দীর্ঘ রঙভ্রমন শেষে রোদ এবং জ্যোৎস্না স্বাভাবিক পোশাক পরতে সক্ষম হলো। উপস্থিত ফুল, প্রজাপতি, জোনাক আর নতুন ঘাসের প্রানবন্ত হাসি আর করতালির মাঝামাঝি একা থাকা একজন ফাঁকি খুঁজে পেলো এবং সে পাত্তা পেলো না; উল্টো বেশ কয়েকবার সকাল দুপুর আর রাত নামলো। সে মূহুর্ত, শুধু সে মূহুর্ত পারেনি সময় বা সুরের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে। এবার নদীতে মেঘের ছায়া আর মেঘের গায়ে নদীর অভিমানের গর্তে দ্রুত নতুন নতুন রঙ জন্মালে একা থাকা একজনের ব্যস্ততা উপভোগে অনীহা জানালো তখনকার পোশাকি উপস্থিতি। শেষদৃশ্যে তেমন দর্শক থাকে না। আহা! সে কি সুর! মৃত্যুর এগিয়ে আসা দ্যাখে কেবল দু'টি চোখ। সে এমন কিছু ভেবেছিলো- প্রাণ আছে বলেই মৃত্যু আছে অথবা মৃত্যু আছে বলেই প্রাণে বাঁচি!
ভয়াবহ রকমের মৃত্যুমোহ প্রেমিকের নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টিতে
পাহাড়ে বিরহযোগ এবং সে বিচ্ছিন্ন যুক্তিতে সৈকত সংক্রান্তে আগ্রহী নয়।
ঠোটে দেখা সূর্যোদয় একচোখেই অস্ত যেতে পারলে
জ্যোৎস্নায় জোয়ার নামার আগে স্বপ্ন জেগে ওঠার পর কোন যুক্তিই চলে না
না, সে গাইবেই-
এ ঢেউ ওই পারে ওঠার পর
যেও তুমি, যাবেইতো একলা তোমার ঘর
একা থাকা একজন কবিতা লিখতে ব্যর্থ হওয়ার পর ঘুমানোর চেষ্টা করে। রোদ আর জ্যোৎস্নার পোশাক পাল্টানোর মঞ্চায়ন এড়িয়ে যাবার কথা স্বীকার করেছে। এও স্বীকার করেছে- চাইলেইতো আর সৈকতের সূর্যাস্ত ঠেকিয়ে রাখতে পারি না!
এই প্রথম সে মৃত্যুর পা ফেলার দৃশ্যে বিনোদন খুঁজে পেলো।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


