দেশে থ্রোট ফ্লুর ভয়াবহ সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। থ্রোট ফ্লুতে আক্রান্তদের থ্রোট মানে গলা দিয়ে সত্য কথা একদমই বের হতে চায়না বললেই চলে, অনবরত খালি মিথ্যা কথা বের হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেন চলে যেতে না পারে সে জন্য সরকারের আহবানে WHO ও ICCDDRB-এর যৌথ উদ্যোগে বেশ কয়েকটি টিম দেশের বিভিন্ন জেলায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। এ রোগের প্রাথমিক চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে কান ধরে ওঠবস, গলার নলিতে হালকা চাপ দিয়ে ধরা (এভাবে চেপে ধরলে আলজিহবায় আটকে থাকা সত্য কথা দ্রুত বের হয়ে আসে), পশ্চাৎদেশে ঠ্যাঙ্গানি দেয়া ইত্যাদি। তবে গুরুতর আক্রান্তদের গলার নলিতে দুই হাতের ১০আঙুল দিয়ে দম বের না হওয়া পর্যন্ত চেপে ধরে থাকতে হয়।
ICCDDRB-এর একটি ভ্রাম্যমাণ টিমের স্বাস্হ্যকর্মীরা বিম্পি-জামাতের দুই কর্মীর গলায় থ্রোট ফ্লুর সংক্রমণের ভয়াবহতার মাত্রা পরীক্ষা করে দেখছেন এবং চিকিৎসা দিচ্ছেন।
(কান ধরে ওঠবস করছে দুই রোগী।)
তাদের ভাষ্যমতে বিম্পি-জামাতে যোগ দেয়ার পর থেকেই নাকি তারা থ্রোট ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছে। কান ধরে ওঠবস করতে করতে তারা বলেন, এ অবস্থা হবে আগে জানলে কখনোই বিম্পি-জামাত করতাম না। তারা বলেন, গু খাব তবুও আর কোনদিন বিম্পি-জামাত করব না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


