
১।মোহাম্মাদ (সা.) নিজ নামে ক’টা ভাল কথা প্রচার করলে বোদ্ধের মত তিনি নিজেই ভগবান হতে পারতেন। তাঁর ধর্মের নাম হয়ে যেত মোহাম্মদী ধর্ম।তা’ না করে তিনি লোকদের বলতে বললেন যে, ‘মোহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাছুলুহু-মোহাম্মাদ তাঁর (আল্লাহর) দাস ও রাছুল। কুরাইশ রাজ কুমার হয়ে গেলেন দাস? তিনি নিজেই যেখানে ভগবান হতে পারেন সেখানে তিনি তেমন কারো রাছুল ও দাস হতে যাবেন কেন?
২। মোহাম্মদ (সা.) কৃষ্ণের মত নিজেকে ভগবানের অবতার বলে প্রচার করলে তাঁর কি অসুবিধা হতো? যেখানে তিনি নিজেই ভগবানের আসনে বসতে পারেন, সেখানে আরেক জনকে সে আসন দিয়ে তিনি তাঁর নবি ও দাস হওয়ার মানে কি?
৩।মোহাম্মদ (সা.)যীশুর মত নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র বলে প্রচার করলে তাঁর অসুবিধা কি ছিল? ঈশ্বরের রাছুল ও দাসের চেয়েতো পুত্রের মর্যাদা বেশী।
৪। মোহাম্মদ (সা.)ইহুদী ধর্মের মতো তাঁর ধর্মের নাম রাখতে পারতেন কুরাইশী ধর্ম। সেটা না রেখে তিনি কেন তাঁর ধর্মের নাম ইসলাম রাখলেন?
৫। মোহাম্মদ (সা.) সৃষ্টিকর্তা নাই বলে জাহেলদের জাহেলী কাজে উৎসাহ যোগিয়ে তাদের বাহবা কুড়িয়ে তাদের নেতা হয়ে যেতে পারতেন।
এত্তসব লোভনীয় বিষয় বাদ দিয়ে তিনি কেন কোন এক জনের কষ্টকর ইবাদতে মশগুল হলেন? কারণ তাঁর নিকট তাঁর কাজ ছিল মহাসত্য এবং লাভ জনক।আর অন্যরা যারা তাঁকে মেনেছে তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী ভাবতে পারেননি।
তিনি যা আল্লাহর বাণী বলে প্রচার করেছেন তা’ মানুষের বাণী নয়, কারণ তাতে ভুল নেই।মানুষ মাত্রই ভুল থাকায় মানুষেরবাণী হলে সে বাণীতে ভুল থাকার কথা ছিল।সংগত কারণে আল্লাহর সান্নিধ্য পেয়ে তিনি তাঁর ভয়ে ভীত হয়ে সহজ লাভের কোন কথা ভাবতে পারেননি।
বিঃদ্রঃ উপরে যাদের বিষয় উপস্থাপন করা হলো তাদের বিষয়ের চেয়ে মোহাম্মদের (স.) বিষয় তুলনা মুলক অলাভ জনক।আমার কথা হলো তিনি তেমন পথেইতো লাভের কথা ভাবতে পারতেন। সে সব বিষয়ের সত্যতা আমাদের আলচ্য বিষয় নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




