মানবতার বীরশ্রেষ্ঠ এক শিক্ষক মাহেরিন চৌধুরী। নিজে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে বাঁচিয়ে গেছেন স্কুলের সন্তানতুল্য কচি কচি শিশুকে। মায়ের মতো মমতা ও শিক্ষকের দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। মাহেরিনও অগ্নিদগ্ধ হন। কিন্তু তিনি ওই অবস্থায় নিজে সেখান থেকে বের না হয়ে এসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রচণ্ড ধোঁয়া ও আগুনে আটকা পড়া বাচ্চাদের একের পর এক উদ্ধার করছিলেন। একপর্যায়ে তার গায়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
সবাই প্রাণ রক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছিলেন, ঠিক তখন নিজের মৃত্যুঝুঁকি উপেক্ষা করে নিষ্পাপ শিশু শিক্ষার্থীদের আগুনের ভেতর থেকে বের করায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি। তার প্রচেষ্টায় অন্তত ২০টি শিশু সেখান থেকে উদ্ধার হলেও ততক্ষণে নিজে প্রায় শতভাগ দগ্ধ হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসার একপর্যায়ে চলে যান দুনিয়া ছেড়ে। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি শিক্ষকের সুমহান দায়িত্ব, কর্তব্যবোধ ও আত্মত্যাগের অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন তিনি।
শত সহস্র সালাম লহ হে বীরশ্রেষ্ঠ রমনী।
ঠিক বিপরীত আরেক রমনী। বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনায় ১ সেকেন্ডের জন্যও কথা বলেনি বাজেট নিয়ে শুধু তেলবাজি করে গেছে। এই নিয়ে পোস্ট দেওয়াতে সুশীল ব্লগারা আমার বিরুদ্ধে একজোট হয়েছিল। একটু সময় নিয়ে দেখার অনুরোধ রইলো।
একসময় ভারতীয় কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ কিংবা বাংলাদেশের কিছু ক্ষমতাসীন নেতা এমন ভাষায় কথা বলতেন, যেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; বরং কোনো ছোট ভাই, আদরের বোন বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধরুন আপনার পাশের বাড়ির সাথে সম্পর্ক ভালো না। দীর্ঘদিনের পুরনো ঝামেলা, কথা বলাবলি বন্ধ, একে অপরকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পাশের বাড়িতে একটা বৈঠক... ...বাকিটুকু পড়ুন