
বাজারে এখন বেশ গোলগাল টমেটো আর হৃষ্ট-পুষ্ট সীমের বিচি পাওয়া যাচ্ছে।যারা এগুলো পছন্দ করেন তারা ঝটপট দেখে নিতে পারেন এই রেসিপিটি-
উপকরন-
১-খোসা ছাড়ানো সীমের বিচি -১কাপ
২- বড় সাইজের পাকা টমেটো-২টি
৩-রসুন কুচি -২ টেবিল চামচ
৪-পেঁয়াজ কুচি-আধা কাপ
৫-আদা কুচি-এক চা চামচের ৪ ভাগের এক ভাগ
৬-হলুদ এবং মরিচ গুড়া-এক চা চামচের ৪ ভাগের এক ভাগ
৭-জিরা-আধা চা চামচ
৮-তেল-২টেবিল চামচ
৯-কাঁচা মরিচ কুচি ও লবন -স্বাদ মত
১০-চিনি-১চিমটি

প্রনালী-
১-সীমের বিচি পানিতে ভিজিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন।
২-কড়াই এ তেল দিয়ে তেল গরম হলে পেঁয়াজ রসুন ও আদা কুচি দিন, এক মিনিট ভেজে তাতে এক চিমটি আস্ত জিরা ছেড়ে দিন।জিরা ফুলে উঠলে একে একে হলুদ ও মরিচের গুড়া দিয়ে ভাজতে থাকুন।যাতে পুড়ে না যায় তাই একটু পানি দিয়ে মসলা ভাল করে কষিয়ে নিন।
৩-এবার স্বাদ মত লবন দিন এবং মাঝারি টুকরা করে কাটা টসটসে পাকা টমেটো দিয়ে দুই মিনিট কষিয়ে নিন।এবার সীমের বিচিগুলো দিয়ে ২-৩মিনিট কষিয়ে নিন।যদি লেগে আসে তবে একটু করে পানি দিন।
৪- সব কিছু ভাল মত কষানো হলে এক কাপ পানি দিয়ে কড়াই ঢেকে দিন।কিছুক্ষন পর পানি কমে বিচি সিদ্ধ হয়ে গেলে ২-৩টি বা স্বাদ মত কাঁচা মরিচ কুচি দিন।তরকারি মাখা মাখা হয়ে এলে এক চিমটি চিনি ছড়িয়ে ভাল করে নেড়ে দিন।
৫-একটি শুকনো কড়াই এ একটু জিরা তেল ছাড়া ভেজে গুড়া করে নিন।টমেটো বিচির গায়ে মাখা মাখা হয়ে তেল বেড়িয়ে আসলে এক চিমটি এই জিরা ভাজা উপরে ছড়িয়ে তরকারি নামিয়ে কিছুক্ষন ঢেকে রাখুন।

পরিবেশন-
গরম সাদা ভাত ও মসুরের ডালের সাথে পরিবেশন করুন।টকটক,ঝালঝাল এই খবারটি যেমন পুষ্টিকর তেমনি রুচিবর্ধক।সিমের বিচি অনেক উচ্চ মানের প্রোটিন আর উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের সুবিধা হচ্ছে এতে কোলেস্টেরল এর ভয় নেই মোটেও।তাই বাচ্চাদের সাথে সাথে ডায়াবেটিস বা হার্টের রোগিও এটি খেতে পারবেন অনায়াসে।সেই সাথে এতে যুক্ত হচ্ছে টমেটোর ভিটামিন আর পুষ্টি।তাহলে আর দেরি না করে ঝটপট উপকরন জোগাড় করে রান্না করে ফেলুন সিমের বিচি উইথ টমেটো।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




