পৃথিবীর কেশাগ্রভাগের নিরাপদ দূরত্বে থেকে পাছে ফেলি
মাহেন্দ্রক্ষণ - হারাবার - মৃত্যুর মতো সমাপ্তি।
খুজে ফিরি লক্ষ বজ্রের পরিণতি একটি শব্দ-
জীবন!
চামলাইশের সুডৌল বুকে জমা রেখে আসা
ভোজনপূর্ব তাবৎ গিলে খাওয়া সময়
সিঁড়ি বাঁধা ঘাটলার পাশে পূর্ব পুরুষের বৃক্ষে
লবন পড়া পাতার গায়ে ফোস্কা হয়ে ধরা দিলো।
ঝিমিয়ে পড়তে পারিনি - মৃত্যুর প্রতিচ্ছবি
বৃন্দাবন ইত্যাদিতে বৃক্ষাকৃতির ফাঁকে ফাঁকে
অন্বেষনের প্রহরগুলো একেকটি কালসাপ হয়ে গেলো!
প্রায়শ:ই মাটির পিঠে বিছিয়ে রাখা
মায়ের খাসা উরুর মাঝখানে স্বপ্ন রেখে
প্রজনন প্রত্যাশায় পিপড়ের স্বাধীনতায় মশগুল...
একেকটি পঙতি- একেকটি দীর্ঘশ্বাস- স্বপ্নের নিশ্চিত মৃত্যু।
আলো দেখেছি কেবল -
গা ঝাড়া কিশোরীর বয়ো:সন্ধিক্ষণে- তুমুল উচ্ছাস
... কয়েক পৃষ্ঠা জীবন লিখেছিলাম - অবমর্শ হেয়ালী!
এক জীবন লিখতে গিয়ে কুড়িয়ে আনলাম-
চোখ দু'টো ছাতার মরচে পড়া শিঁক
দৃষ্টি ছিলো ধারালো কোঁচ
ধলা পুকুরের অমসৃণ পাড়ে রেখে আসা কয়েক কাঁটা জীবন
গজারের গায়ে কামিনীর চোখে জীবনেরই স্কেচ
... কুড়িয়ে আনলাম।
যতদূর মনে পড়ে...
মানুষের বাস মায়ের গর্ভে
অত:পর কুমিরের মতো ঢেকি
ঢেঁকির মতো পিশাচ
বায়ু, বাতাস, বারি...
অমানুষও হয়েছি কিয়ৎকাল।
অথচ যতোবার দেখেছি রুইয়ের মতো সাদা
কামাতুর হয়েছি -
প্রেয়সী খুজেছি তোমার মাঝে, আমার মাঝে।
যতোই সামনে গিয়েছি- আলো
যতোই পিছনে গিয়েছি - অন্ধকার
খুজে ফিরি লক্ষ বজ্রের পরিণতি একটি শব্দ-
জীবন!
৩০.০৮.০৮
রাত ১১.৪০ মি.
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


