হিজড়া নিয়ে প্রতিবেদন
সোহেল চৌধুরী
হিজড়ার ইংরেজী শব্দ হল সিমেল। বিশ্বে সব দেশে হিজড়াদের নিয়ে সাধারন মানুষের মাঝে সব সময় একটা কৌতুহল কাজ করে। হিজড়াদের নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চিন্তার শেষ নেই। আমাদের সমাজে তাদেরকেই হিজড়া বলি যাদের আচার আচারণ স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ভিন্ন এবং তারা পুরুষ কিংবা মহিলা কোনটাই বুঝা যায় না। বিশ্বে হিজড়ার সংখ্যা কম নয়। তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে আমেরিকা হিজড়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। প্রায় সত্তর লাক্ষ হিজড়া বসবাস করে। এদিকে এশিয়া মহাদেশের মধ্যে ইন্ডিয়া হিজড়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ইন্ডিয়া প্রায় পঞ্চাশ লাক্ষেরও বেশি হিজড়া রয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। ১৯৮০ সালে ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে হিজড়া আসা শুরু করে। তখন বাংলাদেশে হিজড়া নেই বললেই চলে। অতচ বর্তমানে বাংলাদেশে হিজড়ার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে হিজড়ার সংখ্যা প্রায় পনের হাজার। শতকরা সত্তর ভাগ হিজড়া বাস করে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে। আর বাকি গুলো রাজত্ব করছে বিভাগীয় শহরে। বাংলাদেশী হিজড়াদের ২০০৯ সালে ভোটার হবার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তেমন কোন হিজড়াদের ভোটার সংখ্যা পাওয়া যায় নাই। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকার হিজড়াদের একটা ক্যাটাগরিতে রাখে এবং তাদের জন্য সরকারি ভাবে কোঠা সৃষ্টি করা হয়। তার সাথে সাথে হিজড়াদের থার্ড জেনন্ডার হিসাবে গণ্য করা হয়। মন্ত্রীপরিষদের এক বিল ও পাস করা হয় যে হিজড়ারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে তারা সুযোগ সুবিধা পাবে। এতো সুযোগ সুবিধা দেওয়ার পরও তারা কেন সুবিধা নিচ্ছে না। আমাদের দেশের হিজড়াদের শিক্ষার অভাব মানষিকতা অভাব ওরা আমাদের সমাজের সাথে তালমিলে চলতে পারে না বলেই আমাদের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায় না। আমরা কি ওদের কে কোন সুযোগ দিচ্ছি না, তাই? ওদের মানষিকতা পরিবর্তন করার জন্য বিভিন্ন ধরনের কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
সব সুযোগ সুবিধা দেওয়ার পর তারা কেন আমাদের সমাজের সাথে মিলে থাকছে না? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে হলে আমাকে লিখতে অনেক কিছু......

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০১৫ সকাল ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




