কইরে, এখানেতো আর কাউকে পাওয়া গেলো না; কিচ্ছু না। এতোক্ষণে ওরাও চলে গেছে। হায়! হায়! চৌরাস্তার বুকে শূন্য ট্রাফিক। আমি কোন পথে যাবো? ধেয়ে আসে কর্পোরেট চাবি- পেছনে পকেটে পকেটে। গতরাতের স্মৃতিচারনে দুই গেলাস ব্যস্ততা- তোর গায়ে শকুণের ঠোঁট পড়ুক। হিসেব রেখেছি তাই বলছি- গত দু'দিন ধরে জানালার পাশে যাই না। সিগারেটের অ্যাশট্রে ছাই বিরহে উল্টোমুখী স্বর্গগামী। তারে নতুন শীতের আগুন উপহারি। ফিরিয়ে দে পরিচিত সব রাস্তার মুখ। আমি ফেরীওয়ালা; তুই লাল আলতার বোতল, ভাঙা ভাঙা সুখ, তুই লাল, তুই রক্ত। আমাদের বনসন্ধ্যা রেখে আয়, রেখে আয়। তুই যা, মরে যা। একঘুম, দশ ঘুম, অনন্তঘুম প্রতিবেশীর কবিতায়। তাদের চুল মাটিতে মাটিতে। আমাদের বনসন্ধ্যা রেখে আয়। হায়! তুই-আমি যাই; যাচ্ছিলাম কোনদূর আঙুরবালার ডেরায়? কইরে, এখানে শরীর নাই। আমি নাই, নাই। আগামিকাল বৃষ্টি হবে, ভোর হবে, নতুন কিছু প্রেম হবে; মৃত্যু হবে? সবুজ মৃত্যু? আমি আছি, থাকবো তোকে জড়িয়ে। যা, তুই শেষ হয়ে যা। আমি সে রাতের শুয়োর। শুকনো ঠোঁটে তরল পাথর- তুই গেলাসে ঢুকে যা। প্রতিবেশীর কবিতায় এখন সঙ্গম চলছে। তুই কাঁপন দেখা, তুই শুয়ে যা, গিলে খা চরমুকাররমের খাঁ খাঁ বাতাস। তুই ভুলে যা, চলে যা, মরে যা। ঢুকে যা আমার গেলাসে। আমি সে রাতের আন্ধার।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


