ায়, তাই আমরা আকাশ নীল দেখি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


