somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের জল ছবি (তৃতীয় পর্ব)

১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি যখন বাড়ীতে গেলাম তখন দেখলাম কত নতুন মুখ যা আগে কখনো
দেখেনি । আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছে!!!!! আমি লজ্জায় লাল তার পর বড় খালাতো ও মামাতো বোন গুলো আমাকে কোথাই? রাখবে
তাদের কাছে বিয়ে মজা ব্যবপার নয় । আমাকে পেয়ে তারা যেন কত খুশি!!!!!!!! তার পর সবাই কে ? ছালাম করলাম , এত জমকালো
বিয়ে নাচ গান তো আছেই। বড় আপু সকলের হাতে একটু হলেও মেহেদী
পড়াচ্ছে!!!!!! নানু ও দাদু কত রং সাজ সেজেছে । বিকাল আরো অনেক
আত্মীয় এলেন, গায়েঁ হলুদ আমেজ শুরু হল!!!! যে যাকে পারে হলুদ লাগচ্ছে................... ,আমার ঐ সব ভাল লাগেনা আমি দক্ষিন পাশে একটি পেয়ারা গাছে উঠে ,পেয়ারা খাচ্ছি ।একা একা এত ভাল ............. মৌ মৌ ফুলের সুবাশ গুন গুন করে কে যেন গান গায়
দক্ষিনা বাতাসে কানচা ফুলের আড়ে
হাত ইশারায় কে? ডাকে ............................।

খোপায় চাপা দোলে ঐ রুপসীর মায়ার জালে
গোলাপ রাঙগা ঠোটের ভাঙগা ভাঙগা হাসি

পাতায় ফাকে জলের রাশি রোদ্র বলে আজ নয় কাল আসি।
আমি গাছে বসে দুই পা দুলাতে থাকলাম , এমন সময় তিন জন অচেনা
মেয়ে এসে বলল !!!!!!!!! আমাদের পেয়ারা দাও। আমি বললাম পারবনা।
তোমরা পেরে খাও , তারপর ওরা আমাকে ঢিল মারতে লাগল । আমি
ভয়ে গাছের ,উপরে উঠে পেয়ারা পেরে তাদের কে পাচ ওছয়টা দিলাম?
আম্মু কে বললাম এসব ঘটনা , বললাম তখন মামী ছিলেন।তারপর ঘন্টা
খানেক পর ওরা আসল, আমি মামীকে দেখালাম । তাদের মধ্যে আমার মামাতো ছিল লিমা , মামী ওকে একটি থাপ্পর মারল ।

তখন ছিল পূণিমা রাত আমরা সবাই মিলে চুর পুলিশ খেলা করছিলাম । আমি লুকিয়ে ছিলাম পূর্ব জাম গাছের তলায় ,হঠ্যা লিমা আমাকে দেখল । সে বলল !!!!তুমি এখানে এসো ?
এখানে লূকালে কেউ তোমাকে খুজে পাবেনা। আমি যখন ওর কাছে ! আসলাম সে আমাকে মাঁঠিতে ফেেল জড়িয়ে ধরে রাখল ।তখন বুঝতে পারলাম যে আমার সারা দেহর লাল পিপড়া কামড় দিচ্ছে । আমি একা ওরা তিন জন সাথে না পেরে ! জোরে চি?কার করলাম । আপু চি?কার শূনে এসে দেখল এই কান্ড । তারপর আপু ্্আমাকে নিয়ে গেল, মামীকে
এসব বলল । মামী মারতে শুরূ করল লিমা কে? আম্মু এসে মামীকে ধমক দিয়ে , লিমা কে টেনে নিলেন। মামী আমাকে গরম পানি দিয়ে শরীর
মুছে , ব্যাথার ঔষধ দিয়ে দিলেন। আমার শরীর ফুলে লাল হয়ে গেছে।
আমি বিছানায় শুয়ে আছি, পাশের রুমে দরজা লাগিয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে
সে অনেক ক্ষন কাদল । তারপর আমার কাছে এসে বলল !!! তোমার জন্য
আমি আম্মু হাতের ...........................।আর তুমি আমার বিছানায় ছিঃ..................।.আমি চেয়ে দেখলাম লিমার চোখ
দু,টি লাল সূর্যের মত হয়েছে। সুরমার স্রোতে তার ঠুল পড়া গাল দু,টি ভাসছে। লিমা চলে যাচ্ছে, তখন আমি তার হাতে ধরলাম ।সে বলল হাতে
ধরতে হবে না ,ছাড়...........................।
আমি বললাম বেশি ব্যাথা পেয়েছ, সে
দেখাল যে প্রতি আঘাত ফুলে গেছে। এই বলে কাঁদতে লাগল!!!!!!!...........,আমি তার চোখ দু,টির পানি মুছে দিলাম । তারপর তাকে ব্যাথার ঔষধ দিলাম , খাওয়ার জন্য সে খাবেনা । আমি জিঞ্জাসা
করলাম কেন? লিমা বলল খাব এক সত্বে ।আমি বললাম কি................? লিমা বলল!!!!!!!! আমি ডাকলে তুমি....................।
বড় আপু (কাজিন) এসব কথা শুনে ,আম্মু ওমামীকে ডেকে এসব বলল ।
বিয়ের বাড়ীর সবাই আমরা দু,ই জন কে? নিয়ে কী হাসা...............,।

আমি চলে যাব ভাইয়ার বিয়ের দু,ই দিন পর ।
আম্মু সকালে উঠে , আমার বই ও কাপড় ব্যাগে মধ্যে রাখছেন। লিমা বলল
ফুপি সে আর কয় দিন থাকলে কি হয় ? আম্মু না মা তা হয় না। লিমা
যখন মন খারাপ চলে যাচ্ছ !!!! আম্মু লিমা কে জড়িয়ে ধরে ছোট
গোলাপি দু,টি গালে চুমু দিলেন । তারপর আম্মু বলল লিমা তোমরা
আর ঝগড়া করবেনা । আমি সকলে কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যখন চলে
যাচ্ছি , তখন মামী লিমা কে খুজে পেলনা ? আমি আম্মু জড়িয়ে কেঁদে
ফেলাম । আম্মু কে ভাইয়া কি যেন বলল নতুন ভাবী আমাকে গাড়ীতে
তুলে দিলেন । ভাইয়া গাড়ী ফুলছড়া বিজ্র এখানে হঠ্যা থামালেন।
আমাকে বলল নেেমঐ
দেখ তো? তোর জন্য কে? দাড়িয়ে আছে । আমি যখন লিমার কাছে , সে
আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগল । আমি পথরে মত দাড়িয়ে ছিলাম।
তারপর ভাইয়া গাড়ী নেমে বলল!!!!!! তোর জন্য সুন্দর পুতুল
ও চকলেট নিয়ে আসব। যাও বোন বাসায় যাও!!!!!!!! আমার সারা রাস্তা
লিমার কান্না ভারা মুখ খানি , চোখের সামনে ভেসে উঠল।
আমি হোষ্টেলে যাওয়ার পর কিছুই মনে থাকল না ।







সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×